ঘটনার পরপরই পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে ফেলেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে কাচের গুঁড়ো, প্লাস্টিকের টুকরোসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ বলেন, এটি বড় ধরনের কোনো বিস্ফোরণ নয়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে ককটেল বিস্ফোরণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য অ্যাডভোকেট তসলিম উদ্দিন দাবি করেছেন, আগামী ১৬ আগস্ট বরিশাল জজ আদালতে আইনমন্ত্রীর আসার কথা রয়েছে। তাঁর আগমন ঠেকানো এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন। তবে এ দাবির বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিস্ফোরণের ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। আতঙ্কে বিচারপ্রার্থী ও উপস্থিত লোকজনের অনেকে নিরাপদ স্থানে সরে যান। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে আদালতের কার্যক্রম আবার শুরু হয়।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি বিস্ফোরণের কারণ ও এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
ঘটনার পরপরই পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে ফেলেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে কাচের গুঁড়ো, প্লাস্টিকের টুকরোসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ বলেন, এটি বড় ধরনের কোনো বিস্ফোরণ নয়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে ককটেল বিস্ফোরণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য অ্যাডভোকেট তসলিম উদ্দিন দাবি করেছেন, আগামী ১৬ আগস্ট বরিশাল জজ আদালতে আইনমন্ত্রীর আসার কথা রয়েছে। তাঁর আগমন ঠেকানো এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন। তবে এ দাবির বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিস্ফোরণের ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। আতঙ্কে বিচারপ্রার্থী ও উপস্থিত লোকজনের অনেকে নিরাপদ স্থানে সরে যান। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে আদালতের কার্যক্রম আবার শুরু হয়।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি বিস্ফোরণের কারণ ও এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন