ঢাকা    শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

জাতীয়

অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে, প্রতিদিন গড়ে ১০টির বেশি হত্যাকাণ্ড

অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে, প্রতিদিন গড়ে ১০টির বেশি হত্যাকাণ্ড
অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে, প্রতিদিন গড়ে ১০টির বেশি হত্যাকাণ্ড

পৌনে দুই মাসে উদ্ধার ১৫৩ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, তিন মাসে ৯১৫ হত্যা মামলা

রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, আন্ডারওয়ার্ল্ডের আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে দেশে খুন, টার্গেট কিলিং ও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাজধানীর পর সবচেয়ে বেশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামে।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে সারা দেশে ৯১৫টি হত্যা মামলা হয়েছে। সে হিসাবে প্রতিদিন গড়ে ১০টিরও বেশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে মার্চে ৩১৭টি, এপ্রিলে ২৮৮টি এবং মে মাসে ৩১০টি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। গত বছরের একই তিন মাসে মোট ৯৯৩টি মামলা হয়েছিল, যার মধ্যে ২২৬টি ছিল আগের ঘটনার ধারাবাহিকতায়। ২০২৪ সালের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ৭৯৪।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় গত ১ মে থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। চলমান অভিযানে গতকাল পর্যন্ত ১৫৩টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া জব্দ করা হয়েছে ১ হাজার ৭৮৫ রাউন্ড গুলি ও কার্তুজ, ৫২টি ম্যাগাজিন, ৩২টি হাতবোমা এবং ২ হাজার ২০০ কেজি গানপাউডার।

চলতি বছরের এই তিন মাসে ঢাকা রেঞ্জে সর্বোচ্চ ২০৭টি হত্যা মামলা হয়েছে। এরপর চট্টগ্রামে ১৮৬টি, রাজশাহীতে ১০৬টি এবং খুলনায় ৮৪টি মামলা হয়েছে। মেট্রোপলিটন এলাকাগুলোর মধ্যে ঢাকায় ৫৭টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

গত ১৩ জুন চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার একটি জনাকীর্ণ বাজারে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তিকে অটোরিকশায় এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। এর আগে ৫ জানুয়ারি একই উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নে নিজ বাড়ির সামনে যুবদল নেতা জানে আলম সিকদারকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যমতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে রাউজানে অন্তত ২৫টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, যার মধ্যে ১৮টি রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে। একই সময়ে শতাধিক গোলাগুলি ও সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ ৩৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।

২০২৪ সালের আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানের পর চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানা ও ফাঁড়ি থেকে ৯৪৫টি আগ্নেয়াস্ত্র লুট হয়েছিল। এর মধ্যে প্রায় ৭০০টি অস্ত্র উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৬১৭টি অস্ত্র জমা পড়ে। এখনও প্রায় ১৬৫টি লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার হয়নি।

খুলনায় গত ১৩ জুন এক বিএনপি কর্মী গুলিতে নিহত হন। ১৫ জুন দৌলতপুরে ফজরের নামাজের সময় একটি মসজিদে গুলি চালানোর ঘটনায় দুই মুসল্লি আহত হন। একই দিনে ঢাকার পশ্চিম রামপুরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান ওরফে ‘কাইল্যা পলাশ’ গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর কয়েকজন কুখ্যাত গ্যাং লিডার ও দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী জামিনে মুক্ত হয়ে বা বিদেশ থেকে দেশে ফিরে আসায় সহিংসতা বেড়েছে। গোয়েন্দাদের ধারণা, তারা নিজেদের পূর্বের আধিপত্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে ৬৪টি রাজনৈতিক সহিংসতায় পাঁচজন নিহত ও ২৮৯ জন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১১ জন গুলিবিদ্ধ। এপ্রিলে ৯৮টি ঘটনায় ছয়জন নিহত ও ৫৩৩ জন আহত হন, যার মধ্যে ৩৭ জন গুলিবিদ্ধ। মার্চে ১১৩টি ঘটনায় ১৮ জন নিহত এবং ৯১২ জন আহত হন, যাদের মধ্যে ১৫ জন গুলিবিদ্ধ ছিলেন।

