আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সোমবার (২০ জুলাই) নুরিস্তানের প্রাদেশিক রাজধানী পারুন এবং আশপাশের এলাকায় আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে। প্রাদেশিক গভর্নরের কার্যালয় ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বন্যার পানিতে শহরের অসংখ্য ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভেসে গেছে।
আফগানিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এএনডিএমএ) জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত অন্তত ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ৮০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। হতাহতদের বেশির ভাগই পাকিস্তান সীমান্তবর্তী পারুন ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দা।
প্রাদেশিক গভর্নরের কার্যালয় জানিয়েছে, বন্যার পর রাজধানী পারুনের মেয়রসহ কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের সন্ধানে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা ‘শপুল’-এর প্রধান আশিকুল্লাহ সাফি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, বন্যায় পুরো পৌর এলাকা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বহু হোটেল এবং কয়েক ডজন দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি সরে যাওয়ার পর শহরের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় পাথর ও ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে রয়েছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের উদ্যোগেই নিখোঁজদের খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিবেশী পাকিস্তান ও ভারতের মতো আফগানিস্তানও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকির মুখে রয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে দেশটিতে আকস্মিক বন্যা বড় ধরনের মানবিক সংকট তৈরি করে।
চলতি বছরের জুন থেকে শুরু হওয়া বর্ষা মৌসুমে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ভারত ও নেপালে বন্যা, ভূমিধস ও বজ্রপাতে বহু মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে আফগানিস্তানের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার প্রধান মৌলভি মতিউল হক খালিস সম্প্রতি সতর্ক করে বলেছেন, দেশে বন্যার ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে এবং পরিবেশগত সংকট মানবিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সোমবার (২০ জুলাই) নুরিস্তানের প্রাদেশিক রাজধানী পারুন এবং আশপাশের এলাকায় আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে। প্রাদেশিক গভর্নরের কার্যালয় ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বন্যার পানিতে শহরের অসংখ্য ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভেসে গেছে।
আফগানিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এএনডিএমএ) জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত অন্তত ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ৮০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। হতাহতদের বেশির ভাগই পাকিস্তান সীমান্তবর্তী পারুন ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দা।
প্রাদেশিক গভর্নরের কার্যালয় জানিয়েছে, বন্যার পর রাজধানী পারুনের মেয়রসহ কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের সন্ধানে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা ‘শপুল’-এর প্রধান আশিকুল্লাহ সাফি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, বন্যায় পুরো পৌর এলাকা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বহু হোটেল এবং কয়েক ডজন দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি সরে যাওয়ার পর শহরের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় পাথর ও ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে রয়েছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের উদ্যোগেই নিখোঁজদের খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিবেশী পাকিস্তান ও ভারতের মতো আফগানিস্তানও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকির মুখে রয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে দেশটিতে আকস্মিক বন্যা বড় ধরনের মানবিক সংকট তৈরি করে।
চলতি বছরের জুন থেকে শুরু হওয়া বর্ষা মৌসুমে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ভারত ও নেপালে বন্যা, ভূমিধস ও বজ্রপাতে বহু মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে আফগানিস্তানের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার প্রধান মৌলভি মতিউল হক খালিস সম্প্রতি সতর্ক করে বলেছেন, দেশে বন্যার ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে এবং পরিবেশগত সংকট মানবিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

আপনার মতামত লিখুন