স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিধি অনুযায়ী অবসরসংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা হলেন—র্যাব সদর দপ্তরের সহকারী পুলিশ সুপার নূরে আলম সিদ্দিকী, ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের সহকারী কমিশনার (পেট্রোল) মো. নুরুল মোত্তাকিন, খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার কাজী ওয়াজেদ আলী, পটুয়াখালীর গলাচিপা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সৈয়দুজ্জামান, র্যাব-২-এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম কিবরীয়া, ঢাকার আরআরএফের এএসপি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং সিরাজগঞ্জ জেলার সহকারী পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম।
সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনে কর্মকর্তাদের অবসরের কারণ হিসেবে শুধু ‘জনস্বার্থে’ শব্দটি উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগ বা বিস্তারিত কারণ সেখানে জানানো হয়নি।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ এবং বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রমে তাঁদের কয়েকজন সক্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচি দমনে মাঠপর্যায়ে তাঁদের ভূমিকা নিয়ে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে।
এ ছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দায়িত্ব পালনকালে তাঁদের কয়েকজন বিভিন্ন পদক ও পুরস্কার পেয়েছেন বলেও জানা গেছে। এসব পুরস্কারের মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) এবং আইজিপি ব্যাজ রয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিধি অনুযায়ী অবসরসংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা হলেন—র্যাব সদর দপ্তরের সহকারী পুলিশ সুপার নূরে আলম সিদ্দিকী, ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের সহকারী কমিশনার (পেট্রোল) মো. নুরুল মোত্তাকিন, খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার কাজী ওয়াজেদ আলী, পটুয়াখালীর গলাচিপা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সৈয়দুজ্জামান, র্যাব-২-এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম কিবরীয়া, ঢাকার আরআরএফের এএসপি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং সিরাজগঞ্জ জেলার সহকারী পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম।
সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনে কর্মকর্তাদের অবসরের কারণ হিসেবে শুধু ‘জনস্বার্থে’ শব্দটি উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগ বা বিস্তারিত কারণ সেখানে জানানো হয়নি।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ এবং বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রমে তাঁদের কয়েকজন সক্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচি দমনে মাঠপর্যায়ে তাঁদের ভূমিকা নিয়ে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে।
এ ছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দায়িত্ব পালনকালে তাঁদের কয়েকজন বিভিন্ন পদক ও পুরস্কার পেয়েছেন বলেও জানা গেছে। এসব পুরস্কারের মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) এবং আইজিপি ব্যাজ রয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব

আপনার মতামত লিখুন