রাউজানে ২৬ এপ্রিল বিএনপি কর্মী নাসির উদ্দিন এবং ২৪ এপ্রিল বিএনপি নেতা কাউসারুজ্জামান নিহত হন। ২ এপ্রিল পাবনার ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। খুলনায় ৫ মার্চ সাবেক রূপসা শ্রমিক দল সভাপতি মাসুম বিল্লাহ এবং ১৪ মার্চ বাগেরহাটে শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ সোহেল নিহত হন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বেশি। গত দেড় বছরে যশোর সীমান্ত এলাকায় ৬২টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, যার অধিকাংশে বিদেশি পিস্তল ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, তুরস্ক ও জার্মানিতে তৈরি রিভলভার ও পিস্তলসহ ১১টি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, একটি স্বয়ংক্রিয় .২২ ক্যালিবার একে রাইফেল এবং দুটি এয়ারগান রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পার্বত্য চট্টগ্রামের পর যশোর সীমান্ত দিয়েই দেশে সবচেয়ে বেশি অবৈধ ক্ষুদ্র আগ্নেয়াস্ত্র প্রবেশ করছে। পার্শ্ববর্তী দেশে তৈরি কাটা রাইফেল, বেলঘরিয়া পিস্তল এবং ৯ এমএম পিস্তলের মতো অস্ত্র সহজে বহন ও গোপন করা যায়, ফলে চোরাচালানও সহজ হচ্ছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরেও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। সম্প্রতি সেখানে অভিযান চালিয়ে বিদেশি অস্ত্রসহ সোহেল ওরফে ‘মাওরা সোহেল’ নামে পরিচিত এক শীর্ষ ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। র‍্যাব জানায়, তার বিরুদ্ধে ছিনতাই, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। অভিযানে তার কাছ থেকে একটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
ছবি: সংগ্রহ

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬


অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে, প্রতিদিন গড়ে ১০টির বেশি হত্যাকাণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

পৌনে দুই মাসে উদ্ধার ১৫৩ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, তিন মাসে ৯১৫ হত্যা মামলা

রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, আন্ডারওয়ার্ল্ডের আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে দেশে খুন, টার্গেট কিলিং ও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাজধানীর পর সবচেয়ে বেশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামে।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে সারা দেশে ৯১৫টি হত্যা মামলা হয়েছে। সে হিসাবে প্রতিদিন গড়ে ১০টিরও বেশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে মার্চে ৩১৭টি, এপ্রিলে ২৮৮টি এবং মে মাসে ৩১০টি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। গত বছরের একই তিন মাসে মোট ৯৯৩টি মামলা হয়েছিল, যার মধ্যে ২২৬টি ছিল আগের ঘটনার ধারাবাহিকতায়। ২০২৪ সালের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ৭৯৪।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় গত ১ মে থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। চলমান অভিযানে গতকাল পর্যন্ত ১৫৩টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া জব্দ করা হয়েছে ১ হাজার ৭৮৫ রাউন্ড গুলি ও কার্তুজ, ৫২টি ম্যাগাজিন, ৩২টি হাতবোমা এবং ২ হাজার ২০০ কেজি গানপাউডার।

চলতি বছরের এই তিন মাসে ঢাকা রেঞ্জে সর্বোচ্চ ২০৭টি হত্যা মামলা হয়েছে। এরপর চট্টগ্রামে ১৮৬টি, রাজশাহীতে ১০৬টি এবং খুলনায় ৮৪টি মামলা হয়েছে। মেট্রোপলিটন এলাকাগুলোর মধ্যে ঢাকায় ৫৭টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

