শনিবার রাজধানীতে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইতিহাসে যার যে কল্যাণকর অবদান রয়েছে, তা স্বীকার করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত। প্রদর্শনীতে ইতিহাসকে নিরপেক্ষ ও বাস্তব দৃষ্টিকোণ থেকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
প্রদর্শনীতে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা না থাকার কারণ জানতে চাইলে জামায়াত আমির বলেন, তারা জিয়াউর রহমানকে স্বৈরাচারী বা কর্তৃত্ববাদী শাসক হিসেবে দেখেন না। তার ভাষ্য, জিয়াউর রহমান অটোক্রেট শাসক ছিলেন না। প্রদর্শনীতে যাদের কর্তৃত্ববাদী ও আগ্রাসী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে, মূলত তাদেরই তুলে ধরা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মানুষের মুক্তি ও ন্যায্যতার জন্য যারা ভূমিকা রেখেছেন, প্রদর্শনীর বিভিন্ন অংশে তাদের অবদানও তুলে ধরা হয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াতের আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে জুলাই আন্দোলনের পটভূমি, বিভিন্ন সময়ে মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন এবং এসব আন্দোলনে হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের ওপর হামলার ঘটনার পর আন্দোলনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়তে থাকে। পরদিন ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যুর পর আন্দোলন আরও বিস্তৃত হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘাত ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
৩ আগস্টের পরিস্থিতি তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, ওই সময় সেনাবাহিনীর সাধারণ সদস্যদের একটি অংশ জনগণের ওপর গুলি চালাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। ৩ ও ৪ আগস্ট ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় এবং ইন্টারনেট বন্ধ করে লাশ গুমের ঘটনাও ঘটানো হয়েছিল।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে আকাঙ্ক্ষার সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখনো পূরণ হয়নি। জনগণের অধিকার নিশ্চিত হওয়ার দিনই প্রকৃত অর্থে জুলাইয়ের সমাপ্তি ঘটবে।
সূত্র: আমার দেশ

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
শনিবার রাজধানীতে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইতিহাসে যার যে কল্যাণকর অবদান রয়েছে, তা স্বীকার করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত। প্রদর্শনীতে ইতিহাসকে নিরপেক্ষ ও বাস্তব দৃষ্টিকোণ থেকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
প্রদর্শনীতে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা না থাকার কারণ জানতে চাইলে জামায়াত আমির বলেন, তারা জিয়াউর রহমানকে স্বৈরাচারী বা কর্তৃত্ববাদী শাসক হিসেবে দেখেন না। তার ভাষ্য, জিয়াউর রহমান অটোক্রেট শাসক ছিলেন না। প্রদর্শনীতে যাদের কর্তৃত্ববাদী ও আগ্রাসী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে, মূলত তাদেরই তুলে ধরা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মানুষের মুক্তি ও ন্যায্যতার জন্য যারা ভূমিকা রেখেছেন, প্রদর্শনীর বিভিন্ন অংশে তাদের অবদানও তুলে ধরা হয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াতের আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে জুলাই আন্দোলনের পটভূমি, বিভিন্ন সময়ে মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন এবং এসব আন্দোলনে হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের ওপর হামলার ঘটনার পর আন্দোলনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়তে থাকে। পরদিন ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যুর পর আন্দোলন আরও বিস্তৃত হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘাত ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
৩ আগস্টের পরিস্থিতি তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, ওই সময় সেনাবাহিনীর সাধারণ সদস্যদের একটি অংশ জনগণের ওপর গুলি চালাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। ৩ ও ৪ আগস্ট ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় এবং ইন্টারনেট বন্ধ করে লাশ গুমের ঘটনাও ঘটানো হয়েছিল।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে আকাঙ্ক্ষার সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখনো পূরণ হয়নি। জনগণের অধিকার নিশ্চিত হওয়ার দিনই প্রকৃত অর্থে জুলাইয়ের সমাপ্তি ঘটবে।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন