খুলনার পাইকগাছা উপজেলার খড়িয়া নবারুণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় নাম থাকার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিক দফায় প্রশাসনিক তদন্ত হয়েছে। তবে এখনো তাঁর বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদনে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় দীপক চন্দ্র সরকারের নাম থাকার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে তাঁর বাংলাদেশি নাগরিকত্ব ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত পদে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগের পর পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন, জেলা শিক্ষা বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো বিষয়টি তদন্ত করে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বিষয়টিকে গুরুতর ও স্পর্শকাতর উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে প্রতিবেদন পাঠান।
এদিকে অভিযোগের ভিত্তিতে মাউশি থেকে প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকারকে শোকজ করা হয়। প্রথম নোটিশের জবাব না দিলেও দ্বিতীয় দফায় নোটিশের জবাব তিনি দিয়েছেন বলে মাউশির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানিয়েছেন। বিষয়টি মহাপরিচালকের দপ্তরে উপস্থাপন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকার ভারতীয় ভোটার হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি বাংলাদেশের নাগরিক এবং নিজে ভারতে ভোটার হননি। কেউ তাঁকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করে থাকতে পারে বলেও তিনি দাবি করেন।
এছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেন এবং অনুদানের অর্থ ব্যবহারে অসঙ্গতির অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেছেন।
তদন্ত প্রতিবেদনে ভারতীয় ভোটার তালিকায় নাম থাকার তথ্য উঠে আসার পরও দীপক চন্দ্র সরকার বর্তমানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে কী সিদ্ধান্ত আসে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
খুলনার পাইকগাছা উপজেলার খড়িয়া নবারুণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় নাম থাকার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিক দফায় প্রশাসনিক তদন্ত হয়েছে। তবে এখনো তাঁর বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদনে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় দীপক চন্দ্র সরকারের নাম থাকার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে তাঁর বাংলাদেশি নাগরিকত্ব ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত পদে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগের পর পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন, জেলা শিক্ষা বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো বিষয়টি তদন্ত করে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বিষয়টিকে গুরুতর ও স্পর্শকাতর উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে প্রতিবেদন পাঠান।
এদিকে অভিযোগের ভিত্তিতে মাউশি থেকে প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকারকে শোকজ করা হয়। প্রথম নোটিশের জবাব না দিলেও দ্বিতীয় দফায় নোটিশের জবাব তিনি দিয়েছেন বলে মাউশির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানিয়েছেন। বিষয়টি মহাপরিচালকের দপ্তরে উপস্থাপন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকার ভারতীয় ভোটার হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি বাংলাদেশের নাগরিক এবং নিজে ভারতে ভোটার হননি। কেউ তাঁকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করে থাকতে পারে বলেও তিনি দাবি করেন।
এছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেন এবং অনুদানের অর্থ ব্যবহারে অসঙ্গতির অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেছেন।
তদন্ত প্রতিবেদনে ভারতীয় ভোটার তালিকায় নাম থাকার তথ্য উঠে আসার পরও দীপক চন্দ্র সরকার বর্তমানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে কী সিদ্ধান্ত আসে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন