গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ভোলার ইলিশা নৌবন্দর ঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে ‘বেগম রোকেয়া’ নামের ফেরি ১৩টি পণ্যবাহী ট্রাক নিয়ে যাত্রা করে। একই সময়ে ঢাকা থেকে ভোলার উদ্দেশে ছেড়ে আসে ‘সুফিয়া কামাল’ নামের আরেকটি ফেরি। এর মধ্য দিয়ে ভোলা-ঢাকা নৌপথে বিআইডব্লিউটিসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রথমবারের মতো ফেরি চলাচল শুরু হয়।
পরীক্ষামূলক এই যাত্রার পর নৌপথটির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করেছে বিআইডব্লিউটিসি। সংস্থাটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরীক্ষামূলক চলাচলের সময় রুটের নাব্যতা, দূরত্ব, যাত্রায় প্রয়োজনীয় সময় এবং ঢাকায় ফেরি ভেড়ানোর জন্য সুবিধাজনক ঘাটসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম মুহাম্মদ তানভীর হোসেন জানান, পরীক্ষামূলক ফেরিযাত্রায় তার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে ফেরিটি ভোলার ইলিশা নৌবন্দর ঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়।
তিনি বলেন, গত এক সপ্তাহের পরীক্ষামূলক চলাচল শেষে রুটসংক্রান্ত বিষয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ফেরিতে পরিবহন করা যানবাহনের সম্ভাব্য ভাড়াও নির্ধারণ করেছে সংশ্লিষ্ট কমিটি।
বিআইডব্লিউটিসি ভোলা অঞ্চলের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. কাওসার আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভোলা-ঢাকা নৌপথে নিয়মিত ফেরি সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য কর্তৃপক্ষ নতুন ফেরি তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে ঘাট পরিদর্শন, রুটের দূরত্ব ও যাত্রার সময় নির্ধারণের কাজও সম্পন্ন করা হয়েছে।
গত রোববার পরীক্ষামূলক ফেরি চলাচল শেষ হওয়ার পর রাজধানীর বাংলামোটরে বিআইডব্লিউটিসির প্রধান কার্যালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোলার ইলিশা থেকে ঢাকার কাঁচপুর পর্যন্ত ফেরি চলাচলের রুট নির্ধারণ করা হয়।
‘বেগম রোকেয়া’ ফেরির ইনচার্জ মাস্টার মো. মোসাহেদুল ইসলাম বলেন, ভোলা থেকে ঢাকার নির্ধারিত রুটে ফেরি চলাচলে প্রায় ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগছে।
বিআইডব্লিউটিসির এ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে ভোলা-ঢাকা নৌপথে সরাসরি সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফেরি সার্ভিস চালুর প্রক্রিয়া এগিয়ে গেল। পরীক্ষামূলক চলাচলের অভিজ্ঞতা ও পর্যালোচনার ভিত্তিতে এখন নিয়মিত সার্ভিস পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ভোলার ইলিশা নৌবন্দর ঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে ‘বেগম রোকেয়া’ নামের ফেরি ১৩টি পণ্যবাহী ট্রাক নিয়ে যাত্রা করে। একই সময়ে ঢাকা থেকে ভোলার উদ্দেশে ছেড়ে আসে ‘সুফিয়া কামাল’ নামের আরেকটি ফেরি। এর মধ্য দিয়ে ভোলা-ঢাকা নৌপথে বিআইডব্লিউটিসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রথমবারের মতো ফেরি চলাচল শুরু হয়।
পরীক্ষামূলক এই যাত্রার পর নৌপথটির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করেছে বিআইডব্লিউটিসি। সংস্থাটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরীক্ষামূলক চলাচলের সময় রুটের নাব্যতা, দূরত্ব, যাত্রায় প্রয়োজনীয় সময় এবং ঢাকায় ফেরি ভেড়ানোর জন্য সুবিধাজনক ঘাটসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম মুহাম্মদ তানভীর হোসেন জানান, পরীক্ষামূলক ফেরিযাত্রায় তার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে ফেরিটি ভোলার ইলিশা নৌবন্দর ঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়।
তিনি বলেন, গত এক সপ্তাহের পরীক্ষামূলক চলাচল শেষে রুটসংক্রান্ত বিষয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ফেরিতে পরিবহন করা যানবাহনের সম্ভাব্য ভাড়াও নির্ধারণ করেছে সংশ্লিষ্ট কমিটি।
বিআইডব্লিউটিসি ভোলা অঞ্চলের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. কাওসার আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভোলা-ঢাকা নৌপথে নিয়মিত ফেরি সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য কর্তৃপক্ষ নতুন ফেরি তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে ঘাট পরিদর্শন, রুটের দূরত্ব ও যাত্রার সময় নির্ধারণের কাজও সম্পন্ন করা হয়েছে।
গত রোববার পরীক্ষামূলক ফেরি চলাচল শেষ হওয়ার পর রাজধানীর বাংলামোটরে বিআইডব্লিউটিসির প্রধান কার্যালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোলার ইলিশা থেকে ঢাকার কাঁচপুর পর্যন্ত ফেরি চলাচলের রুট নির্ধারণ করা হয়।
‘বেগম রোকেয়া’ ফেরির ইনচার্জ মাস্টার মো. মোসাহেদুল ইসলাম বলেন, ভোলা থেকে ঢাকার নির্ধারিত রুটে ফেরি চলাচলে প্রায় ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগছে।
বিআইডব্লিউটিসির এ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে ভোলা-ঢাকা নৌপথে সরাসরি সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফেরি সার্ভিস চালুর প্রক্রিয়া এগিয়ে গেল। পরীক্ষামূলক চলাচলের অভিজ্ঞতা ও পর্যালোচনার ভিত্তিতে এখন নিয়মিত সার্ভিস পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন