বর্তমানে থিয়াগোর বয়স ১৩ বছর। ২০৩০ বিশ্বকাপের সময় তার বয়স হবে ১৮ বছর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে, প্রতিভার বিকাশ ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে ভবিষ্যতে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে থাকতে পারে সে। যদিও বিষয়টি এখনো সম্ভাবনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
থিয়াগো বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামির যুব একাডেমির হয়ে খেলছে। ইতোমধ্যে ক্লাবটির অনূর্ধ্ব-১৪ দলের হয়ে একটি শিরোপাও জিতেছে সে। তার পারফরম্যান্সের দিকে নজর রাখছেন ফুটবলপ্রেমীরা।
জন্মসূত্রে স্পেনের হয়ে খেলার সুযোগ থাকলেও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে থিয়াগো জানিয়েছে, সুযোগ পেলে সে আর্জেন্টিনার জার্সিতেই খেলতে চায়। বাবার মতো জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করাই তার লক্ষ্য।
মেসি পরিবারের ফুটবল ঐতিহ্য শুধু থিয়াগোকে ঘিরেই নয়। তার দুই ছোট ভাই মাতেও ও চিরোও ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। তবে ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তে লিওনেল মেসির সাফল্যের সঙ্গে থিয়াগোর তুলনা করা ঠিক হবে না। বরং তাকে সময় দিয়ে স্বাভাবিকভাবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
২০৩০ বিশ্বকাপ সামনে রেখে তাই আর্জেন্টিনার সমর্থকদের কল্পনায় নতুন এক সম্ভাবনার জন্ম হয়েছে। সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে কি না, সেটি সময়ই বলে দেবে। তবে আপাতত থিয়াগো মেসিকে ঘিরে সমর্থকদের আগ্রহ ও আশাবাদ ক্রমেই বাড়ছে।
সূত্র: আরটিভি
ছবি: আরটিভি

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
বর্তমানে থিয়াগোর বয়স ১৩ বছর। ২০৩০ বিশ্বকাপের সময় তার বয়স হবে ১৮ বছর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে, প্রতিভার বিকাশ ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে ভবিষ্যতে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে থাকতে পারে সে। যদিও বিষয়টি এখনো সম্ভাবনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
থিয়াগো বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামির যুব একাডেমির হয়ে খেলছে। ইতোমধ্যে ক্লাবটির অনূর্ধ্ব-১৪ দলের হয়ে একটি শিরোপাও জিতেছে সে। তার পারফরম্যান্সের দিকে নজর রাখছেন ফুটবলপ্রেমীরা।
জন্মসূত্রে স্পেনের হয়ে খেলার সুযোগ থাকলেও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে থিয়াগো জানিয়েছে, সুযোগ পেলে সে আর্জেন্টিনার জার্সিতেই খেলতে চায়। বাবার মতো জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করাই তার লক্ষ্য।
মেসি পরিবারের ফুটবল ঐতিহ্য শুধু থিয়াগোকে ঘিরেই নয়। তার দুই ছোট ভাই মাতেও ও চিরোও ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। তবে ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তে লিওনেল মেসির সাফল্যের সঙ্গে থিয়াগোর তুলনা করা ঠিক হবে না। বরং তাকে সময় দিয়ে স্বাভাবিকভাবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
২০৩০ বিশ্বকাপ সামনে রেখে তাই আর্জেন্টিনার সমর্থকদের কল্পনায় নতুন এক সম্ভাবনার জন্ম হয়েছে। সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে কি না, সেটি সময়ই বলে দেবে। তবে আপাতত থিয়াগো মেসিকে ঘিরে সমর্থকদের আগ্রহ ও আশাবাদ ক্রমেই বাড়ছে।
সূত্র: আরটিভি
ছবি: আরটিভি

আপনার মতামত লিখুন