ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

জন দুর্ভোগ

পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ গেলেই বাড়ে রোগীদের ভোগান্তি, গরমে অতিষ্ঠ চিকিৎসাধীন মানুষ।

পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ গেলেই বাড়ে রোগীদের ভোগান্তি, গরমে অতিষ্ঠ চিকিৎসাধীন মানুষ।
পোরশl উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ গেলেই বাড়ে রোগীদের ভোগান্তি গরমে অতিষ্ঠচিকিৎসাধীন মানুষ।

 নওগাঁর পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কয়েক দফায় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি থাকা সাধারণ মানুষ গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নবজাতক, প্রসূতি মা এবং বৃদ্ধ রোগীরা। হাসপাতালে বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য কোনো জেনারেটর ব্যবস্থা না থাকায় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সাথে সাথেই পুরো হাসপাতাল জুড়ে তীব্র গরম এবং রাত্রে অন্ধকার ও শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশের সৃষ্টি হচ্ছে।

সরেজমিনে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, তীব্র গরমে রোগীরা বিছানায় ছটফট করছেন এবং বিদ্যুৎ না থাকায় রোগীদের স্বজনেরা নিজ উদ্যোগে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করছেন। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মানুষ রোগমুক্ত হতে হাসপাতালে আসে, কিন্তু এই হাসপাতালের গরমের চোটে সুস্থ মানুষও অসুস্থ হয়ে যাওয়ার জোগাড়। এখানে কোনো জেনারেটরও নাই যে ফ্যান চলবে, বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় রোগীরা চরম অশান্তিতে ভুগছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের এক নার্স জানান, হুটহাট বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কারণে মোমবাতি বা মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে জরুরি চিকিৎসা সেবা দিতে তাদের হিমশিম খেতে হয়।

ভোগান্তির সত্যতা স্বীকার করে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (UH&FPO) বলেন, বিদ্যুৎ চলে গেলে রোগীদের যে চরম কষ্ট হয়, তা আমরা প্রতিনিয়ত দেখছি। হাসপাতালে কোনো বিকল্প জেনারেটর ব্যবস্থা না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। এই স্থায়ী ভোগান্তি দূর করতে আমরা বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে একটি 'বিশেষ ডেডিকেটেড লাইন' (Special Line) চালুর জোর দাবি জানাচ্ছি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বড় কোনো কারিগরি ত্রুটি ছাড়া, অন্য সব এলাকায় লোডশেডিং হলেও যেন এই বিশেষ লাইনের মাধ্যমে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল থাকে। আমরা দ্রুতই লিখিতভাবে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও বিদ্যুৎ অফিসকে জানাব।

এদিকে পোরশাবাসীর দাবি, পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এই বিদ্যুৎ সমস্যার দ্রুত সমাধান করে গ্রামীণ ও প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।


আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ গেলেই বাড়ে রোগীদের ভোগান্তি, গরমে অতিষ্ঠ চিকিৎসাধীন মানুষ।

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

 নওগাঁর পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কয়েক দফায় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি থাকা সাধারণ মানুষ গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নবজাতক, প্রসূতি মা এবং বৃদ্ধ রোগীরা। হাসপাতালে বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য কোনো জেনারেটর ব্যবস্থা না থাকায় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সাথে সাথেই পুরো হাসপাতাল জুড়ে তীব্র গরম এবং রাত্রে অন্ধকার ও শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশের সৃষ্টি হচ্ছে।

সরেজমিনে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, তীব্র গরমে রোগীরা বিছানায় ছটফট করছেন এবং বিদ্যুৎ না থাকায় রোগীদের স্বজনেরা নিজ উদ্যোগে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করছেন। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মানুষ রোগমুক্ত হতে হাসপাতালে আসে, কিন্তু এই হাসপাতালের গরমের চোটে সুস্থ মানুষও অসুস্থ হয়ে যাওয়ার জোগাড়। এখানে কোনো জেনারেটরও নাই যে ফ্যান চলবে, বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় রোগীরা চরম অশান্তিতে ভুগছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের এক নার্স জানান, হুটহাট বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কারণে মোমবাতি বা মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে জরুরি চিকিৎসা সেবা দিতে তাদের হিমশিম খেতে হয়।

ভোগান্তির সত্যতা স্বীকার করে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (UH&FPO) বলেন, বিদ্যুৎ চলে গেলে রোগীদের যে চরম কষ্ট হয়, তা আমরা প্রতিনিয়ত দেখছি। হাসপাতালে কোনো বিকল্প জেনারেটর ব্যবস্থা না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। এই স্থায়ী ভোগান্তি দূর করতে আমরা বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে একটি 'বিশেষ ডেডিকেটেড লাইন' (Special Line) চালুর জোর দাবি জানাচ্ছি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বড় কোনো কারিগরি ত্রুটি ছাড়া, অন্য সব এলাকায় লোডশেডিং হলেও যেন এই বিশেষ লাইনের মাধ্যমে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল থাকে। আমরা দ্রুতই লিখিতভাবে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও বিদ্যুৎ অফিসকে জানাব।

এদিকে পোরশাবাসীর দাবি, পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এই বিদ্যুৎ সমস্যার দ্রুত সমাধান করে গ্রামীণ ও প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।



ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ গেলেই বাড়ে রোগীদের ভোগান্তি, গরমে অতিষ্ঠ চিকিৎসাধীন মানুষ।
0:00 0:00
1.0x