ঢাকা    শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

রাজনীতি

প্রদর্শনীতে মুজিব থাকলেও জিয়ার ভূমিকা না রাখার ব্যাখ্যা দিলেন জামায়াত আমির

প্রদর্শনীতে মুজিব থাকলেও জিয়ার ভূমিকা না রাখার ব্যাখ্যা দিলেন জামায়াত আমির
প্রদর্শনীতে মুজিব থাকলেও জিয়ার ভূমিকা না রাখার ব্যাখ্যা দিলেন জামায়াত আমির

জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত ‘জুলাই এখনো শেষ হয়নি’ শীর্ষক প্রদর্শনীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ স্থান পেলেও স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের ভূমিকা উল্লেখ না থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর ব্যাখ্যায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, প্রদর্শনীতে মূলত কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের ধারাবাহিকতা এবং এর বিরুদ্ধে মানুষের আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। জিয়াউর রহমানকে কর্তৃত্ববাদী শাসক হিসেবে বিবেচনা না করায় তার ভাষণ বা ভূমিকা প্রদর্শনীতে রাখা হয়নি।

শনিবার রাজধানীতে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইতিহাসে যার যে কল্যাণকর অবদান রয়েছে, তা স্বীকার করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত। প্রদর্শনীতে ইতিহাসকে নিরপেক্ষ ও বাস্তব দৃষ্টিকোণ থেকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রদর্শনীতে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা না থাকার কারণ জানতে চাইলে জামায়াত আমির বলেন, তারা জিয়াউর রহমানকে স্বৈরাচারী বা কর্তৃত্ববাদী শাসক হিসেবে দেখেন না। তার ভাষ্য, জিয়াউর রহমান অটোক্রেট শাসক ছিলেন না। প্রদর্শনীতে যাদের কর্তৃত্ববাদী ও আগ্রাসী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে, মূলত তাদেরই তুলে ধরা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মানুষের মুক্তি ও ন্যায্যতার জন্য যারা ভূমিকা রেখেছেন, প্রদর্শনীর বিভিন্ন অংশে তাদের অবদানও তুলে ধরা হয়েছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াতের আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে জুলাই আন্দোলনের পটভূমি, বিভিন্ন সময়ে মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন এবং এসব আন্দোলনে হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।

জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের ওপর হামলার ঘটনার পর আন্দোলনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়তে থাকে। পরদিন ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যুর পর আন্দোলন আরও বিস্তৃত হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘাত ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

৩ আগস্টের পরিস্থিতি তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, ওই সময় সেনাবাহিনীর সাধারণ সদস্যদের একটি অংশ জনগণের ওপর গুলি চালাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। ৩ ও ৪ আগস্ট ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় এবং ইন্টারনেট বন্ধ করে লাশ গুমের ঘটনাও ঘটানো হয়েছিল।

তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে আকাঙ্ক্ষার সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখনো পূরণ হয়নি। জনগণের অধিকার নিশ্চিত হওয়ার দিনই প্রকৃত অর্থে জুলাইয়ের সমাপ্তি ঘটবে।

সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬


প্রদর্শনীতে মুজিব থাকলেও জিয়ার ভূমিকা না রাখার ব্যাখ্যা দিলেন জামায়াত আমির

প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত ‘জুলাই এখনো শেষ হয়নি’ শীর্ষক প্রদর্শনীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ স্থান পেলেও স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের ভূমিকা উল্লেখ না থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর ব্যাখ্যায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, প্রদর্শনীতে মূলত কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের ধারাবাহিকতা এবং এর বিরুদ্ধে মানুষের আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। জিয়াউর রহমানকে কর্তৃত্ববাদী শাসক হিসেবে বিবেচনা না করায় তার ভাষণ বা ভূমিকা প্রদর্শনীতে রাখা হয়নি।

শনিবার রাজধানীতে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইতিহাসে যার যে কল্যাণকর অবদান রয়েছে, তা স্বীকার করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত। প্রদর্শনীতে ইতিহাসকে নিরপেক্ষ ও বাস্তব দৃষ্টিকোণ থেকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রদর্শনীতে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা না থাকার কারণ জানতে চাইলে জামায়াত আমির বলেন, তারা জিয়াউর রহমানকে স্বৈরাচারী বা কর্তৃত্ববাদী শাসক হিসেবে দেখেন না। তার ভাষ্য, জিয়াউর রহমান অটোক্রেট শাসক ছিলেন না। প্রদর্শনীতে যাদের কর্তৃত্ববাদী ও আগ্রাসী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে, মূলত তাদেরই তুলে ধরা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মানুষের মুক্তি ও ন্যায্যতার জন্য যারা ভূমিকা রেখেছেন, প্রদর্শনীর বিভিন্ন অংশে তাদের অবদানও তুলে ধরা হয়েছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াতের আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে জুলাই আন্দোলনের পটভূমি, বিভিন্ন সময়ে মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন এবং এসব আন্দোলনে হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।

জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের ওপর হামলার ঘটনার পর আন্দোলনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়তে থাকে। পরদিন ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যুর পর আন্দোলন আরও বিস্তৃত হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘাত ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

৩ আগস্টের পরিস্থিতি তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, ওই সময় সেনাবাহিনীর সাধারণ সদস্যদের একটি অংশ জনগণের ওপর গুলি চালাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। ৩ ও ৪ আগস্ট ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় এবং ইন্টারনেট বন্ধ করে লাশ গুমের ঘটনাও ঘটানো হয়েছিল।

তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে আকাঙ্ক্ষার সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখনো পূরণ হয়নি। জনগণের অধিকার নিশ্চিত হওয়ার দিনই প্রকৃত অর্থে জুলাইয়ের সমাপ্তি ঘটবে।

সূত্র: আমার দেশ


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - 

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রদর্শনীতে মুজিব থাকলেও জিয়ার ভূমিকা না রাখার ব্যাখ্যা দিলেন জামায়াত আমির
0:00 0:00
1.0x