বুধবার (২২ জুলাই) চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানায় দায়ের হওয়া ধর্ষণ মামলার ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া আফতাব মজুমদার এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সংগঠক এবং বন্দর থানা যুবশক্তির আহ্বায়ক। এছাড়া, গত ১৪ মে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের স্বাক্ষরিত একটি সাংগঠনিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাকে দলের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য করা হয়।
চান্দগাঁও থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, প্রায় তিন মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে আফতাব মজুমদারের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে অভিযুক্ত শারীরিক সম্পর্কের আগ্রহ প্রকাশ করলে তিনি বিয়ের আগে তাতে সম্মতি দেননি।
এজাহারে আরও বলা হয়, গত ১৪ জুলাই সকালে আফতাব মজুমদার মোবাইল ফোনে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে নগরের বন্দর এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে ডেকে নেন। সেখানে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরে ভুক্তভোগী একাধিকবার বিয়ের বিষয়ে কথা বললেও তিনি বিভিন্ন অজুহাতে তা এড়িয়ে যান এবং একসময় সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
মামলার অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, পরে ভুক্তভোগী জানতে পারেন যে আফতাব মজুমদার আগে থেকেই বিবাহিত। এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি চান্দগাঁও থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
বুধবার (২২ জুলাই) সকালে চান্দগাঁও থানার ডিউটি অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান, ধর্ষণ মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে হাজতে রয়েছেন এবং বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় ৯টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর বিডিআর মাঠসংলগ্ন একটি দোকান থেকে আফতাব মজুমদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে স্থানীয় সূত্রের দাবি, আফতাব মজুমদারের ব্যক্তিজীবনে এর আগেও একাধিক বিয়ে নিয়ে আলোচনা ছিল। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো প্রামাণ্য নথির ভিত্তিতে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার বিষয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় বা চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির কোনো নেতার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আরটিভি। ছবি: সংগৃহীত।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
বুধবার (২২ জুলাই) চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানায় দায়ের হওয়া ধর্ষণ মামলার ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া আফতাব মজুমদার এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সংগঠক এবং বন্দর থানা যুবশক্তির আহ্বায়ক। এছাড়া, গত ১৪ মে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের স্বাক্ষরিত একটি সাংগঠনিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাকে দলের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য করা হয়।
চান্দগাঁও থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, প্রায় তিন মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে আফতাব মজুমদারের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে অভিযুক্ত শারীরিক সম্পর্কের আগ্রহ প্রকাশ করলে তিনি বিয়ের আগে তাতে সম্মতি দেননি।
এজাহারে আরও বলা হয়, গত ১৪ জুলাই সকালে আফতাব মজুমদার মোবাইল ফোনে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে নগরের বন্দর এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে ডেকে নেন। সেখানে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরে ভুক্তভোগী একাধিকবার বিয়ের বিষয়ে কথা বললেও তিনি বিভিন্ন অজুহাতে তা এড়িয়ে যান এবং একসময় সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
মামলার অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, পরে ভুক্তভোগী জানতে পারেন যে আফতাব মজুমদার আগে থেকেই বিবাহিত। এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি চান্দগাঁও থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
বুধবার (২২ জুলাই) সকালে চান্দগাঁও থানার ডিউটি অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান, ধর্ষণ মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে হাজতে রয়েছেন এবং বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় ৯টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর বিডিআর মাঠসংলগ্ন একটি দোকান থেকে আফতাব মজুমদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে স্থানীয় সূত্রের দাবি, আফতাব মজুমদারের ব্যক্তিজীবনে এর আগেও একাধিক বিয়ে নিয়ে আলোচনা ছিল। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো প্রামাণ্য নথির ভিত্তিতে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার বিষয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় বা চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির কোনো নেতার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আরটিভি। ছবি: সংগৃহীত।

আপনার মতামত লিখুন