গত ১৩ জুন চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার একটি জনাকীর্ণ বাজারে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তিকে অটোরিকশায় এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। এর আগে ৫ জানুয়ারি একই উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নে নিজ বাড়ির সামনে যুবদল নেতা জানে আলম সিকদারকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যমতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে রাউজানে অন্তত ২৫টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, যার মধ্যে ১৮টি রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে। একই সময়ে শতাধিক গোলাগুলি ও সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ ৩৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।

২০২৪ সালের আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানের পর চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানা ও ফাঁড়ি থেকে ৯৪৫টি আগ্নেয়াস্ত্র লুট হয়েছিল। এর মধ্যে প্রায় ৭০০টি অস্ত্র উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৬১৭টি অস্ত্র জমা পড়ে। এখনও প্রায় ১৬৫টি লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার হয়নি।

খুলনায় গত ১৩ জুন এক বিএনপি কর্মী গুলিতে নিহত হন। ১৫ জুন দৌলতপুরে ফজরের নামাজের সময় একটি মসজিদে গুলি চালানোর ঘটনায় দুই মুসল্লি আহত হন। একই দিনে ঢাকার পশ্চিম রামপুরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান ওরফে ‘কাইল্যা পলাশ’ গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর কয়েকজন কুখ্যাত গ্যাং লিডার ও দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী জামিনে মুক্ত হয়ে বা বিদেশ থেকে দেশে ফিরে আসায় সহিংসতা বেড়েছে। গোয়েন্দাদের ধারণা, তারা নিজেদের পূর্বের আধিপত্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে ৬৪টি রাজনৈতিক সহিংসতায় পাঁচজন নিহত ও ২৮৯ জন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১১ জন গুলিবিদ্ধ। এপ্রিলে ৯৮টি ঘটনায় ছয়জন নিহত ও ৫৩৩ জন আহত হন, যার মধ্যে ৩৭ জন গুলিবিদ্ধ। মার্চে ১১৩টি ঘটনায় ১৮ জন নিহত এবং ৯১২ জন আহত হন, যাদের মধ্যে ১৫ জন গুলিবিদ্ধ ছিলেন।

রাউজানে ২৬ এপ্রিল বিএনপি কর্মী নাসির উদ্দিন এবং ২৪ এপ্রিল বিএনপি নেতা কাউসারুজ্জামান নিহত হন। ২ এপ্রিল পাবনার ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। খুলনায় ৫ মার্চ সাবেক রূপসা শ্রমিক দল সভাপতি মাসুম বিল্লাহ এবং ১৪ মার্চ বাগেরহাটে শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ সোহেল নিহত হন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বেশি। গত দেড় বছরে যশোর সীমান্ত এলাকায় ৬২টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, যার অধিকাংশে বিদেশি পিস্তল ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, তুরস্ক ও জার্মানিতে তৈরি রিভলভার ও পিস্তলসহ ১১টি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, একটি স্বয়ংক্রিয় .২২ ক্যালিবার একে রাইফেল এবং দুটি এয়ারগান রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পার্বত্য চট্টগ্রামের পর যশোর সীমান্ত দিয়েই দেশে সবচেয়ে বেশি অবৈধ ক্ষুদ্র আগ্নেয়াস্ত্র প্রবেশ করছে। পার্শ্ববর্তী দেশে তৈরি কাটা রাইফেল, বেলঘরিয়া পিস্তল এবং ৯ এমএম পিস্তলের মতো অস্ত্র সহজে বহন ও গোপন করা যায়, ফলে চোরাচালানও সহজ হচ্ছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরেও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। সম্প্রতি সেখানে অভিযান চালিয়ে বিদেশি অস্ত্রসহ সোহেল ওরফে ‘মাওরা সোহেল’ নামে পরিচিত এক শীর্ষ ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। র‍্যাব জানায়, তার বিরুদ্ধে ছিনতাই, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। অভিযানে তার কাছ থেকে একটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
ছবি: সংগ্রহ


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - সর্বজিৎ চাকমা

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে, প্রতিদিন গড়ে ১০টির বেশি হত্যাকাণ্ড
0:00 0:00
1.0x