জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সাধুরপাড়া ইউনিয়নে পৈতৃক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকি এবং আদালতের রায় অমান্যের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা ও জমির সুরক্ষা চেয়ে বকশীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মো. ফয়জুল্লাহ।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সাধুরপাড়া মৌজায় অবস্থিত প্রায় ১৫৪ শতাংশ পৈতৃক জমি দীর্ঘদিন ধরে বৈধভাবে ভোগদখল করে আসছেন মো. ফয়জুল্লাহ ও তার পরিবার। সম্প্রতি ওই জমি জবরদখলের উদ্দেশ্যে স্থানীয় কয়েকজন বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে আসছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে হেবুল মিয়া, আফসার আলীসহ ১০ থেকে ১৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জমিতে প্রবেশ করে জোরপূর্বক হালচাষ শুরু করেন। এ সময় জমির মালিকপক্ষ বাধা দিলে তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী মো. ফয়জুল্লাহ জানান, ওই জমি নিয়ে পূর্বে আদালতে মামলা হয়েছিল এবং রায় তার পক্ষে আসে। পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হলেও অভিযুক্তরা আদালতের রায় ও স্থানীয় সমঝোতা অমান্য করে পুনরায় জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষ বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ ঘটনায় বকশীগঞ্জ থানায় দায়ের করা অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমি জবরদখলের চেষ্টা বন্ধ এবং তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
এদিকে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া না হলে যে কোনো সময় অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
এ বিষয়ে কামালের বাত্তী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. জসিম উদ্দিন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সাধুরপাড়া ইউনিয়নে পৈতৃক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকি এবং আদালতের রায় অমান্যের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা ও জমির সুরক্ষা চেয়ে বকশীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মো. ফয়জুল্লাহ।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সাধুরপাড়া মৌজায় অবস্থিত প্রায় ১৫৪ শতাংশ পৈতৃক জমি দীর্ঘদিন ধরে বৈধভাবে ভোগদখল করে আসছেন মো. ফয়জুল্লাহ ও তার পরিবার। সম্প্রতি ওই জমি জবরদখলের উদ্দেশ্যে স্থানীয় কয়েকজন বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে আসছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে হেবুল মিয়া, আফসার আলীসহ ১০ থেকে ১৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জমিতে প্রবেশ করে জোরপূর্বক হালচাষ শুরু করেন। এ সময় জমির মালিকপক্ষ বাধা দিলে তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী মো. ফয়জুল্লাহ জানান, ওই জমি নিয়ে পূর্বে আদালতে মামলা হয়েছিল এবং রায় তার পক্ষে আসে। পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হলেও অভিযুক্তরা আদালতের রায় ও স্থানীয় সমঝোতা অমান্য করে পুনরায় জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষ বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ ঘটনায় বকশীগঞ্জ থানায় দায়ের করা অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, জমি জবরদখলের চেষ্টা বন্ধ এবং তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
এদিকে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া না হলে যে কোনো সময় অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
এ বিষয়ে কামালের বাত্তী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. জসিম উদ্দিন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন