ঢাকা    বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

রাজনীতি

এনসিপি-বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

এনসিপি-বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি
এনসিপি-বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।

বুধবার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়েছে, হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় এনসিপি বিক্ষোভ সমাবেশ ও পদযাত্রার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। একই সময়ে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি, হবিগঞ্জ পৌর বিএনপি এবং জেলা ছাত্রদল শান্তি সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। এতে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা, সংঘর্ষ, জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৪৪ ধারার ক্ষমতাবলে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ, জনসভা, মিছিল, শোভাযাত্রা, অবস্থান কর্মসূচি, পিকেটিং, মাইকিং, স্লোগান এবং উচ্চ শব্দে প্রচারণাসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত হতে পারে—এমন সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের আদেশে আরও বলা হয়েছে, এ নির্দেশনা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এর আগে হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এনসিপির শীর্ষ দুই নেতা সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হন। একই সঙ্গে এনসিপির কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় শহরের থানার মোড় এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলম, এনসিপির ভিডিওগ্রাফার ইউসুফ আহমেদ, মিডিয়া সেলের আরাফাত সানি, গাড়িচালক আসলাম হোসাইন, কনটেন্ট ক্রিয়েটর মোশারফ, ভিডিও এডিটর শাহরিয়ারসহ ১০ জন।

এনসিপির কনটেন্ট ক্রিয়েটর মোশারফ অভিযোগ করেন, জুলাই পদযাত্রা শেষে ফেরার সময় সার্কিট হাউসের ভেতরে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। তার অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও নীরব ভূমিকা পালন করে।

এনসিপির হবিগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান, সমাবেশ শেষে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমকে নিয়ে সার্কিট হাউসের দিকে যাওয়ার সময় থানার মোড় এলাকায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়।

অন্যদিকে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ বলেন, শান্তিপূর্ণ হবিগঞ্জ শহরে কেউ অশালীন বক্তব্য দিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাইলে তার দায়ভার তাকেই নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অপ্রীতিকর ঘটনার খবর তিনি শুনেছেন, তবে এর সঙ্গে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তার দাবি, অশালীন বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ জনতা ধাওয়া দিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে টাউন হলের সামনে বক্তব্য দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলম। বক্তব্যে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বারা বাংলাদেশের পরিবর্তন সম্ভব নয় এবং তিনি সমাজের সবচেয়ে খারাপ লোকদের পার্লামেন্টে নিয়ে গেছেন।

এর আগে জেলার আজমিরীগঞ্জে পদযাত্রাকালে সারজিস আলম বলেন, বিএনপি সরকারের পাঁচ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় ২১৩ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষেই ১১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষমতা, চাঁদাবাজি ও টাকার দ্বন্দ্বে যারা নিজেদের এত মানুষ হত্যা করতে পারে, তাদের কাছে দেশের মানুষ নিরাপদ নয়। তার এই বক্তব্যের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পরে পদযাত্রার টিম হবিগঞ্জ শহরের সার্কিট হাউসের দিকে ফেরার পথে কলাপাতা রেস্টুরেন্টের সামনে হামলার শিকার হয়। ঘটনার পর এনসিপির নেতারা পাশের সোনালী ব্যাংকের একটি শাখায় আশ্রয় নেন। হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের নেতৃত্বে কয়েকশ পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে।

এ সময় ছাত্রদল কর্মীরা ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দিলে জবাবে এনসিপির নেতাকর্মীরা ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট ছোড়ে। পরে পুলিশ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমকে উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেন, হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রা শেষ করে মৌলভীবাজারের উদ্দেশে রওনা হওয়ার সময় জেলা ছাত্রদলের একদল কর্মী হকিস্টিক, রামদা, চেনসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলার সময় পুলিশ ও র‍্যাব ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। হামলাকারীরা মিডিয়া টিমের ক্যামেরাসহ মূল্যবান সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেয় এবং গাড়িচালক ও মিডিয়া টিমের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়।

তার দাবি, সারজিস আলমসহ স্থানীয় নেতাকর্মীদের ওপরও হামলা করা হয়েছে। কারও হাত, কারও পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং অনেকেই রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কে পড়ে ছিলেন। তিনি এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে হামলাকারী, তাদের মদতদাতা এবং দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে জবাবদিহির দাবি জানান।

এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক এবং পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬


এনসিপি-বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।

বুধবার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়েছে, হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় এনসিপি বিক্ষোভ সমাবেশ ও পদযাত্রার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। একই সময়ে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি, হবিগঞ্জ পৌর বিএনপি এবং জেলা ছাত্রদল শান্তি সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। এতে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা, সংঘর্ষ, জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৪৪ ধারার ক্ষমতাবলে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ, জনসভা, মিছিল, শোভাযাত্রা, অবস্থান কর্মসূচি, পিকেটিং, মাইকিং, স্লোগান এবং উচ্চ শব্দে প্রচারণাসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত হতে পারে—এমন সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের আদেশে আরও বলা হয়েছে, এ নির্দেশনা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এর আগে হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এনসিপির শীর্ষ দুই নেতা সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হন। একই সঙ্গে এনসিপির কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় শহরের থানার মোড় এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলম, এনসিপির ভিডিওগ্রাফার ইউসুফ আহমেদ, মিডিয়া সেলের আরাফাত সানি, গাড়িচালক আসলাম হোসাইন, কনটেন্ট ক্রিয়েটর মোশারফ, ভিডিও এডিটর শাহরিয়ারসহ ১০ জন।

এনসিপির কনটেন্ট ক্রিয়েটর মোশারফ অভিযোগ করেন, জুলাই পদযাত্রা শেষে ফেরার সময় সার্কিট হাউসের ভেতরে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। তার অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও নীরব ভূমিকা পালন করে।

এনসিপির হবিগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান, সমাবেশ শেষে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমকে নিয়ে সার্কিট হাউসের দিকে যাওয়ার সময় থানার মোড় এলাকায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়।

অন্যদিকে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ বলেন, শান্তিপূর্ণ হবিগঞ্জ শহরে কেউ অশালীন বক্তব্য দিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাইলে তার দায়ভার তাকেই নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অপ্রীতিকর ঘটনার খবর তিনি শুনেছেন, তবে এর সঙ্গে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তার দাবি, অশালীন বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ জনতা ধাওয়া দিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে টাউন হলের সামনে বক্তব্য দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলম। বক্তব্যে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বারা বাংলাদেশের পরিবর্তন সম্ভব নয় এবং তিনি সমাজের সবচেয়ে খারাপ লোকদের পার্লামেন্টে নিয়ে গেছেন।

এর আগে জেলার আজমিরীগঞ্জে পদযাত্রাকালে সারজিস আলম বলেন, বিএনপি সরকারের পাঁচ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় ২১৩ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষেই ১১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষমতা, চাঁদাবাজি ও টাকার দ্বন্দ্বে যারা নিজেদের এত মানুষ হত্যা করতে পারে, তাদের কাছে দেশের মানুষ নিরাপদ নয়। তার এই বক্তব্যের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পরে পদযাত্রার টিম হবিগঞ্জ শহরের সার্কিট হাউসের দিকে ফেরার পথে কলাপাতা রেস্টুরেন্টের সামনে হামলার শিকার হয়। ঘটনার পর এনসিপির নেতারা পাশের সোনালী ব্যাংকের একটি শাখায় আশ্রয় নেন। হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের নেতৃত্বে কয়েকশ পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে।

এ সময় ছাত্রদল কর্মীরা ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দিলে জবাবে এনসিপির নেতাকর্মীরা ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট ছোড়ে। পরে পুলিশ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমকে উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেন, হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রা শেষ করে মৌলভীবাজারের উদ্দেশে রওনা হওয়ার সময় জেলা ছাত্রদলের একদল কর্মী হকিস্টিক, রামদা, চেনসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলার সময় পুলিশ ও র‍্যাব ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। হামলাকারীরা মিডিয়া টিমের ক্যামেরাসহ মূল্যবান সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেয় এবং গাড়িচালক ও মিডিয়া টিমের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়।

তার দাবি, সারজিস আলমসহ স্থানীয় নেতাকর্মীদের ওপরও হামলা করা হয়েছে। কারও হাত, কারও পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং অনেকেই রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কে পড়ে ছিলেন। তিনি এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে হামলাকারী, তাদের মদতদাতা এবং দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে জবাবদিহির দাবি জানান।

এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক এবং পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: আমার দেশ


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - সর্বজিৎ চাকমা

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
এনসিপি-বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি
0:00 0:00
1.0x