সোমবার (১০ আগস্ট) রাজধানী বোগোটা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমারে ভূপৃষ্ঠের ১০৭ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়। ভূমিকম্পের পরপরই অন্তত ২১টি আফটারশক অনুভূত হয়। এসব কম্পনের প্রভাব প্রতিবেশী ইকুয়েডর ও পানামাতেও অনুভূত হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত শহরগুলোর মধ্যে ক্যালিতে অন্তত ২০টি ভবন পুরোপুরি ধসে গেছে এবং আরও ৩৮০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধারে স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীরা মানবশিকল তৈরি করে কাজ করছেন। রোদিসারালদা অঞ্চলে ৪০ জন, ভালে দেল কাউকা অঞ্চলে ২৭ জন এবং চোকো অঞ্চলে ১২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ক্যালির ৬৪ বছর বয়সী ট্যাক্সিচালক হোর্হে মনকায়ো বলেন, তিনি পুরো শহরজুড়ে ধুলোর মেঘ ছড়িয়ে পড়তে এবং একের পর এক ভবন ধসে পড়তে দেখেছেন। পেরেইরা শহরের বিমানবন্দরের একটি অংশের ছাদও খসে পড়েছে। এছাড়া মানিজালেসের একটি ঐতিহাসিক ক্যাথেড্রালের মিনার ভেঙে পড়েছে।
নতুন দায়িত্ব নেওয়া প্রেসিডেন্ট আবোলার্দো দে লা এসপ্রিয়েয়া দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। তিনি ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে কয়েকটি বিমানবন্দরের ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। একই সময়ে ডিজিটাল তালিকায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি নিখোঁজ ব্যক্তির তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছে।
ভূমিকম্পের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্র ১৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি এল সালভাদোর, মেক্সিকো, চিলি, ইসরায়েল, ইকুয়েডর ও ফ্রান্সও উদ্ধার কার্যক্রমে সহযোগিতার আগ্রহ জানিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
সোমবার (১০ আগস্ট) রাজধানী বোগোটা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমারে ভূপৃষ্ঠের ১০৭ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়। ভূমিকম্পের পরপরই অন্তত ২১টি আফটারশক অনুভূত হয়। এসব কম্পনের প্রভাব প্রতিবেশী ইকুয়েডর ও পানামাতেও অনুভূত হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত শহরগুলোর মধ্যে ক্যালিতে অন্তত ২০টি ভবন পুরোপুরি ধসে গেছে এবং আরও ৩৮০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধারে স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীরা মানবশিকল তৈরি করে কাজ করছেন। রোদিসারালদা অঞ্চলে ৪০ জন, ভালে দেল কাউকা অঞ্চলে ২৭ জন এবং চোকো অঞ্চলে ১২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ক্যালির ৬৪ বছর বয়সী ট্যাক্সিচালক হোর্হে মনকায়ো বলেন, তিনি পুরো শহরজুড়ে ধুলোর মেঘ ছড়িয়ে পড়তে এবং একের পর এক ভবন ধসে পড়তে দেখেছেন। পেরেইরা শহরের বিমানবন্দরের একটি অংশের ছাদও খসে পড়েছে। এছাড়া মানিজালেসের একটি ঐতিহাসিক ক্যাথেড্রালের মিনার ভেঙে পড়েছে।
নতুন দায়িত্ব নেওয়া প্রেসিডেন্ট আবোলার্দো দে লা এসপ্রিয়েয়া দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। তিনি ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে কয়েকটি বিমানবন্দরের ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। একই সময়ে ডিজিটাল তালিকায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি নিখোঁজ ব্যক্তির তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছে।
ভূমিকম্পের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্র ১৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি এল সালভাদোর, মেক্সিকো, চিলি, ইসরায়েল, ইকুয়েডর ও ফ্রান্সও উদ্ধার কার্যক্রমে সহযোগিতার আগ্রহ জানিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

আপনার মতামত লিখুন