দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রাজধানীর আফতাবনগর ও বনশ্রী এলাকার বাসিন্দাদের জন্য বহুল প্রত্যাশিত আফতাবনগর সেতু নির্মাণকাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। সেতুটির নির্মাণ সম্পন্ন হলে দুই এলাকার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াত সহজ করার পাশাপাশি যানজট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের মতে, এতদিন আফতাবনগর ও বনশ্রীর মধ্যে চলাচলের জন্য বিকল্প দীর্ঘ পথ ব্যবহার করতে হতো। নতুন সেতু চালু হলে যাতায়াতের সময় ও খরচ কমবে এবং শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ প্রতিদিনের যাত্রীদের ভোগান্তি অনেকাংশে লাঘব হবে।
এছাড়া সেতুটি চালু হলে আশপাশের আবাসিক এলাকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সঙ্গে সংযোগ আরও উন্নত হবে। এর ফলে এলাকায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও নগর উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সেতুর অবশিষ্ট কাজ শেষ করে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, সেতুটি চালু হলে রাজধানীর এই অংশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রাজধানীর আফতাবনগর ও বনশ্রী এলাকার বাসিন্দাদের জন্য বহুল প্রত্যাশিত আফতাবনগর সেতু নির্মাণকাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। সেতুটির নির্মাণ সম্পন্ন হলে দুই এলাকার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াত সহজ করার পাশাপাশি যানজট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের মতে, এতদিন আফতাবনগর ও বনশ্রীর মধ্যে চলাচলের জন্য বিকল্প দীর্ঘ পথ ব্যবহার করতে হতো। নতুন সেতু চালু হলে যাতায়াতের সময় ও খরচ কমবে এবং শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ প্রতিদিনের যাত্রীদের ভোগান্তি অনেকাংশে লাঘব হবে।
এছাড়া সেতুটি চালু হলে আশপাশের আবাসিক এলাকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সঙ্গে সংযোগ আরও উন্নত হবে। এর ফলে এলাকায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও নগর উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সেতুর অবশিষ্ট কাজ শেষ করে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, সেতুটি চালু হলে রাজধানীর এই অংশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন