ঢাকা    রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

সারাদেশ

আশা-নিরাশার দোলাচলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ ৫ দিনের ব্যবধানে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার বরিশাল সফর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা

আশা-নিরাশার দোলাচলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ ৫ দিনের ব্যবধানে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার বরিশাল সফর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা
আশা-নিরাশার দোলাচলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ ৫ দিনের ব্যবধানে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার বরিশাল সফর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা

মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বরিশাল সফর রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বিষয়টিকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে আশা-নিরাশার মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

গত ১৩ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালের গৌরনদীর বাটাজোরে পুনঃখনন করা একটি খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরে বরিশাল মহানগরের সাগরদী খালের পাড়েও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। সফরের অংশ হিসেবে তিনি দলীয় সাংগঠনিক সভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে দীর্ঘ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে বরিশালসহ সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়। ফরিদপুরের ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে থেকে বরিশাল পর্যন্ত ৯১ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়কের দুই পাশে হাজারো নারী-পুরুষ ও শিশু তাঁকে একনজর দেখতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন। তবে এবারের সফরে মহাসড়কের কোথাও তোরণ নির্মাণ কিংবা তাঁর ছবি সংবলিত ব্যানার দেখা যায়নি।

প্রধানমন্ত্রী লাল বাসের সামনের অংশে দাঁড়িয়ে প্রায় চার ঘণ্টা পথজুড়ে জনতার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। বাটাজোর-শরিকল খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণের পর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। পরে বাবুগঞ্জে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করেন। এরপর সাগরদী খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ করে উপস্থিতদের উদ্দেশেও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। দুই স্থানেই তিনি বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি গাছের পরিচর্যা ও পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

দুপুরের পর স্থানীয় শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে কেবল দলীয় নির্ধারিত নেতা-কর্মীদের নিয়ে একটি সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তিনি রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি দল ও সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সাংগঠনিক সভায় স্থানীয় নেতারা বরিশাল-ফরিদপুর ও বরিশাল-কুয়াকাটা জাতীয় মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ, ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সংযুক্তকরণ, ভাঙ্গা-বরিশাল-পায়রা-কুয়াকাটা রেললাইন নির্মাণ এবং বরিশাল-ভোলা অংশে তেঁতুলিয়া নদীর ওপর সেতু বা টানেল নির্মাণের দাবি উত্থাপন করেন বলে জানা গেছে।

একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নেতা-কর্মীদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে তাঁর আগ্রহের কথা উল্লেখ করে বলেন, তাঁর মরহুম বাবা-মা বরিশালের উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়েছেন, তিনিও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান। একই সঙ্গে তিনি তাৎক্ষণিক ঘোষণা না দিয়ে বাস্তবভিত্তিক কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পর্যায়ক্রমে ন্যায্য দাবিগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন বলেও বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। তবে এসব বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো ঘোষণা না আসায় স্থানীয় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

দায়িত্ব গ্রহণের চার মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রীর এই বরিশাল সফরকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এ সফরে দলীয় নেতা-কর্মীদের জন্য নানা বার্তাও ছিল।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সফরের পাঁচ দিন পর বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বরিশাল মহানগরের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশে বক্তব্য দেন। তাঁর সফরকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। দীর্ঘদিন পর জামায়াত ও ১১ দল বরিশালে বড় পরিসরের একটি সমাবেশ আয়োজন করে।

সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন উন্নয়ন দাবির পক্ষে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, রাজধানী ঢাকা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র জাতীয় মহাসড়কের ভাঙ্গা অংশের পর পুরো সড়কই ভাঙা। তিনি দক্ষিণাঞ্চলে রেললাইন নির্মাণকে মানুষের অধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি খুলনা-বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভোলা অংশে সেতু নির্মাণের দাবিও জানান।

তিনি আরও বলেন, বরিশালকে বঞ্চিত রেখে দেশের সুষম উন্নয়ন সম্ভব নয়। যেখানে বৈষম্য থাকবে, সেখানে তাদের অবস্থান থাকবে বলেও মন্তব্য করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের অধিকার আদায়ে প্রয়োজন হলে আবারও আন্দোলনে নামবেন।

মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার বরিশাল সফর এবং তা ঘিরে জনসাধারণের আগ্রহকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের একদলীয় শাসনের পর দক্ষিণাঞ্চলের মানুষও নতুন প্রত্যাশা নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তাদের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ও কার্যকর বিরোধী দল থাকলে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে তারা মনে করেন, অতীতের তুলনায় বিরোধী দলের আরও সক্রিয় ভূমিকার প্রয়োজন রয়েছে। বরিশালের উন্নয়ন ইস্যুতে বিরোধী দলের প্রকাশ্য অবস্থানকে অনেক সাধারণ মানুষ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং এ অঞ্চলের বঞ্চনার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলছে বলে আশা প্রকাশ করছেন।

সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব
ছবি: দৈনিক ইনকিলাব

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬


আশা-নিরাশার দোলাচলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ ৫ দিনের ব্যবধানে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার বরিশাল সফর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বরিশাল সফর রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বিষয়টিকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে আশা-নিরাশার মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

গত ১৩ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালের গৌরনদীর বাটাজোরে পুনঃখনন করা একটি খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরে বরিশাল মহানগরের সাগরদী খালের পাড়েও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। সফরের অংশ হিসেবে তিনি দলীয় সাংগঠনিক সভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে দীর্ঘ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে বরিশালসহ সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়। ফরিদপুরের ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে থেকে বরিশাল পর্যন্ত ৯১ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়কের দুই পাশে হাজারো নারী-পুরুষ ও শিশু তাঁকে একনজর দেখতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন। তবে এবারের সফরে মহাসড়কের কোথাও তোরণ নির্মাণ কিংবা তাঁর ছবি সংবলিত ব্যানার দেখা যায়নি।

প্রধানমন্ত্রী লাল বাসের সামনের অংশে দাঁড়িয়ে প্রায় চার ঘণ্টা পথজুড়ে জনতার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। বাটাজোর-শরিকল খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণের পর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। পরে বাবুগঞ্জে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করেন। এরপর সাগরদী খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ করে উপস্থিতদের উদ্দেশেও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। দুই স্থানেই তিনি বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি গাছের পরিচর্যা ও পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

দুপুরের পর স্থানীয় শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে কেবল দলীয় নির্ধারিত নেতা-কর্মীদের নিয়ে একটি সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তিনি রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি দল ও সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সাংগঠনিক সভায় স্থানীয় নেতারা বরিশাল-ফরিদপুর ও বরিশাল-কুয়াকাটা জাতীয় মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ, ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সংযুক্তকরণ, ভাঙ্গা-বরিশাল-পায়রা-কুয়াকাটা রেললাইন নির্মাণ এবং বরিশাল-ভোলা অংশে তেঁতুলিয়া নদীর ওপর সেতু বা টানেল নির্মাণের দাবি উত্থাপন করেন বলে জানা গেছে।

একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নেতা-কর্মীদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে তাঁর আগ্রহের কথা উল্লেখ করে বলেন, তাঁর মরহুম বাবা-মা বরিশালের উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়েছেন, তিনিও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান। একই সঙ্গে তিনি তাৎক্ষণিক ঘোষণা না দিয়ে বাস্তবভিত্তিক কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পর্যায়ক্রমে ন্যায্য দাবিগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন বলেও বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। তবে এসব বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো ঘোষণা না আসায় স্থানীয় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

দায়িত্ব গ্রহণের চার মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রীর এই বরিশাল সফরকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এ সফরে দলীয় নেতা-কর্মীদের জন্য নানা বার্তাও ছিল।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সফরের পাঁচ দিন পর বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বরিশাল মহানগরের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশে বক্তব্য দেন। তাঁর সফরকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। দীর্ঘদিন পর জামায়াত ও ১১ দল বরিশালে বড় পরিসরের একটি সমাবেশ আয়োজন করে।

সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন উন্নয়ন দাবির পক্ষে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, রাজধানী ঢাকা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র জাতীয় মহাসড়কের ভাঙ্গা অংশের পর পুরো সড়কই ভাঙা। তিনি দক্ষিণাঞ্চলে রেললাইন নির্মাণকে মানুষের অধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি খুলনা-বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভোলা অংশে সেতু নির্মাণের দাবিও জানান।

তিনি আরও বলেন, বরিশালকে বঞ্চিত রেখে দেশের সুষম উন্নয়ন সম্ভব নয়। যেখানে বৈষম্য থাকবে, সেখানে তাদের অবস্থান থাকবে বলেও মন্তব্য করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের অধিকার আদায়ে প্রয়োজন হলে আবারও আন্দোলনে নামবেন।

মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার বরিশাল সফর এবং তা ঘিরে জনসাধারণের আগ্রহকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের একদলীয় শাসনের পর দক্ষিণাঞ্চলের মানুষও নতুন প্রত্যাশা নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তাদের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ও কার্যকর বিরোধী দল থাকলে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে তারা মনে করেন, অতীতের তুলনায় বিরোধী দলের আরও সক্রিয় ভূমিকার প্রয়োজন রয়েছে। বরিশালের উন্নয়ন ইস্যুতে বিরোধী দলের প্রকাশ্য অবস্থানকে অনেক সাধারণ মানুষ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং এ অঞ্চলের বঞ্চনার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলছে বলে আশা প্রকাশ করছেন।

সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব
ছবি: দৈনিক ইনকিলাব


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - সর্বজিৎ চাকমা

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
আশা-নিরাশার দোলাচলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ ৫ দিনের ব্যবধানে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার বরিশাল সফর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা
0:00 0:00
1.0x