বেসেন্ট জানান, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত অর্থনৈতিক চাপের কর্মসূচি ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’-এ আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ নিয়েছে ইইউ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইইউর এই পদক্ষেপের প্রশংসা করেন বেসেন্ট। তিনি বলেন, ‘তাদের দৃঢ় ও দ্রুত অবস্থানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’
মার্কিন অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের সঙ্গে সমন্বয় করে দৃঢ়ভাবে কাজ করছে। এর উদ্দেশ্য হলো ‘হত্যাকাণ্ডে জড়িত ইরানি সরকার’ যেন পারমাণবিক ও অস্ত্র কর্মসূচি পরিচালনা এবং তাদের সমর্থিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে অর্থায়নের জন্য বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা ব্যবহার করতে না পারে।
বেসেন্ট বলেন, ইরান সরকারের প্রতি বিশ্ব একটি পরিষ্কার বার্তা দিচ্ছে। দেশটির অবশিষ্ট সব আর্থিক পথ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই চাপ অব্যাহত থাকবে।
এর আগে গত মাসের শেষ দিকে এক বিবৃতিতে ইইউ জানিয়েছিল, তারা যুক্তরাষ্ট্র, জি-৭ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। ইরানের ওপর চাপ বজায় রাখার পাশাপাশি উত্তেজনা প্রশমন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় অবদান রাখাই হবে এই সহযোগিতার উদ্দেশ্য।
ইইউর ওই ঘোষণার পরই মার্কিন অর্থমন্ত্রী জানালেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপের কর্মসূচিতে আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
সূত্র: এএম

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বেসেন্ট জানান, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত অর্থনৈতিক চাপের কর্মসূচি ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’-এ আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ নিয়েছে ইইউ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইইউর এই পদক্ষেপের প্রশংসা করেন বেসেন্ট। তিনি বলেন, ‘তাদের দৃঢ় ও দ্রুত অবস্থানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’
মার্কিন অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের সঙ্গে সমন্বয় করে দৃঢ়ভাবে কাজ করছে। এর উদ্দেশ্য হলো ‘হত্যাকাণ্ডে জড়িত ইরানি সরকার’ যেন পারমাণবিক ও অস্ত্র কর্মসূচি পরিচালনা এবং তাদের সমর্থিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে অর্থায়নের জন্য বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা ব্যবহার করতে না পারে।
বেসেন্ট বলেন, ইরান সরকারের প্রতি বিশ্ব একটি পরিষ্কার বার্তা দিচ্ছে। দেশটির অবশিষ্ট সব আর্থিক পথ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই চাপ অব্যাহত থাকবে।
এর আগে গত মাসের শেষ দিকে এক বিবৃতিতে ইইউ জানিয়েছিল, তারা যুক্তরাষ্ট্র, জি-৭ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। ইরানের ওপর চাপ বজায় রাখার পাশাপাশি উত্তেজনা প্রশমন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় অবদান রাখাই হবে এই সহযোগিতার উদ্দেশ্য।
ইইউর ওই ঘোষণার পরই মার্কিন অর্থমন্ত্রী জানালেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপের কর্মসূচিতে আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
সূত্র: এএম

আপনার মতামত লিখুন