ইরানের বন্দরগুলোকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ অবরোধের সমালোচনা করেছেন দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা মোহসেন রেজাই।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা সাইয়েদ মুজতবা খামেনির সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই সতর্ক করে বলেছেন, এই অবরোধ অব্যাহত থাকলে মার্কিন জাহাজ ও সামরিক বাহিনী বড় ধরনের ঝুঁকি এবং হতাহতের মুখোমুখি হতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘অবরোধ চলতে থাকলে মার্কিন জাহাজ ও বাহিনী গুরুতর ঝুঁকি এবং ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে হবে। অন্যথায় আমরা এটি মেনে নেব না। হরমুজ প্রণালিতে দ্বিতীয় কোনো পথ খোলার অনুমতি আমরা কখনোই দেব না।’
গত জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ পুনরায় কার্যকর করে। এর আগে জুনে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারক হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মতবিরোধের কারণে ভেঙে যায়।
এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ওই এলাকায় অন্তত ৪৪টি জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে। পাশাপাশি দুটি জাহাজ অকার্যকর করা হয়েছে এবং আরও দুটি জাহাজে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের বড় একটি অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এ অঞ্চলে যেকোনো সামরিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: আমার দেশ

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
ইরানের বন্দরগুলোকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ অবরোধের সমালোচনা করেছেন দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা মোহসেন রেজাই।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা সাইয়েদ মুজতবা খামেনির সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই সতর্ক করে বলেছেন, এই অবরোধ অব্যাহত থাকলে মার্কিন জাহাজ ও সামরিক বাহিনী বড় ধরনের ঝুঁকি এবং হতাহতের মুখোমুখি হতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘অবরোধ চলতে থাকলে মার্কিন জাহাজ ও বাহিনী গুরুতর ঝুঁকি এবং ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে হবে। অন্যথায় আমরা এটি মেনে নেব না। হরমুজ প্রণালিতে দ্বিতীয় কোনো পথ খোলার অনুমতি আমরা কখনোই দেব না।’
গত জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ পুনরায় কার্যকর করে। এর আগে জুনে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারক হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মতবিরোধের কারণে ভেঙে যায়।
এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ওই এলাকায় অন্তত ৪৪টি জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে। পাশাপাশি দুটি জাহাজ অকার্যকর করা হয়েছে এবং আরও দুটি জাহাজে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের বড় একটি অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এ অঞ্চলে যেকোনো সামরিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন