শুক্রবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার পর অল্প সময়ের মধ্যেই লাউঞ্জসহ আশপাশের এলাকা ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।
বিমানবন্দর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের এক অপারেটর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে ছয়জন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল বলাকা লাউঞ্জে গেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ লাউঞ্জের ভেতরে ধোঁয়া দেখা যায়। পরে দ্রুত পুরো এলাকায় ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে সেখানে থাকা মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। অনেকে নিরাপদ স্থানে সরে যান। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ শুরু করেন।
জানা গেছে, রাতে বলাকা লাউঞ্জের রান্নাঘরে একটি কেবল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে থাকা ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় বলাকা লাউঞ্জের যাত্রীসেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহির্গমন টার্মিনালে থাকা বলাকা লাউঞ্জ মূলত যাত্রীদের অপেক্ষা ও বিশ্রামের জন্য ব্যবহৃত হয়। সেখানে যাত্রীদের খাবার গ্রহণ, বসা এবং অপেক্ষার জন্য বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
শুক্রবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার পর অল্প সময়ের মধ্যেই লাউঞ্জসহ আশপাশের এলাকা ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।
বিমানবন্দর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের এক অপারেটর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে ছয়জন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল বলাকা লাউঞ্জে গেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ লাউঞ্জের ভেতরে ধোঁয়া দেখা যায়। পরে দ্রুত পুরো এলাকায় ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে সেখানে থাকা মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। অনেকে নিরাপদ স্থানে সরে যান। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ শুরু করেন।
জানা গেছে, রাতে বলাকা লাউঞ্জের রান্নাঘরে একটি কেবল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে থাকা ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় বলাকা লাউঞ্জের যাত্রীসেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহির্গমন টার্মিনালে থাকা বলাকা লাউঞ্জ মূলত যাত্রীদের অপেক্ষা ও বিশ্রামের জন্য ব্যবহৃত হয়। সেখানে যাত্রীদের খাবার গ্রহণ, বসা এবং অপেক্ষার জন্য বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

আপনার মতামত লিখুন