পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, ফটিকছড়ি এলাকা থেকে টেস্তার মোবারককে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের পরও এলাকায় পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযান শেষ হওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানান তিনি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, টেস্তার মোবারক দীর্ঘদিন ধরে ফটিকছড়ি ও আশপাশের এলাকায় সক্রিয় ছিলেন। তিনি ডেভিড ইমনের সহযোগী হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, অস্ত্রের ব্যবহার ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পুলিশের নজরদারিতে থাকা ব্যক্তিদের তালিকায় তার নামও ছিল। ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার সহযোগীদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় টেস্তার মোবারককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানিয়েছিলেন, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রেও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছে বলে তিনি জানান।
মাসুদ আলম বলেন, পুলিশের কাজের দুটি দিক রয়েছে—ডিটেকটিভ ও প্রতিরোধ। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং অস্ত্র উদ্ধারের মাধ্যমে পুলিশ অপরাধীদের আইনের আওতায় আনছে। তার দাবি, ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের আগেও গোয়েন্দারা দীর্ঘ সময় তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারি চালিয়েছে।
চট্টগ্রাম নগর ও জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে টেস্তার মোবারকের গ্রেপ্তারের খবর এসেছে। বিশেষ করে ফটিকছড়ি ও রাউজানসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, ‘অভিযান এখনো চলমান।’
তবে টেস্তার মোবারকের বিরুদ্ধে আগে থেকে কী কী মামলা রয়েছে, জব্দ করা দেশীয় অস্ত্রের ধরন কী এবং সাম্প্রতিক কোন কোন ঘটনায় তিনি জড়িত—এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানায়নি পুলিশ।
সূত্র: আমার দেশ

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, ফটিকছড়ি এলাকা থেকে টেস্তার মোবারককে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের পরও এলাকায় পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযান শেষ হওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানান তিনি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, টেস্তার মোবারক দীর্ঘদিন ধরে ফটিকছড়ি ও আশপাশের এলাকায় সক্রিয় ছিলেন। তিনি ডেভিড ইমনের সহযোগী হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, অস্ত্রের ব্যবহার ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পুলিশের নজরদারিতে থাকা ব্যক্তিদের তালিকায় তার নামও ছিল। ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার সহযোগীদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় টেস্তার মোবারককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানিয়েছিলেন, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রেও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছে বলে তিনি জানান।
মাসুদ আলম বলেন, পুলিশের কাজের দুটি দিক রয়েছে—ডিটেকটিভ ও প্রতিরোধ। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং অস্ত্র উদ্ধারের মাধ্যমে পুলিশ অপরাধীদের আইনের আওতায় আনছে। তার দাবি, ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের আগেও গোয়েন্দারা দীর্ঘ সময় তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারি চালিয়েছে।
চট্টগ্রাম নগর ও জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে টেস্তার মোবারকের গ্রেপ্তারের খবর এসেছে। বিশেষ করে ফটিকছড়ি ও রাউজানসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, ‘অভিযান এখনো চলমান।’
তবে টেস্তার মোবারকের বিরুদ্ধে আগে থেকে কী কী মামলা রয়েছে, জব্দ করা দেশীয় অস্ত্রের ধরন কী এবং সাম্প্রতিক কোন কোন ঘটনায় তিনি জড়িত—এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানায়নি পুলিশ।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন