সোনালী ব্যাংকের চট্টগ্রাম পোর্ট শাখায় দায়িত্ব পালন করার সময় অর্থ আত্মসাতের মামলায় রবি রাম ত্রিপুরাকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই রায়ে তাকে ৭৩ লাখ ৯২ হাজার ৮০৭ টাকা ৯৭ পয়সা জরিমানা করা হয়েছে। এ মামলার অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৪ সালে রবি রাম ত্রিপুরা চট্টগ্রামের পোর্ট শাখায় হেড ক্যাশিয়ার কাম সাব-অ্যাকাউন্টেন্ট হিসেবে যোগ দেন। ওই সময় বন্দর কর্তৃপক্ষের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশনসহ বিভিন্ন বিল পরিশোধের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ২০০৯ সালে একই শাখায় অফিসার (ক্যাশ) পদে দায়িত্ব পেলেও আগের কাজই চালিয়ে যান।
নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৪ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত পেনশন ও অন্যান্য বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে হিসাবের অসঙ্গতি তৈরি করে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। বিষয়টি সামনে আসার পর প্রথমে শাখা পর্যায়ে এবং পরে জেনারেল ম্যানেজারের কার্যালয় থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর রেজাউল করিম রনি জানান, মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে মোট ১০ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষ্য ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত রবি রাম ত্রিপুরাকে দোষী সাব্যস্ত করে কারাদণ্ড এবং জরিমানার আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একটি স্বীকারোক্তিমূলক অঙ্গীকারনামায় রবি রাম ত্রিপুরা ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের কথা স্বীকার করেছিলেন।
এরপর ২০১৩ সালের ১৯ মার্চ সোনালী ব্যাংকের পোর্ট শাখার পক্ষ থেকে বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়। পরবর্তী সময়ে তদন্ত শেষ করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলাটি দায়ের করে।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত রবি রাম ত্রিপুরাকে এক বছরের কারাদণ্ড ও ৭৩ লাখ ৯২ হাজার ৮০৭ টাকা ৯৭ পয়সা জরিমানার আদেশ দেন। একই মামলায় অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: আমার দেশ

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
সোনালী ব্যাংকের চট্টগ্রাম পোর্ট শাখায় দায়িত্ব পালন করার সময় অর্থ আত্মসাতের মামলায় রবি রাম ত্রিপুরাকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই রায়ে তাকে ৭৩ লাখ ৯২ হাজার ৮০৭ টাকা ৯৭ পয়সা জরিমানা করা হয়েছে। এ মামলার অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৪ সালে রবি রাম ত্রিপুরা চট্টগ্রামের পোর্ট শাখায় হেড ক্যাশিয়ার কাম সাব-অ্যাকাউন্টেন্ট হিসেবে যোগ দেন। ওই সময় বন্দর কর্তৃপক্ষের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশনসহ বিভিন্ন বিল পরিশোধের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ২০০৯ সালে একই শাখায় অফিসার (ক্যাশ) পদে দায়িত্ব পেলেও আগের কাজই চালিয়ে যান।
নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৪ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত পেনশন ও অন্যান্য বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে হিসাবের অসঙ্গতি তৈরি করে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। বিষয়টি সামনে আসার পর প্রথমে শাখা পর্যায়ে এবং পরে জেনারেল ম্যানেজারের কার্যালয় থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর রেজাউল করিম রনি জানান, মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে মোট ১০ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষ্য ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত রবি রাম ত্রিপুরাকে দোষী সাব্যস্ত করে কারাদণ্ড এবং জরিমানার আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একটি স্বীকারোক্তিমূলক অঙ্গীকারনামায় রবি রাম ত্রিপুরা ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের কথা স্বীকার করেছিলেন।
এরপর ২০১৩ সালের ১৯ মার্চ সোনালী ব্যাংকের পোর্ট শাখার পক্ষ থেকে বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়। পরবর্তী সময়ে তদন্ত শেষ করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলাটি দায়ের করে।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত রবি রাম ত্রিপুরাকে এক বছরের কারাদণ্ড ও ৭৩ লাখ ৯২ হাজার ৮০৭ টাকা ৯৭ পয়সা জরিমানার আদেশ দেন। একই মামলায় অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন