সোমবার (১৭ আগস্ট) গভীর রাতে এটিএন নিউজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ‘সরকারের ১৮০ দিন: কেমন আছে জনগণ?’ শিরোনামের সংলাপটিতে একপর্যায়ে সরকার ও বিরোধী শিবিরের দুই তরুণ প্রতিনিধি পরস্পরের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন ও ব্যর্থতার অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ করেন।
৪২ মিনিটের অনুষ্ঠানটিতে বাগবিতণ্ডার শুরু হয় ৩৬ মিনিটের দিকে। উপস্থাপিকা রাশেদকে উদ্ধৃত করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে একটি প্রসঙ্গ তুলতে চাইলে রাশেদকে উদ্দেশ করে তুষার বলেন, ‘উনি (রাশেদ) শতভাগ চ্যালেঞ্জ করে এমন অনেক কথাই বলেন। মিথ্যা কথা বলায় ওনার বিরাট… আছে।’
এরপর আলোচনার মূল বিষয় অনেকটা ছাপিয়ে জুলাই আন্দোলনে কার ভূমিকা কেমন ছিল, কে মামলা খেয়েছেন এবং কে মামলা খাননি—এসব নিয়ে দুই বক্তার মধ্যে তর্ক শুরু হয়।
একপর্যায়ে রাশেদ খান ব্যক্তিগত আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘আপনাদের দলে কোন নারী আপনাদের কাছে নিরাপদ? আপনার সঙ্গে থাকা অবস্থায় নারীকে আপনি নিপীড়ন করেছেন। বউ থাকা অবস্থায় এসব করেছেন। কোন মুখে টকশোতে আসেন। এসব বলতে চাইনি। বাধ্য করছেন।’
রাশেদের এই গুরুতর অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন সারোয়ার তুষার। তিনি অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে চিৎকার করে বলেন, ‘আমি কোথায় বিয়ে করেছি? আপনি সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন।’
আলোচনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে উপস্থাপিকা মুনি ইউসুফ দ্রুত অনুষ্ঠানটি শেষ করেন। সরকারের ১৮০ দিনের সাফল্য ও ব্যর্থতা মূল্যায়নকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানটি শেষ পর্যন্ত দুই রাজনৈতিক নেতার ব্যক্তিগত আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে পরিণত হয়। বিষয়টি পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার সৃষ্টি করে।
সূত্র: কালবেলা।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
সোমবার (১৭ আগস্ট) গভীর রাতে এটিএন নিউজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ‘সরকারের ১৮০ দিন: কেমন আছে জনগণ?’ শিরোনামের সংলাপটিতে একপর্যায়ে সরকার ও বিরোধী শিবিরের দুই তরুণ প্রতিনিধি পরস্পরের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন ও ব্যর্থতার অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ করেন।
৪২ মিনিটের অনুষ্ঠানটিতে বাগবিতণ্ডার শুরু হয় ৩৬ মিনিটের দিকে। উপস্থাপিকা রাশেদকে উদ্ধৃত করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে একটি প্রসঙ্গ তুলতে চাইলে রাশেদকে উদ্দেশ করে তুষার বলেন, ‘উনি (রাশেদ) শতভাগ চ্যালেঞ্জ করে এমন অনেক কথাই বলেন। মিথ্যা কথা বলায় ওনার বিরাট… আছে।’
এরপর আলোচনার মূল বিষয় অনেকটা ছাপিয়ে জুলাই আন্দোলনে কার ভূমিকা কেমন ছিল, কে মামলা খেয়েছেন এবং কে মামলা খাননি—এসব নিয়ে দুই বক্তার মধ্যে তর্ক শুরু হয়।
একপর্যায়ে রাশেদ খান ব্যক্তিগত আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘আপনাদের দলে কোন নারী আপনাদের কাছে নিরাপদ? আপনার সঙ্গে থাকা অবস্থায় নারীকে আপনি নিপীড়ন করেছেন। বউ থাকা অবস্থায় এসব করেছেন। কোন মুখে টকশোতে আসেন। এসব বলতে চাইনি। বাধ্য করছেন।’
রাশেদের এই গুরুতর অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন সারোয়ার তুষার। তিনি অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে চিৎকার করে বলেন, ‘আমি কোথায় বিয়ে করেছি? আপনি সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন।’
আলোচনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে উপস্থাপিকা মুনি ইউসুফ দ্রুত অনুষ্ঠানটি শেষ করেন। সরকারের ১৮০ দিনের সাফল্য ও ব্যর্থতা মূল্যায়নকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানটি শেষ পর্যন্ত দুই রাজনৈতিক নেতার ব্যক্তিগত আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে পরিণত হয়। বিষয়টি পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার সৃষ্টি করে।
সূত্র: কালবেলা।

আপনার মতামত লিখুন