চুয়াডাঙ্গার দর্শনা হল্ট স্টেশনে এক ট্রেনসংক্রান্ত ঘটনায় নিলুফা বেগম (২৪) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা তিন বছর বয়সী কন্যাশিশু অলৌকিকভাবে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হয়। শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে দর্শনা হল্ট স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিলুফা বেগমকে তিন বছর বয়সী কন্যাশিশুকে নিয়ে দর্শনা হল্ট স্টেশন এলাকায় অবস্থান করতে দেখা যায়। পরে রাত ১টার দিকে খুলনা থেকে সৈয়দপুরগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস স্টেশনে পৌঁছালে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্টেশনটিতে ট্রেনটির নির্ধারিত যাত্রাবিরতি থাকায় ট্রেনের গতি তুলনামূলক কম ছিল। এতে নিলুফা বেগম গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে এবং শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে নিলুফা বেগম মারা যান। শিশুটি অক্ষত অবস্থায় বেঁচে যায়।
পুলিশ জানায়, নিহতের মোবাইল ফোনের তথ্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দর্শনা থানার ডিহিকৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং নজরুল ইসলামের স্ত্রী।
নিহতের স্বামী নজরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার বিকেলে নিলুফা বেগম বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হন। তাদের মধ্যে কোনো পারিবারিক বিরোধ বা ঝগড়া-বিবাদ ছিল না বলে তিনি দাবি করেন।
দর্শনা হল্ট স্টেশন রেলওয়ে পুলিশের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিন বছর বয়সী কন্যাশিশু জামিলা খাতুনকে সুস্থ অবস্থায় তার বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা হল্ট স্টেশনে এক ট্রেনসংক্রান্ত ঘটনায় নিলুফা বেগম (২৪) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা তিন বছর বয়সী কন্যাশিশু অলৌকিকভাবে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হয়। শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে দর্শনা হল্ট স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিলুফা বেগমকে তিন বছর বয়সী কন্যাশিশুকে নিয়ে দর্শনা হল্ট স্টেশন এলাকায় অবস্থান করতে দেখা যায়। পরে রাত ১টার দিকে খুলনা থেকে সৈয়দপুরগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস স্টেশনে পৌঁছালে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্টেশনটিতে ট্রেনটির নির্ধারিত যাত্রাবিরতি থাকায় ট্রেনের গতি তুলনামূলক কম ছিল। এতে নিলুফা বেগম গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে এবং শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে নিলুফা বেগম মারা যান। শিশুটি অক্ষত অবস্থায় বেঁচে যায়।
পুলিশ জানায়, নিহতের মোবাইল ফোনের তথ্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দর্শনা থানার ডিহিকৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং নজরুল ইসলামের স্ত্রী।
নিহতের স্বামী নজরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার বিকেলে নিলুফা বেগম বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হন। তাদের মধ্যে কোনো পারিবারিক বিরোধ বা ঝগড়া-বিবাদ ছিল না বলে তিনি দাবি করেন।
দর্শনা হল্ট স্টেশন রেলওয়ে পুলিশের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিন বছর বয়সী কন্যাশিশু জামিলা খাতুনকে সুস্থ অবস্থায় তার বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন