ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এক সাক্ষাৎকারে নুরিন নিয়াজি বলেন, চার দিনের ওই সংঘাতকে পাকিস্তানের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব যেভাবে উপস্থাপন করেছে, বাস্তব পরিস্থিতি তার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। তার ভাষ্য, ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ সফল ছিল এবং পাকিস্তানের সেনাবাহিনী নিজেদের ব্যর্থতা গোপনের চেষ্টা করেছে।
এই বক্তব্যের পর পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ) তাকে তলব করেছে। সংস্থাটির অভিযোগ, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সেনাবাহিনী সম্পর্কে ‘মিথ্যা, আপত্তিকর ও উসকানিমূলক’ তথ্য প্রচার করেছেন।
সাক্ষাৎকারে নুরিন নিয়াজি আরও দুটি দাবি করেন, যদিও এসব দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। প্রথম দাবিতে তিনি বলেন, পাকিস্তান ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার সম্ভাব্য একটি নীরব সমঝোতার কারণে ভারত সংঘাত আর এগিয়ে নেয়নি।
দ্বিতীয় দাবিতে তিনি উল্লেখ করেন, পাকিস্তান যাকে ‘মারকা-ই-হক’ নামে অভিহিত করেছে, সেই সামরিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হস্তক্ষেপ করেন এবং পাকিস্তানকে পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ করে দেন।
নুরিন নিয়াজির এসব মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পিএমএল-এন। দলটির নেতাদের অভিযোগ, তার বক্তব্য দেশের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থি।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এক সাক্ষাৎকারে নুরিন নিয়াজি বলেন, চার দিনের ওই সংঘাতকে পাকিস্তানের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব যেভাবে উপস্থাপন করেছে, বাস্তব পরিস্থিতি তার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। তার ভাষ্য, ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ সফল ছিল এবং পাকিস্তানের সেনাবাহিনী নিজেদের ব্যর্থতা গোপনের চেষ্টা করেছে।
এই বক্তব্যের পর পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ) তাকে তলব করেছে। সংস্থাটির অভিযোগ, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সেনাবাহিনী সম্পর্কে ‘মিথ্যা, আপত্তিকর ও উসকানিমূলক’ তথ্য প্রচার করেছেন।
সাক্ষাৎকারে নুরিন নিয়াজি আরও দুটি দাবি করেন, যদিও এসব দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। প্রথম দাবিতে তিনি বলেন, পাকিস্তান ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার সম্ভাব্য একটি নীরব সমঝোতার কারণে ভারত সংঘাত আর এগিয়ে নেয়নি।
দ্বিতীয় দাবিতে তিনি উল্লেখ করেন, পাকিস্তান যাকে ‘মারকা-ই-হক’ নামে অভিহিত করেছে, সেই সামরিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হস্তক্ষেপ করেন এবং পাকিস্তানকে পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ করে দেন।
নুরিন নিয়াজির এসব মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পিএমএল-এন। দলটির নেতাদের অভিযোগ, তার বক্তব্য দেশের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থি।

আপনার মতামত লিখুন