ঘটনার সূত্রপাত ‘বোচাসনবাসী অক্ষর পুরুষোত্তম স্বামীনারায়ণ সংস্থা’ (বিএপিএস) নামের একটি ধর্মীয় সংগঠনের প্রায় ১০০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সফরকে কেন্দ্র করে। প্যারিসের উপকণ্ঠে একটি মন্দির উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দলটি ফ্রান্সে অবস্থান করছিল।
আইফেল টাওয়ার পরিচালনাকারী সংস্থা ‘সেটে’ (এসইটিই)-এর কর্মীরা এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেন, প্রতিনিধি দলের উপস্থিতির সময় নারী কর্মীদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পুরুষ কর্মীদের দিয়ে তাদের স্থলাভিষিক্ত করা হয়। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় তাদের চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।
পরিচালনাকারী সংস্থা সেটে স্বীকার করেছে, প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে নারী কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ সীমিত রাখার অনুরোধ মেনে নেওয়া তাদের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।
সেটে-এর সভাপতি অ্যারিয়েল ওয়েইল এএফপিকে বলেন, এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জানান, সংস্থাটি ফরাসি প্রজাতন্ত্রের নারী ও পুরুষের সমতার নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অন্যদিকে বিএপিএস কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে এ ঘটনায় সৃষ্ট পরিস্থিতির জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে। তারা জানায়, সংগঠনটি সার্বজনীন মূল্যবোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার নীতিতে বিশ্বাসী।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ফ্রান্সের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। প্যারিসের মেয়র ইমানুয়েল গ্রেগোয়ার দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। সমতা বিষয়ক মন্ত্রী অরোরে বার্জ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, ফ্রান্সে কোনো ধর্ম বা মতাদর্শ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।
এ ঘটনায় মেরিন লুপেন ও গ্যাব্রিয়েল আতালসহ দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারাও তীব্র সমালোচনা করেছেন।
প্রতিবছর প্রায় ৭০ লাখ দর্শনার্থী আইফেল টাওয়ার পরিদর্শন করেন। জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার থেকে স্থাপনাটি আবার স্বাভাবিক নিয়মে দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
সূত্র: এনডিটিভি

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঘটনার সূত্রপাত ‘বোচাসনবাসী অক্ষর পুরুষোত্তম স্বামীনারায়ণ সংস্থা’ (বিএপিএস) নামের একটি ধর্মীয় সংগঠনের প্রায় ১০০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সফরকে কেন্দ্র করে। প্যারিসের উপকণ্ঠে একটি মন্দির উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দলটি ফ্রান্সে অবস্থান করছিল।
আইফেল টাওয়ার পরিচালনাকারী সংস্থা ‘সেটে’ (এসইটিই)-এর কর্মীরা এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেন, প্রতিনিধি দলের উপস্থিতির সময় নারী কর্মীদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পুরুষ কর্মীদের দিয়ে তাদের স্থলাভিষিক্ত করা হয়। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় তাদের চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।
পরিচালনাকারী সংস্থা সেটে স্বীকার করেছে, প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে নারী কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ সীমিত রাখার অনুরোধ মেনে নেওয়া তাদের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।
সেটে-এর সভাপতি অ্যারিয়েল ওয়েইল এএফপিকে বলেন, এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জানান, সংস্থাটি ফরাসি প্রজাতন্ত্রের নারী ও পুরুষের সমতার নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অন্যদিকে বিএপিএস কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে এ ঘটনায় সৃষ্ট পরিস্থিতির জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে। তারা জানায়, সংগঠনটি সার্বজনীন মূল্যবোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার নীতিতে বিশ্বাসী।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ফ্রান্সের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। প্যারিসের মেয়র ইমানুয়েল গ্রেগোয়ার দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। সমতা বিষয়ক মন্ত্রী অরোরে বার্জ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, ফ্রান্সে কোনো ধর্ম বা মতাদর্শ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।
এ ঘটনায় মেরিন লুপেন ও গ্যাব্রিয়েল আতালসহ দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারাও তীব্র সমালোচনা করেছেন।
প্রতিবছর প্রায় ৭০ লাখ দর্শনার্থী আইফেল টাওয়ার পরিদর্শন করেন। জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার থেকে স্থাপনাটি আবার স্বাভাবিক নিয়মে দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
সূত্র: এনডিটিভি

আপনার মতামত লিখুন