স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, দাদাকে হারানোর তিন বছর পেরিয়ে গেলেও সেই শূন্যতা এখনো কাটেনি। তিন বছর ধরে তিনি দাদার মুখে নিজের নাম ধরে সেই প্রিয় ডাকটি শুনতে পাননি। এখনো তাঁর মনে হয়, আরেকবার যদি দাদা তাঁর কপালে চুমু দিয়ে জড়িয়ে ধরতেন এবং নাম ধরে ডাকতেন।
তিনি আরও লেখেন, প্রিয়জন চলে গেলে আর ফিরে আসে না। দাদার অনুপস্থিতির কষ্ট এখনো আগের মতোই অনুভব করেন তিনি।
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ সাঈদী তাঁর দাদাকে কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন, বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ এবং ইকামতে দ্বীনের স্বপ্নপুরুষ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দাদা কুরআনের কথা বলতে জীবনের দীর্ঘ সময় জনপদের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছেন। শহরের মঞ্চ থেকে গ্রামের ময়দান পর্যন্ত মানুষকে কুরআনের কথা বলেছেন এবং আল্লাহর পথে আহ্বান জানিয়েছেন।
স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, দাদা আজ তাঁদের মাঝে না থাকলেও তাঁর শাহাদাৎ, কণ্ঠ, তাফসির, বক্তব্য ও রেখে যাওয়া আদর্শ এখনো কোটি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছে এবং মানুষকে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।
দাদার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ সাঈদী লেখেন, তাঁকে অনেক ভালোবাসেন এবং ইনশাআল্লাহ জান্নাতে আবার দেখা হবে। সেখানে কোনো দূরত্ব, অপেক্ষা কিংবা কান্না থাকবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আল্লাহর কাছে তাঁর পরম শ্রদ্ধেয় দাদাকে শহীদ হিসেবে কবুল করার পাশাপাশি দুনিয়ার মতো আখিরাতেও আরও বেশি সম্মান দেওয়ার দোয়া করেন। একই সঙ্গে তাঁর কবর কুরআনের নূরে আলোকিত করা, সব ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দেওয়া এবং জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করার জন্য প্রার্থনা করেন।
আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪০–১৪ আগস্ট ২০২৩)।
সূত্র: আমার দেশ

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, দাদাকে হারানোর তিন বছর পেরিয়ে গেলেও সেই শূন্যতা এখনো কাটেনি। তিন বছর ধরে তিনি দাদার মুখে নিজের নাম ধরে সেই প্রিয় ডাকটি শুনতে পাননি। এখনো তাঁর মনে হয়, আরেকবার যদি দাদা তাঁর কপালে চুমু দিয়ে জড়িয়ে ধরতেন এবং নাম ধরে ডাকতেন।
তিনি আরও লেখেন, প্রিয়জন চলে গেলে আর ফিরে আসে না। দাদার অনুপস্থিতির কষ্ট এখনো আগের মতোই অনুভব করেন তিনি।
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ সাঈদী তাঁর দাদাকে কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন, বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ এবং ইকামতে দ্বীনের স্বপ্নপুরুষ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দাদা কুরআনের কথা বলতে জীবনের দীর্ঘ সময় জনপদের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছেন। শহরের মঞ্চ থেকে গ্রামের ময়দান পর্যন্ত মানুষকে কুরআনের কথা বলেছেন এবং আল্লাহর পথে আহ্বান জানিয়েছেন।
স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, দাদা আজ তাঁদের মাঝে না থাকলেও তাঁর শাহাদাৎ, কণ্ঠ, তাফসির, বক্তব্য ও রেখে যাওয়া আদর্শ এখনো কোটি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছে এবং মানুষকে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।
দাদার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ সাঈদী লেখেন, তাঁকে অনেক ভালোবাসেন এবং ইনশাআল্লাহ জান্নাতে আবার দেখা হবে। সেখানে কোনো দূরত্ব, অপেক্ষা কিংবা কান্না থাকবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আল্লাহর কাছে তাঁর পরম শ্রদ্ধেয় দাদাকে শহীদ হিসেবে কবুল করার পাশাপাশি দুনিয়ার মতো আখিরাতেও আরও বেশি সম্মান দেওয়ার দোয়া করেন। একই সঙ্গে তাঁর কবর কুরআনের নূরে আলোকিত করা, সব ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দেওয়া এবং জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করার জন্য প্রার্থনা করেন।
আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪০–১৪ আগস্ট ২০২৩)।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন