চারদিকে যখন নানা শঙ্কা আর অস্থিরতার গুঞ্জন, ঠিক তখনই রাজপথের চেনা ছন্দে গর্জে উঠেছে ময়মনসিংহ। দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও জানমালের সুরক্ষায় একাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছে রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিকেরা। পরিকল্পিত সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির যেকোনো অপচেষ্টাকে কঠোরহস্তে প্রতিহত করার প্রত্যয় নিয়ে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো।
নতুন বাজার কালী সংকর গুহ রোডে অবস্থিত দলীয় কার্যালয় চত্বরটি এদিন দুপুরের পর থেকেই পরিণত হয়েছিল একখণ্ড জনসমুদ্রে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এই জমায়েতে প্রধান অতিথির আসনে ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ্ব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। বিশেষ অতিথি হিসেবে তরুণ ও লড়াকু নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সদর-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ) আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।
নেতৃত্বের অগ্রভাগে আরও ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাবলু, সদস্য সচিব রোকনুজ্জামান সরকার রোকন, যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল আমিন খসরু এবং কোতোয়ালি বিএনপির আহ্বায়ক হেলাল আহমেদ হেলালসহ জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষস্থানীয় অভিভাবকতুল্য নেতারা।
সমাবেশের মূল মঞ্চ থেকে উচ্চারিত হয়েছে কঠোর হুংকার। বক্তারা দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিবাদী শক্তির দোসররা এখনো গুপ্ত থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করার হীন চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বাংলার মুক্তিকামী জনগণ ও রাজপথের লড়াকু সৈনিকেরা তাদের সেই স্বপ্ন কোনোদিনই সফল হতে দেবে না। যেকোনো মূল্যে গণতন্ত্রের পরিবেশ ধরে রাখতে এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে সর্বাত্মক কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।
বক্তব্য পর্ব শেষে নতুন বাজার থেকে শুরু হয় এক সুশৃঙ্খল অথচ বিশাল বিক্ষোভ মিছিল। মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে গিয়ে সমাপ্ত হয়। মিছিলে রঙ ছড়িয়েছে বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি। দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মো. দিদারুল ইসলাম খান রাজু, মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম শহীদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান আরমান এবং যুবদল নেতা মুনতাসির মনির নেতৃত্বে যুবদলের হাজারো নেতাকর্মীর স্লোগানে মুখর ছিল চারপাশ।
এর পাশাপাশি, দলের প্রতিটি ক্রান্তিকালের পরীক্ষিত ও ত্যাগী মুখ—ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানভিরুল ইসলাম টুটুলের নেতৃত্বে দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, জেলা তাঁতিদল ও কোতোয়ালি থানা তাঁতিদলের সুশৃঙ্খল শোডাউন পুরো মিছিলে যোগ করে এক বাড়তি গতি ও ভিন্নমাত্রা। তাদের এই তেজদীপ্ত উপস্থিতি কর্মীদের মনোবল বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
পরিশেষে, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সব ধরনের গোপন ষড়যন্ত্র ও নাশকতার পরিকল্পনা চিরতরে নস্যাৎ করতে বিএনপি এবং এর সব সহযোগী শক্তিকে আরও ইস্পাতকঠিন ঐক্যে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে এই সফল কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চারদিকে যখন নানা শঙ্কা আর অস্থিরতার গুঞ্জন, ঠিক তখনই রাজপথের চেনা ছন্দে গর্জে উঠেছে ময়মনসিংহ। দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও জানমালের সুরক্ষায় একাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছে রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিকেরা। পরিকল্পিত সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির যেকোনো অপচেষ্টাকে কঠোরহস্তে প্রতিহত করার প্রত্যয় নিয়ে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো।
নতুন বাজার কালী সংকর গুহ রোডে অবস্থিত দলীয় কার্যালয় চত্বরটি এদিন দুপুরের পর থেকেই পরিণত হয়েছিল একখণ্ড জনসমুদ্রে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এই জমায়েতে প্রধান অতিথির আসনে ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ্ব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। বিশেষ অতিথি হিসেবে তরুণ ও লড়াকু নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সদর-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ) আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।
নেতৃত্বের অগ্রভাগে আরও ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাবলু, সদস্য সচিব রোকনুজ্জামান সরকার রোকন, যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল আমিন খসরু এবং কোতোয়ালি বিএনপির আহ্বায়ক হেলাল আহমেদ হেলালসহ জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষস্থানীয় অভিভাবকতুল্য নেতারা।
সমাবেশের মূল মঞ্চ থেকে উচ্চারিত হয়েছে কঠোর হুংকার। বক্তারা দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিবাদী শক্তির দোসররা এখনো গুপ্ত থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করার হীন চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বাংলার মুক্তিকামী জনগণ ও রাজপথের লড়াকু সৈনিকেরা তাদের সেই স্বপ্ন কোনোদিনই সফল হতে দেবে না। যেকোনো মূল্যে গণতন্ত্রের পরিবেশ ধরে রাখতে এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে সর্বাত্মক কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।
বক্তব্য পর্ব শেষে নতুন বাজার থেকে শুরু হয় এক সুশৃঙ্খল অথচ বিশাল বিক্ষোভ মিছিল। মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে গিয়ে সমাপ্ত হয়। মিছিলে রঙ ছড়িয়েছে বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি। দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মো. দিদারুল ইসলাম খান রাজু, মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম শহীদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান আরমান এবং যুবদল নেতা মুনতাসির মনির নেতৃত্বে যুবদলের হাজারো নেতাকর্মীর স্লোগানে মুখর ছিল চারপাশ।
এর পাশাপাশি, দলের প্রতিটি ক্রান্তিকালের পরীক্ষিত ও ত্যাগী মুখ—ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানভিরুল ইসলাম টুটুলের নেতৃত্বে দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, জেলা তাঁতিদল ও কোতোয়ালি থানা তাঁতিদলের সুশৃঙ্খল শোডাউন পুরো মিছিলে যোগ করে এক বাড়তি গতি ও ভিন্নমাত্রা। তাদের এই তেজদীপ্ত উপস্থিতি কর্মীদের মনোবল বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
পরিশেষে, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সব ধরনের গোপন ষড়যন্ত্র ও নাশকতার পরিকল্পনা চিরতরে নস্যাৎ করতে বিএনপি এবং এর সব সহযোগী শক্তিকে আরও ইস্পাতকঠিন ঐক্যে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে এই সফল কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন