কালের কণ্ঠের বগুড়া প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের এরুলিয়া সিল্কিবান্ধা এলাকায় ঢাকা থেকে নওগাঁগামী একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের বৈদ্যুতিক পিলারে ধাক্কা দেয়। ওই সময় কাজের সন্ধানে বেশ কয়েকজন শ্রমিক সড়কের পাশে অপেক্ষা করছিলেন। নিয়ন্ত্রণ হারানো বাসটি তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও চারজনের মৃত্যু হয়। এতে মোট সাতজন প্রাণ হারান এবং অন্তত ১৫ জন আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নিহতদের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন—বগুড়ার বেলাল হোসেন (৩৭), গাইবান্ধার আমিরুল ইসলাম (৪৫), নূর আলম (৩৫), ফয়জার রহমান (৪৩), আবদুর রহিম (৪৬) এবং জয়পুরহাটের তাজমুল (৪৫)।
অন্যদিকে, সিলেট প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার সকাল ৭টা ১০ মিনিটের দিকে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার খাসিকাপন এলাকায় ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহন ও সিলেটমুখী বেঙ্গল পরিবহনের স্লিপার বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর ইউনিক পরিবহনের বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে খাদে পড়ে যায়।
এ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ইউনিক পরিবহনের সাত যাত্রী নিহত হন। পরে ওসমানী হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়। এতে মোট আটজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। হতাহতদের সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।
পরপর দুই বড় সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫ জনের প্রাণহানির ঘটনায় স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। রক্তভেজা সড়কে এখন শুধুই কান্না।

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
কালের কণ্ঠের বগুড়া প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের এরুলিয়া সিল্কিবান্ধা এলাকায় ঢাকা থেকে নওগাঁগামী একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের বৈদ্যুতিক পিলারে ধাক্কা দেয়। ওই সময় কাজের সন্ধানে বেশ কয়েকজন শ্রমিক সড়কের পাশে অপেক্ষা করছিলেন। নিয়ন্ত্রণ হারানো বাসটি তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও চারজনের মৃত্যু হয়। এতে মোট সাতজন প্রাণ হারান এবং অন্তত ১৫ জন আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নিহতদের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন—বগুড়ার বেলাল হোসেন (৩৭), গাইবান্ধার আমিরুল ইসলাম (৪৫), নূর আলম (৩৫), ফয়জার রহমান (৪৩), আবদুর রহিম (৪৬) এবং জয়পুরহাটের তাজমুল (৪৫)।
অন্যদিকে, সিলেট প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার সকাল ৭টা ১০ মিনিটের দিকে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার খাসিকাপন এলাকায় ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহন ও সিলেটমুখী বেঙ্গল পরিবহনের স্লিপার বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর ইউনিক পরিবহনের বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে খাদে পড়ে যায়।
এ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ইউনিক পরিবহনের সাত যাত্রী নিহত হন। পরে ওসমানী হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়। এতে মোট আটজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। হতাহতদের সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।
পরপর দুই বড় সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫ জনের প্রাণহানির ঘটনায় স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। রক্তভেজা সড়কে এখন শুধুই কান্না।

আপনার মতামত লিখুন