ভরা মৌসুমেও নদী ও সাগরে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা না মেলায় চরম হতাশা ও আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন ভোলার মনপুরা উপজেলার জেলেরা। ইলিশের আশায় প্রতিদিন নদীতে জাল ফেলেও আশানুরূপ মাছ না পাওয়ায় কমে গেছে তাদের আয়-রোজগার। এতে সংসারের খরচ চালানোর পাশাপাশি এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন অধিকাংশ জেলে।
জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বছরের এই সময়ে ইলিশের প্রাচুর্য থাকার কথা থাকলেও এবার নদীতে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ছে না। মাছ ধরতে গিয়ে নৌকা, জ্বালানি, বরফ ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে যে ব্যয় হচ্ছে, অনেক সময় সেই টাকাও উঠছে না। ফলে প্রতিদিন নদীতে গিয়েও খালি হাতে বা সামান্য মাছ নিয়ে তীরে ফিরতে হচ্ছে অনেক জেলেকে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, মাছ ধরার নৌকা, জাল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনাসহ সংসারের বিভিন্ন প্রয়োজনে তাদের অনেকেই এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছেন। কিন্তু মাছের সংকটের কারণে আয় কমে যাওয়ায় নিয়মিত ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। একদিকে সংসারের খরচ, অন্যদিকে ঋণের কিস্তির চাপ—সব মিলিয়ে চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন তারা।
জেলেদের দাবি, নদীতে ইলিশের সংকটের কারণে তাদের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে। তাই সংকটকালীন সময়ে সরকারিভাবে খাদ্য সহায়তা, আর্থিক প্রণোদনা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার পাশাপাশি এনজিও ঋণের কিস্তি পরিশোধে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
জেলেরা আরও বলেন, নদীতে পর্যাপ্ত ইলিশ পাওয়া গেলে তাদের সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারি সহায়তা ছাড়া এই দুর্দশা কাটিয়ে ওঠা কঠিন। তাই দ্রুত জেলেদের পাশে দাঁড়াতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় জেলে ও সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, জেলেদের বর্তমান সংকট বিবেচনায় নিয়ে সরকার দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেবে এবং তাদের জীবন-জীবিকা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
ভরা মৌসুমেও নদী ও সাগরে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা না মেলায় চরম হতাশা ও আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন ভোলার মনপুরা উপজেলার জেলেরা। ইলিশের আশায় প্রতিদিন নদীতে জাল ফেলেও আশানুরূপ মাছ না পাওয়ায় কমে গেছে তাদের আয়-রোজগার। এতে সংসারের খরচ চালানোর পাশাপাশি এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন অধিকাংশ জেলে।
জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বছরের এই সময়ে ইলিশের প্রাচুর্য থাকার কথা থাকলেও এবার নদীতে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ছে না। মাছ ধরতে গিয়ে নৌকা, জ্বালানি, বরফ ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে যে ব্যয় হচ্ছে, অনেক সময় সেই টাকাও উঠছে না। ফলে প্রতিদিন নদীতে গিয়েও খালি হাতে বা সামান্য মাছ নিয়ে তীরে ফিরতে হচ্ছে অনেক জেলেকে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, মাছ ধরার নৌকা, জাল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনাসহ সংসারের বিভিন্ন প্রয়োজনে তাদের অনেকেই এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছেন। কিন্তু মাছের সংকটের কারণে আয় কমে যাওয়ায় নিয়মিত ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। একদিকে সংসারের খরচ, অন্যদিকে ঋণের কিস্তির চাপ—সব মিলিয়ে চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন তারা।
জেলেদের দাবি, নদীতে ইলিশের সংকটের কারণে তাদের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে। তাই সংকটকালীন সময়ে সরকারিভাবে খাদ্য সহায়তা, আর্থিক প্রণোদনা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার পাশাপাশি এনজিও ঋণের কিস্তি পরিশোধে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
জেলেরা আরও বলেন, নদীতে পর্যাপ্ত ইলিশ পাওয়া গেলে তাদের সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারি সহায়তা ছাড়া এই দুর্দশা কাটিয়ে ওঠা কঠিন। তাই দ্রুত জেলেদের পাশে দাঁড়াতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় জেলে ও সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, জেলেদের বর্তমান সংকট বিবেচনায় নিয়ে সরকার দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেবে এবং তাদের জীবন-জীবিকা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।

আপনার মতামত লিখুন