জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৯ জুলাই বরগুনা সদর উপজেলার ৪ নম্বর কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের আদাবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চালায় বরগুনা থানার একটি চৌকস দল। অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে মোসা. খাদিজা (৪০) ও মোসা. মরিয়ম (৩৫) নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। অপর দুইজন অভিযানের সময় পালিয়ে যায়। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অভিযানে উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে রয়েছে নগদ ৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা, মোট ৬ ভরি ১১ আনা ৫ রতি ওজনের বিভিন্ন ধরনের স্বর্ণালংকার, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ লাখ ১১ হাজার টাকা। এছাড়া একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৭০ হাজার টাকা।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকারের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কানের দুল, পাশা, কানের রিং, ঝুমকা, গলার নেকলেস, গলার চেইন এবং একাধিক স্বর্ণের আংটি। উদ্ধারকৃত সব আলামত আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জব্দ করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও চোরাই মালামাল উদ্ধারে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় বরগুনা থানায় পেনাল কোড ১৮৬০-এর ৩৭৯/৪১৩/৪১৪ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
থানার রেকর্ড ও সিডিএমএস পর্যালোচনায় পুলিশ জানতে পেরেছে, পলাতক আসামি ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে পূর্বে ঢাকা মহানগরের মিরপুর মডেল থানায় চুরির মামলা এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মাদক ও প্রতারণাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
এ বিষয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার বলেন, জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং চুরি, ডাকাতিসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলবে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা অপরাধসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য নিকটস্থ থানা বা জেলা পুলিশকে জানিয়ে সহযোগিতা করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৯ জুলাই বরগুনা সদর উপজেলার ৪ নম্বর কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের আদাবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চালায় বরগুনা থানার একটি চৌকস দল। অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে মোসা. খাদিজা (৪০) ও মোসা. মরিয়ম (৩৫) নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। অপর দুইজন অভিযানের সময় পালিয়ে যায়। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অভিযানে উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে রয়েছে নগদ ৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা, মোট ৬ ভরি ১১ আনা ৫ রতি ওজনের বিভিন্ন ধরনের স্বর্ণালংকার, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ লাখ ১১ হাজার টাকা। এছাড়া একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৭০ হাজার টাকা।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকারের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কানের দুল, পাশা, কানের রিং, ঝুমকা, গলার নেকলেস, গলার চেইন এবং একাধিক স্বর্ণের আংটি। উদ্ধারকৃত সব আলামত আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জব্দ করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও চোরাই মালামাল উদ্ধারে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় বরগুনা থানায় পেনাল কোড ১৮৬০-এর ৩৭৯/৪১৩/৪১৪ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
থানার রেকর্ড ও সিডিএমএস পর্যালোচনায় পুলিশ জানতে পেরেছে, পলাতক আসামি ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে পূর্বে ঢাকা মহানগরের মিরপুর মডেল থানায় চুরির মামলা এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মাদক ও প্রতারণাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
এ বিষয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার বলেন, জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং চুরি, ডাকাতিসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলবে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা অপরাধসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য নিকটস্থ থানা বা জেলা পুলিশকে জানিয়ে সহযোগিতা করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন