ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, গাজার বেসামরিক মানুষ এখনো গোলাবর্ষণ, বন্দুকযুদ্ধ ও নৌবাহিনীর হামলাসহ তীব্র সামরিক অভিযানের মধ্যে রয়েছেন। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় কার্যালয় (ওসিএইচএ) জানিয়েছে, গাজার শিশুরা অতিরিক্ত ভিড়ের আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছে। একই সঙ্গে নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সেবার সংকটও তীব্র।
ওসিএইচএ আরও জানিয়েছে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা ও সামরিক অভিযানের কারণে ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি ও জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, হেবরনের মাসাফের ইয়াত্তা এলাকার তুবা গ্রামে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা কয়েকটি বাড়িতে আগুন দিয়েছে। এতে ১৪ শিশুসহ তিনটি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তারা বর্তমানে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। ওই হামলায় দুই শিশুসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এ ছাড়া একটি সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা, ১০ টন পশুখাদ্যসহ অন্যান্য সম্পত্তি ধ্বংস করা হয়েছে।
ওসিএইচএর তথ্যমতে, চলতি বছরের শুরু থেকে জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত পশ্চিম তীরের ২৫০টি ফিলিস্তিনি এলাকায় ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের এক হাজার ৩৮০টির বেশি হামলার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এসব হামলায় হতাহত, সম্পত্তির ক্ষতি অথবা উভয় ধরনের ঘটনা ঘটেছে। গড়ে প্রতিদিন ৬ থেকে ৭টি হামলা হয়েছে।
একই সময়ে হামলা ও চলাচলে নিষেধাজ্ঞার কারণে দুই হাজার ৩০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
ওসিএইচএ জানিয়েছে, অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
এদিকে জেরুজালেম গভর্নরেটের কালান্দিয়া শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান দ্বিতীয় দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন।
ওসিএইচএর ভাষ্য, নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে মানবিক সহায়তাকর্মীরা ওই এলাকায় পৌঁছাতে পারছেন না। ফলে সেখানকার বাসিন্দাদের চিকিৎসা, জরুরি সেবা গ্রহণ এবং কর্মস্থলে যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়েছে।
সূত্র: কালের কণ্ঠ।

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, গাজার বেসামরিক মানুষ এখনো গোলাবর্ষণ, বন্দুকযুদ্ধ ও নৌবাহিনীর হামলাসহ তীব্র সামরিক অভিযানের মধ্যে রয়েছেন। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় কার্যালয় (ওসিএইচএ) জানিয়েছে, গাজার শিশুরা অতিরিক্ত ভিড়ের আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছে। একই সঙ্গে নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সেবার সংকটও তীব্র।
ওসিএইচএ আরও জানিয়েছে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা ও সামরিক অভিযানের কারণে ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি ও জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, হেবরনের মাসাফের ইয়াত্তা এলাকার তুবা গ্রামে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা কয়েকটি বাড়িতে আগুন দিয়েছে। এতে ১৪ শিশুসহ তিনটি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তারা বর্তমানে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। ওই হামলায় দুই শিশুসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এ ছাড়া একটি সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা, ১০ টন পশুখাদ্যসহ অন্যান্য সম্পত্তি ধ্বংস করা হয়েছে।
ওসিএইচএর তথ্যমতে, চলতি বছরের শুরু থেকে জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত পশ্চিম তীরের ২৫০টি ফিলিস্তিনি এলাকায় ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের এক হাজার ৩৮০টির বেশি হামলার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এসব হামলায় হতাহত, সম্পত্তির ক্ষতি অথবা উভয় ধরনের ঘটনা ঘটেছে। গড়ে প্রতিদিন ৬ থেকে ৭টি হামলা হয়েছে।
একই সময়ে হামলা ও চলাচলে নিষেধাজ্ঞার কারণে দুই হাজার ৩০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
ওসিএইচএ জানিয়েছে, অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
এদিকে জেরুজালেম গভর্নরেটের কালান্দিয়া শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান দ্বিতীয় দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন।
ওসিএইচএর ভাষ্য, নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে মানবিক সহায়তাকর্মীরা ওই এলাকায় পৌঁছাতে পারছেন না। ফলে সেখানকার বাসিন্দাদের চিকিৎসা, জরুরি সেবা গ্রহণ এবং কর্মস্থলে যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়েছে।
সূত্র: কালের কণ্ঠ।

আপনার মতামত লিখুন