জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে গণতান্ত্রিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিবৃতিতে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে গণমানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি উল্লেখ করেন, এই আন্দোলন জাতিকে শিখিয়েছে যে সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে শক্তিশালী পরিবর্তন সম্ভব।
বিবৃতিতে প্রফেসর ইউনূস জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং আহত, দৃষ্টিশক্তি হারানো ও স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলন ছিল সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা একটি গণআন্দোলন। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংবাদিক, আলোকচিত্রী, চিকিৎসক, শ্রমজীবী মানুষ, পেশাজীবী, শিল্পী, সাহিত্যিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদান তিনি বিবৃতিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।
নারীদের সাহসী অংশগ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে প্রফেসর ইউনূস বলেন, তাদের আত্মত্যাগ ও নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
বিবৃতির শেষাংশে তিনি বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থেকে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে গণতান্ত্রিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিবৃতিতে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে গণমানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি উল্লেখ করেন, এই আন্দোলন জাতিকে শিখিয়েছে যে সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে শক্তিশালী পরিবর্তন সম্ভব।
বিবৃতিতে প্রফেসর ইউনূস জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং আহত, দৃষ্টিশক্তি হারানো ও স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলন ছিল সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা একটি গণআন্দোলন। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংবাদিক, আলোকচিত্রী, চিকিৎসক, শ্রমজীবী মানুষ, পেশাজীবী, শিল্পী, সাহিত্যিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদান তিনি বিবৃতিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।
নারীদের সাহসী অংশগ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে প্রফেসর ইউনূস বলেন, তাদের আত্মত্যাগ ও নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
বিবৃতির শেষাংশে তিনি বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থেকে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন