বৈঠকে গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, জাতিসংঘ ও নিরাপত্তা পরিষদসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসরায়েলি হামলা এবং দখলদারদের সহিংসতা থেকে ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষায় দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ২০২৫ সালের শার্ম আল-শেখ শান্তি সম্মেলনে স্বাক্ষরিত গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির সব ধাপ সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ এবং গাজা পুনর্গঠনের কার্যক্রম শুরু করার দাবি জানানো হয়েছে।
ফিলিস্তিনিদের পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারে আরব-ইসলামিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য রাজনৈতিক, আর্থিক ও আইনি সহায়তার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহে কায়রোতে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের প্রতিও সমর্থন জানানো হয়েছে।
অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের জনমিতিক কাঠামো পরিবর্তনের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেছে আরব লীগ। একই সঙ্গে ইসরায়েলের কথিত ‘স্বেচ্ছায় অভিবাসন’ বা বাস্তুচ্যুতির উদ্যোগের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান জানিয়েছে তারা। এ ধরনের পদক্ষেপকে জাতিগত নিধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে সতর্ক করেছে জোটটি।
বৈঠকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর সংঘটিত গণহত্যা, অনাহার, অবরোধ, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
উল্লেখ্য, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৈঠকে গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, জাতিসংঘ ও নিরাপত্তা পরিষদসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসরায়েলি হামলা এবং দখলদারদের সহিংসতা থেকে ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষায় দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ২০২৫ সালের শার্ম আল-শেখ শান্তি সম্মেলনে স্বাক্ষরিত গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির সব ধাপ সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ এবং গাজা পুনর্গঠনের কার্যক্রম শুরু করার দাবি জানানো হয়েছে।
ফিলিস্তিনিদের পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারে আরব-ইসলামিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য রাজনৈতিক, আর্থিক ও আইনি সহায়তার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহে কায়রোতে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের প্রতিও সমর্থন জানানো হয়েছে।
অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের জনমিতিক কাঠামো পরিবর্তনের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেছে আরব লীগ। একই সঙ্গে ইসরায়েলের কথিত ‘স্বেচ্ছায় অভিবাসন’ বা বাস্তুচ্যুতির উদ্যোগের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান জানিয়েছে তারা। এ ধরনের পদক্ষেপকে জাতিগত নিধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে সতর্ক করেছে জোটটি।
বৈঠকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর সংঘটিত গণহত্যা, অনাহার, অবরোধ, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
উল্লেখ্য, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আপনার মতামত লিখুন