ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের দাবি, বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) একদিনেই ৪ হাজার ২৮৮ জন ইসরায়েলি আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন, যা চলতি বছরের অন্যতম বড় অনুপ্রবেশের ঘটনা।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে ইতামার বেন গাভির আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। ‘তিশা বাব’ উপলক্ষে আয়োজিত এ সফরকে কেন্দ্র করে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
জেরুজালেম গভর্নরেটের তথ্য অনুযায়ী, প্রাঙ্গণে প্রবেশের পর ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা তালমুদিক ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করেন। এ সময় তারা গান গাওয়া, মাটিতে লুটিয়ে পড়া এবং প্রার্থনায় অংশ নেন।
ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, প্রাচীন জেরুজালেমে তাদের প্রথম ও দ্বিতীয় পবিত্র মন্দির বর্তমান আল-আকসা প্রাঙ্গণের স্থানেই ছিল। এ কারণেই তারা এলাকাটিকে ‘টেম্পল মাউন্ট’ নামে উল্লেখ করেন এবং ‘তিশা বাব’ উপলক্ষে ওই মন্দির ধ্বংসের স্মরণে বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি পালন করেন।
এদিকে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আল-আকসার বিভিন্ন প্রবেশপথে ইসরায়েলি বাহিনী কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। তাদের দাবি, বহু ফিলিস্তিনি মুসল্লি ও শিক্ষার্থীকে মসজিদে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং কয়েকজনের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে।
আল-জাজিরার এক সাংবাদিক জানিয়েছেন, পুরোনো জেরুজালেমজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বয়স্ক ব্যক্তিদের ছাড়া অধিকাংশ ফিলিস্তিনির আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ সীমিত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে পূর্ব জেরুজালেম, কালান্দিয়া এবং আশপাশের বিভিন্ন তল্লাশিচৌকিতেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
ছবি: দৈনিক ইত্তেফাক

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের দাবি, বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) একদিনেই ৪ হাজার ২৮৮ জন ইসরায়েলি আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন, যা চলতি বছরের অন্যতম বড় অনুপ্রবেশের ঘটনা।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে ইতামার বেন গাভির আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। ‘তিশা বাব’ উপলক্ষে আয়োজিত এ সফরকে কেন্দ্র করে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
জেরুজালেম গভর্নরেটের তথ্য অনুযায়ী, প্রাঙ্গণে প্রবেশের পর ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা তালমুদিক ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করেন। এ সময় তারা গান গাওয়া, মাটিতে লুটিয়ে পড়া এবং প্রার্থনায় অংশ নেন।
ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, প্রাচীন জেরুজালেমে তাদের প্রথম ও দ্বিতীয় পবিত্র মন্দির বর্তমান আল-আকসা প্রাঙ্গণের স্থানেই ছিল। এ কারণেই তারা এলাকাটিকে ‘টেম্পল মাউন্ট’ নামে উল্লেখ করেন এবং ‘তিশা বাব’ উপলক্ষে ওই মন্দির ধ্বংসের স্মরণে বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি পালন করেন।
এদিকে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আল-আকসার বিভিন্ন প্রবেশপথে ইসরায়েলি বাহিনী কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। তাদের দাবি, বহু ফিলিস্তিনি মুসল্লি ও শিক্ষার্থীকে মসজিদে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং কয়েকজনের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে।
আল-জাজিরার এক সাংবাদিক জানিয়েছেন, পুরোনো জেরুজালেমজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বয়স্ক ব্যক্তিদের ছাড়া অধিকাংশ ফিলিস্তিনির আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ সীমিত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে পূর্ব জেরুজালেম, কালান্দিয়া এবং আশপাশের বিভিন্ন তল্লাশিচৌকিতেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
ছবি: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন