যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার (০৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ হুঁশিয়ারি দেন মনজুরুল ইসলাম।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, পাটওয়ারীর বক্তব্যের ধরনকে কোনোভাবেই ‘ফ্রিডম অব স্পিচ’ বা বাক্স্বাধীনতা বলা যায় না।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনজুরুল ইসলাম বলেন, দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে তারেক রহমান যে ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। তিনি বলেন, তারা অনেক কিছু সহ্য করতে পারেন না, অথচ তারেক রহমান সেগুলো সহ্য করছেন। পাটওয়ারী ও তুষাররা তারেক রহমানকে নিয়ে যেসব বাজে ভাষা ব্যবহার করছেন, সেগুলো সহ্যের সীমার বাইরে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সময় নূর হোসেন নামের এক বাংলাদেশি তথ্যচিত্রটি নিয়ে আপত্তি জানান।
তার দাবি, তথ্যচিত্রটিতে ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ভিডিওতে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলনের ফসল হিসেবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে তুলে ধরা হয়েছে। অথচ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন, ছাত্রদের আন্দোলনের ফসল হিসেবে ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে।
নূর হোসেন বলেন, ‘আমরা আন্দোলন করি নাই। ডকুমেন্টারিতে ইতিহাসের বিকৃতি করা হয়েছে।’
তার এই বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে তাকে আলোচনা সভার হল থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ সময় সভাস্থলে বিশৃঙ্খলা তৈরি হলে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন আইনজীবী অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী মাইকে বলেন, ‘এটি সরকারি অফিস। এখানে বিশৃঙ্খলা করবেন না।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোজাম্মেল হক পিটার। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহ উদ্দীন নোমান চৌধুরী, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস সেক্রেটারি গোলাম মর্তুজা, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল লতিফ সম্রাট, গিয়াস আহমেদ এবং জিল্লুর রহমান জিল্লু।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার (০৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ হুঁশিয়ারি দেন মনজুরুল ইসলাম।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, পাটওয়ারীর বক্তব্যের ধরনকে কোনোভাবেই ‘ফ্রিডম অব স্পিচ’ বা বাক্স্বাধীনতা বলা যায় না।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনজুরুল ইসলাম বলেন, দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে তারেক রহমান যে ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। তিনি বলেন, তারা অনেক কিছু সহ্য করতে পারেন না, অথচ তারেক রহমান সেগুলো সহ্য করছেন। পাটওয়ারী ও তুষাররা তারেক রহমানকে নিয়ে যেসব বাজে ভাষা ব্যবহার করছেন, সেগুলো সহ্যের সীমার বাইরে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সময় নূর হোসেন নামের এক বাংলাদেশি তথ্যচিত্রটি নিয়ে আপত্তি জানান।
তার দাবি, তথ্যচিত্রটিতে ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ভিডিওতে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলনের ফসল হিসেবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে তুলে ধরা হয়েছে। অথচ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন, ছাত্রদের আন্দোলনের ফসল হিসেবে ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে।
নূর হোসেন বলেন, ‘আমরা আন্দোলন করি নাই। ডকুমেন্টারিতে ইতিহাসের বিকৃতি করা হয়েছে।’
তার এই বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে তাকে আলোচনা সভার হল থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ সময় সভাস্থলে বিশৃঙ্খলা তৈরি হলে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন আইনজীবী অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী মাইকে বলেন, ‘এটি সরকারি অফিস। এখানে বিশৃঙ্খলা করবেন না।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোজাম্মেল হক পিটার। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহ উদ্দীন নোমান চৌধুরী, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস সেক্রেটারি গোলাম মর্তুজা, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল লতিফ সম্রাট, গিয়াস আহমেদ এবং জিল্লুর রহমান জিল্লু।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন