ঢাকা    বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

রাজনীতি

শেখ হাসিনা সরকারের নির্যাতনের দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান এইচআরডব্লিউর

শেখ হাসিনা সরকারের নির্যাতনের দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান এইচআরডব্লিউর
শেখ হাসিনা সরকারের নির্যাতনের দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান এইচআরডব্লিউর

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এ চলমান বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটির মতে, তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমে বিদ্যমান বিভিন্ন ঘাটতি ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এইচআরডব্লিউ জানায়, আন্তর্জাতিক আইনের স্বীকৃত মানদণ্ড অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালে ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। একই সঙ্গে আইনের শাসন দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে বিচারিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঝুঁকি এবং অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তির আশঙ্কাও রয়েছে।

সংস্থাটি উল্লেখ করে, গত ২৭ জুলাই ট্রাইব্যুনালে ৪১ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। এসব মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সংঘটিত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে রাজনীতিক, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন ব্যক্তির বিচার চলছে। এইচআরডব্লিউর ভাষ্য অনুযায়ী, ১৫ বছরের বেশি সময়ের কর্তৃত্ববাদী শাসনের পর ২০২৪ সালের আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।

এইচআরডব্লিউর এশিয়া অঞ্চলের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সংঘটিত নির্যাতনের ঘটনায় দায়ীদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তবে অনেক মামলায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ন্যায্য বিচার নিশ্চিত হচ্ছে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় জরুরি সংস্কার প্রয়োজন। দুর্বল তদন্ত বা ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সুযোগ যাতে সৃষ্টি না হয়, তা নিশ্চিত করা নতুন সরকারের দায়িত্ব।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে হওয়া আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের ঘটনাসংক্রান্ত মামলাগুলোর বিচার বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে চলছে। ওই ঘটনায় ৮০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং হাজারো মানুষ আহত হন। পরবর্তীতে আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এছাড়া শেখ হাসিনার শাসনামলে সংঘটিত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুমসহ অন্যান্য অভিযোগের বিচারও চলমান রয়েছে।

এইচআরডব্লিউ জানায়, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় গুরুতর অপরাধের বিচার করতে গঠিত এই ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে চলমান এক ডজনের বেশি মামলার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে তারা বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর উদ্বেগের কারণ খুঁজে পেয়েছে।

সংস্থাটির দাবি, একাধিক মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাদের নেওয়া সাক্ষ্যবিবৃতিতে একই ধরনের অনুচ্ছেদ একাধিক সাক্ষ্যে হুবহু বা প্রায় একইভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা সাক্ষ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন সৃষ্টি করে।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ট্রাইব্যুনাল ছয়টি মামলার বিচার সম্পন্ন করেছে। এসব মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধে ৬২ জন দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪২ জনের বিচার হয়েছে তাদের অনুপস্থিতিতে। এই তালিকায় শেখ হাসিনার নামও রয়েছে। এছাড়া ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০১০ সালের মার্চে শেখ হাসিনা সরকার ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগীদের বিচারের জন্য এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। সে সময় ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলেও পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাব, রাজনৈতিক পক্ষপাত, প্রসিকিউটর ও বিচারকদের মধ্যে যোগসাজশ এবং ন্যায্য বিচারপ্রক্রিয়ার ঘাটতির অভিযোগে ট্রাইব্যুনাল ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে।

এইচআরডব্লিউ জানায়, ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ট্রাইব্যুনাল-সংক্রান্ত আইন আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে সংশোধন আনে। তবে তাদের মতে, এসব পরিবর্তন আন্তর্জাতিক আদালতের সমমানের বিচার নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট নয়।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার এরপর এ বিষয়ে নতুন কোনো সংশোধনী আনেনি।

সংস্থাটির দাবি, বর্তমান আইনে প্রসিকিউটররা পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়াই গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিতে পারেন। আটক ব্যক্তিদের লিখিত কারণ ছাড়াই দীর্ঘ সময় আটক রাখা সম্ভব এবং আলাদা আদালতে অন্তর্বর্তী আপিলের সুযোগও নেই।

এছাড়া অভিযুক্তদের প্রমাণ উপস্থাপনের মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে বিচার শুরু হতে পারে, ফলে আত্মপক্ষ সমর্থনের প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায় না। অনুপস্থিতিতে বিচার হলেও নিজের আইনজীবী বেছে নেওয়ার সুযোগসহ প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয় না। একই সঙ্গে আইনজীবীদের সাক্ষীদের জেরা করার সুযোগও সীমিত বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

উদাহরণ হিসেবে ডা. মুহাম্মদ হাসান মাহমুদ চৌধুরীসহ অন্যান্যদের মামলার কথা উল্লেখ করে এইচআরডব্লিউ জানায়, ২০২৪ সালের ১৬ ও ১৮ জুলাই এবং ৪ আগস্ট চট্টগ্রাম শহরের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২২ জন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগপক্ষের প্রকাশ করা ৫৫টি সাক্ষ্যবিবৃতির মধ্যে একটি ছয় লাইনের অনুচ্ছেদ প্রায় হুবহু ১৪টি পৃথক সাক্ষ্যে পাওয়া গেছে বলেও দাবি করেছে সংস্থাটি। ওই অনুচ্ছেদে সাতজন রাজনীতিকের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা, অর্থায়ন, উসকানি ও নির্দেশনার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের দিয়ে ছয়জনকে হত্যার অভিযোগের বর্ণনা রয়েছে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬


শেখ হাসিনা সরকারের নির্যাতনের দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান এইচআরডব্লিউর

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এ চলমান বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটির মতে, তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমে বিদ্যমান বিভিন্ন ঘাটতি ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এইচআরডব্লিউ জানায়, আন্তর্জাতিক আইনের স্বীকৃত মানদণ্ড অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালে ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। একই সঙ্গে আইনের শাসন দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে বিচারিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঝুঁকি এবং অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তির আশঙ্কাও রয়েছে।

সংস্থাটি উল্লেখ করে, গত ২৭ জুলাই ট্রাইব্যুনালে ৪১ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। এসব মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সংঘটিত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে রাজনীতিক, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন ব্যক্তির বিচার চলছে। এইচআরডব্লিউর ভাষ্য অনুযায়ী, ১৫ বছরের বেশি সময়ের কর্তৃত্ববাদী শাসনের পর ২০২৪ সালের আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।

এইচআরডব্লিউর এশিয়া অঞ্চলের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সংঘটিত নির্যাতনের ঘটনায় দায়ীদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তবে অনেক মামলায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ন্যায্য বিচার নিশ্চিত হচ্ছে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় জরুরি সংস্কার প্রয়োজন। দুর্বল তদন্ত বা ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সুযোগ যাতে সৃষ্টি না হয়, তা নিশ্চিত করা নতুন সরকারের দায়িত্ব।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে হওয়া আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের ঘটনাসংক্রান্ত মামলাগুলোর বিচার বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে চলছে। ওই ঘটনায় ৮০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং হাজারো মানুষ আহত হন। পরবর্তীতে আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এছাড়া শেখ হাসিনার শাসনামলে সংঘটিত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুমসহ অন্যান্য অভিযোগের বিচারও চলমান রয়েছে।

এইচআরডব্লিউ জানায়, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় গুরুতর অপরাধের বিচার করতে গঠিত এই ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে চলমান এক ডজনের বেশি মামলার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে তারা বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর উদ্বেগের কারণ খুঁজে পেয়েছে।

সংস্থাটির দাবি, একাধিক মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাদের নেওয়া সাক্ষ্যবিবৃতিতে একই ধরনের অনুচ্ছেদ একাধিক সাক্ষ্যে হুবহু বা প্রায় একইভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা সাক্ষ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন সৃষ্টি করে।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ট্রাইব্যুনাল ছয়টি মামলার বিচার সম্পন্ন করেছে। এসব মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধে ৬২ জন দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪২ জনের বিচার হয়েছে তাদের অনুপস্থিতিতে। এই তালিকায় শেখ হাসিনার নামও রয়েছে। এছাড়া ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০১০ সালের মার্চে শেখ হাসিনা সরকার ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগীদের বিচারের জন্য এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। সে সময় ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলেও পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাব, রাজনৈতিক পক্ষপাত, প্রসিকিউটর ও বিচারকদের মধ্যে যোগসাজশ এবং ন্যায্য বিচারপ্রক্রিয়ার ঘাটতির অভিযোগে ট্রাইব্যুনাল ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে।

এইচআরডব্লিউ জানায়, ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ট্রাইব্যুনাল-সংক্রান্ত আইন আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে সংশোধন আনে। তবে তাদের মতে, এসব পরিবর্তন আন্তর্জাতিক আদালতের সমমানের বিচার নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট নয়।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার এরপর এ বিষয়ে নতুন কোনো সংশোধনী আনেনি।

সংস্থাটির দাবি, বর্তমান আইনে প্রসিকিউটররা পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়াই গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিতে পারেন। আটক ব্যক্তিদের লিখিত কারণ ছাড়াই দীর্ঘ সময় আটক রাখা সম্ভব এবং আলাদা আদালতে অন্তর্বর্তী আপিলের সুযোগও নেই।

এছাড়া অভিযুক্তদের প্রমাণ উপস্থাপনের মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে বিচার শুরু হতে পারে, ফলে আত্মপক্ষ সমর্থনের প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায় না। অনুপস্থিতিতে বিচার হলেও নিজের আইনজীবী বেছে নেওয়ার সুযোগসহ প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয় না। একই সঙ্গে আইনজীবীদের সাক্ষীদের জেরা করার সুযোগও সীমিত বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

উদাহরণ হিসেবে ডা. মুহাম্মদ হাসান মাহমুদ চৌধুরীসহ অন্যান্যদের মামলার কথা উল্লেখ করে এইচআরডব্লিউ জানায়, ২০২৪ সালের ১৬ ও ১৮ জুলাই এবং ৪ আগস্ট চট্টগ্রাম শহরের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২২ জন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগপক্ষের প্রকাশ করা ৫৫টি সাক্ষ্যবিবৃতির মধ্যে একটি ছয় লাইনের অনুচ্ছেদ প্রায় হুবহু ১৪টি পৃথক সাক্ষ্যে পাওয়া গেছে বলেও দাবি করেছে সংস্থাটি। ওই অনুচ্ছেদে সাতজন রাজনীতিকের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা, অর্থায়ন, উসকানি ও নির্দেশনার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের দিয়ে ছয়জনকে হত্যার অভিযোগের বর্ণনা রয়েছে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - সর্বজিৎ চাকমা

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
শেখ হাসিনা সরকারের নির্যাতনের দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান এইচআরডব্লিউর
0:00 0:00
1.0x