নওগাঁর পোরশা উপজেলার ১ নং নিতপুর ইউনিয়নে তীব্র ডিএপি (DAP) সার সংকট দেখা দিয়েছে। সময়মতো পর্যাপ্ত ডিএপি সার না পেয়ে চরম হতাশ ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় কৃষকেরা। এতে আসন্ন ফসল উৎপাদন ও কৃষকদের জীবন-জীবিকা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, চলতি কৃষি মৌসুমে জমির তুলনায় ডিএপি সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় মাঠে ফসল নিয়ে তারা চরম বিপাকে পড়েছেন। সময়মতো সার প্রয়োগ করতে না পারলে কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সার ডিলারদের কাছে ডিএপি সারের সংকটের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তারা জানান, চাহিদার তুলনায় সরকারি বরাদ্দ অনেক কম। নিতপুর এলাকায় চাষযোগ্য জমির পরিমাণ অনুযায়ী যে পরিমাণ ডিএপি সারের প্রয়োজন, তার তুলনায় বরাদ্দ বেশ কম থাকায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। ডিলাররা আরও জানান, বর্তমান সংকট নিরসনে এবং কৃষকদের দুর্ভোগ কমাতে ইতিমধ্যে বিষয়টি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য মহোদয়কে অবহিত করা হয়েছে। দ্রুত যেন ডিএপি সারের বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয় এবং কৃষকরা সহজে সার পেতে পারেন, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে ডিএপি সারের পর্যাপ্ত বরাদ্দ নিশ্চিত করে ডিলারদের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে সার সরবরাহ করা না হলে মাঠের ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হবে। তাই দ্রুত প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছেন এলাকার কৃষক সমাজ।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর পোরশা উপজেলার ১ নং নিতপুর ইউনিয়নে তীব্র ডিএপি (DAP) সার সংকট দেখা দিয়েছে। সময়মতো পর্যাপ্ত ডিএপি সার না পেয়ে চরম হতাশ ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় কৃষকেরা। এতে আসন্ন ফসল উৎপাদন ও কৃষকদের জীবন-জীবিকা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, চলতি কৃষি মৌসুমে জমির তুলনায় ডিএপি সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় মাঠে ফসল নিয়ে তারা চরম বিপাকে পড়েছেন। সময়মতো সার প্রয়োগ করতে না পারলে কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সার ডিলারদের কাছে ডিএপি সারের সংকটের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তারা জানান, চাহিদার তুলনায় সরকারি বরাদ্দ অনেক কম। নিতপুর এলাকায় চাষযোগ্য জমির পরিমাণ অনুযায়ী যে পরিমাণ ডিএপি সারের প্রয়োজন, তার তুলনায় বরাদ্দ বেশ কম থাকায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। ডিলাররা আরও জানান, বর্তমান সংকট নিরসনে এবং কৃষকদের দুর্ভোগ কমাতে ইতিমধ্যে বিষয়টি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য মহোদয়কে অবহিত করা হয়েছে। দ্রুত যেন ডিএপি সারের বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয় এবং কৃষকরা সহজে সার পেতে পারেন, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে ডিএপি সারের পর্যাপ্ত বরাদ্দ নিশ্চিত করে ডিলারদের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে সার সরবরাহ করা না হলে মাঠের ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হবে। তাই দ্রুত প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছেন এলাকার কৃষক সমাজ।

আপনার মতামত লিখুন