মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, কোনো তদন্ত, নির্ভরযোগ্য প্রমাণ কিংবা ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা প্রমাণের আগেই ট্রেনে অগ্নিসংযোগের দায় দলটির ওপর চাপানো সম্পূর্ণ অনৈতিক, দায়িত্বহীন, দুরভিসন্ধিমূলক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রিজভীর এমন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিভিন্ন স্থানে বাসে অগ্নিসংযোগ, বোমাবাজি ও ভাঙচুরের ঘটনায় কারা জড়িত, সে বিষয়ে নিজেই উত্তর দাবি করেছেন। একই নীতিতে ট্রেনে অগ্নিসংযোগের ঘটনাটিও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করার দাবি জানানো উচিত ছিল। কিন্তু কোনো প্রমাণ ছাড়াই জামায়াতে ইসলামীর ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী সন্ত্রাস, অগ্নিসংযোগ, বোমাবাজি, নৈরাজ্য কিংবা জনসম্পদ ধ্বংসের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এ ধরনের অপরাধে জড়িত হলে তার রাজনৈতিক পরিচয় যা-ই হোক, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় এনে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ভাঙচুরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো স্থানে সংঘটিত ভাঙচুরের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে লংমার্চ করতে বলা মূল ঘটনার তদন্ত এবং দায়ীদের শনাক্ত করার বিকল্প হতে পারে না। ওই ঘটনায় কারা জড়িত, তাদের রাজনৈতিক পরিচয় কী এবং তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে—এসব বিষয় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জাতির সামনে পরিষ্কার করা প্রয়োজন।
জুবায়ের বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে কোনো অপরাধের সঙ্গে একটি দলের নাম যুক্ত করা সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ নয়। এ ধরনের বক্তব্য সমাজে বিভ্রান্তি ও রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করতে পারে। দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে আরও সংযত, তথ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল বক্তব্য প্রত্যাশা করেন তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো অভিযোগ থাকলে তার সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। তদন্তের আগে অভিযোগ এবং প্রমাণের আগেই রায় দেওয়ার রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ট্রেনে অগ্নিসংযোগ, বাসে আগুন, বোমাবাজি, ভাঙচুরসহ সব ধরনের নাশকতা ও সহিংসতার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে জুবায়ের বলেন, অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় নয়, অপরাধের প্রমাণই বিচারের ভিত্তি হওয়া উচিত—এটাই আইনের শাসনের দাবি।
তিনি রিজভীর বক্তব্য প্রত্যাহারের পাশাপাশি প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে অপপ্রচার বা ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর ভাবমর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্যও রিজভীর প্রতি আহ্বান জানান।
সূত্র: আমার দেশ

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, কোনো তদন্ত, নির্ভরযোগ্য প্রমাণ কিংবা ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা প্রমাণের আগেই ট্রেনে অগ্নিসংযোগের দায় দলটির ওপর চাপানো সম্পূর্ণ অনৈতিক, দায়িত্বহীন, দুরভিসন্ধিমূলক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রিজভীর এমন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিভিন্ন স্থানে বাসে অগ্নিসংযোগ, বোমাবাজি ও ভাঙচুরের ঘটনায় কারা জড়িত, সে বিষয়ে নিজেই উত্তর দাবি করেছেন। একই নীতিতে ট্রেনে অগ্নিসংযোগের ঘটনাটিও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করার দাবি জানানো উচিত ছিল। কিন্তু কোনো প্রমাণ ছাড়াই জামায়াতে ইসলামীর ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী সন্ত্রাস, অগ্নিসংযোগ, বোমাবাজি, নৈরাজ্য কিংবা জনসম্পদ ধ্বংসের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এ ধরনের অপরাধে জড়িত হলে তার রাজনৈতিক পরিচয় যা-ই হোক, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় এনে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ভাঙচুরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো স্থানে সংঘটিত ভাঙচুরের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে লংমার্চ করতে বলা মূল ঘটনার তদন্ত এবং দায়ীদের শনাক্ত করার বিকল্প হতে পারে না। ওই ঘটনায় কারা জড়িত, তাদের রাজনৈতিক পরিচয় কী এবং তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে—এসব বিষয় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জাতির সামনে পরিষ্কার করা প্রয়োজন।
জুবায়ের বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে কোনো অপরাধের সঙ্গে একটি দলের নাম যুক্ত করা সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ নয়। এ ধরনের বক্তব্য সমাজে বিভ্রান্তি ও রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করতে পারে। দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে আরও সংযত, তথ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল বক্তব্য প্রত্যাশা করেন তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো অভিযোগ থাকলে তার সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। তদন্তের আগে অভিযোগ এবং প্রমাণের আগেই রায় দেওয়ার রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ট্রেনে অগ্নিসংযোগ, বাসে আগুন, বোমাবাজি, ভাঙচুরসহ সব ধরনের নাশকতা ও সহিংসতার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে জুবায়ের বলেন, অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় নয়, অপরাধের প্রমাণই বিচারের ভিত্তি হওয়া উচিত—এটাই আইনের শাসনের দাবি।
তিনি রিজভীর বক্তব্য প্রত্যাহারের পাশাপাশি প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে অপপ্রচার বা ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর ভাবমর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্যও রিজভীর প্রতি আহ্বান জানান।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন