রোববার (৯ আগস্ট) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েল ট্রাম্পের ১৫ দফা নথি গ্রহণ করছে না। গাজায় যেকোনো ধরনের হুমকি মোকাবিলায় ইসরায়েলি বাহিনী তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাবে বলেও জানান তিনি।
নেতানিয়াহু বলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের আলোচনা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু প্রস্তাব ইসরায়েলের কাছে গ্রহণযোগ্য হলেও কিছু প্রস্তাব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এমন অবস্থান নিয়ে হোয়াইট হাউস এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি। তবে টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে হামাস জানিয়েছে, তারা আগের ওই পরিকল্পনার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে সমঝোতার প্রক্রিয়া যাতে ব্যর্থ না হয়, তা নিশ্চিত করতে মধ্যস্থতাকারী ও গ্যারান্টর দেশগুলোর প্রতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।
এর আগে গত জুনে হামাস ট্রাম্পের ১৫ দফা প্রস্তাব গ্রহণ করেছিল। এরপর ৩০ জুলাই ট্রাম্প এই চুক্তিকে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে ঘোষণা করেন।
বোর্ড অব পিসের আওতায় প্রস্তাবিত ওই পরিকল্পনায় গাজার প্রশাসনিক দায়িত্ব একটি প্রযুক্তিনির্ভর ফিলিস্তিনি কমিটির কাছে হস্তান্তরের কথা বলা হয়েছিল।
রোববারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে নেতানিয়াহু তার অবস্থান আবারও স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, তার প্রধানমন্ত্রীত্বের সময়ে কোনো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হতে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে শুধু ভারী অস্ত্র নয়, হালকা অস্ত্রসহ হামাসকে সম্পূর্ণ ও প্রকৃত অর্থে নিরস্ত্রীকরণের দাবি জানান তিনি।
ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক প্যাটি কালহেন জানান, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নেতানিয়াহু ট্রাম্পের সঙ্গে একটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থান তৈরি করছেন।
অন্যদিকে গাজা ও পশ্চিম তীরের প্রতিবেদক হাওয়া ও ওদে জানান, নেতানিয়াহুর এমন অবস্থানের কারণে সেখানে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং গাজার প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।
গত বছরের অক্টোবরে নামমাত্র যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পরও গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা অব্যাহত রয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত অক্টোবরের পর থেকে অন্তত ১ হাজার ২৫৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আর ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৩৮৬ জনে।
সূত্র: আল জাজিরা।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
রোববার (৯ আগস্ট) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েল ট্রাম্পের ১৫ দফা নথি গ্রহণ করছে না। গাজায় যেকোনো ধরনের হুমকি মোকাবিলায় ইসরায়েলি বাহিনী তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাবে বলেও জানান তিনি।
নেতানিয়াহু বলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের আলোচনা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু প্রস্তাব ইসরায়েলের কাছে গ্রহণযোগ্য হলেও কিছু প্রস্তাব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এমন অবস্থান নিয়ে হোয়াইট হাউস এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি। তবে টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে হামাস জানিয়েছে, তারা আগের ওই পরিকল্পনার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে সমঝোতার প্রক্রিয়া যাতে ব্যর্থ না হয়, তা নিশ্চিত করতে মধ্যস্থতাকারী ও গ্যারান্টর দেশগুলোর প্রতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।
এর আগে গত জুনে হামাস ট্রাম্পের ১৫ দফা প্রস্তাব গ্রহণ করেছিল। এরপর ৩০ জুলাই ট্রাম্প এই চুক্তিকে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে ঘোষণা করেন।
বোর্ড অব পিসের আওতায় প্রস্তাবিত ওই পরিকল্পনায় গাজার প্রশাসনিক দায়িত্ব একটি প্রযুক্তিনির্ভর ফিলিস্তিনি কমিটির কাছে হস্তান্তরের কথা বলা হয়েছিল।
রোববারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে নেতানিয়াহু তার অবস্থান আবারও স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, তার প্রধানমন্ত্রীত্বের সময়ে কোনো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হতে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে শুধু ভারী অস্ত্র নয়, হালকা অস্ত্রসহ হামাসকে সম্পূর্ণ ও প্রকৃত অর্থে নিরস্ত্রীকরণের দাবি জানান তিনি।
ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক প্যাটি কালহেন জানান, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নেতানিয়াহু ট্রাম্পের সঙ্গে একটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থান তৈরি করছেন।
অন্যদিকে গাজা ও পশ্চিম তীরের প্রতিবেদক হাওয়া ও ওদে জানান, নেতানিয়াহুর এমন অবস্থানের কারণে সেখানে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং গাজার প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।
গত বছরের অক্টোবরে নামমাত্র যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পরও গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা অব্যাহত রয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত অক্টোবরের পর থেকে অন্তত ১ হাজার ২৫৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আর ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৩৮৬ জনে।
সূত্র: আল জাজিরা।

আপনার মতামত লিখুন