আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) গাজা সিটির বন্দরে বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য শিবিরে পরিণত হওয়া ওই ক্যাফেতে হামলা চালানো হয়।
ফিলিস্তিনি সূত্রের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, হামলার পর বেশ কয়েকজনের মরদেহ আল-শিফা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
গাজায় যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনা নিয়ে এখনো আপত্তি জানিয়ে আসছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার বক্তব্য, হামাস অস্ত্র ত্যাগ না করা পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে না।
অন্যদিকে হামাসের অবস্থান হলো, ইসরায়েলি সেনারা গাজা থেকে প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত তারা অস্ত্র ত্যাগ করবে না। বর্তমানে গাজার প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হামলায় হামাসের কয়েকজন কমান্ডারকে লক্ষ্য করা হয়েছিল। তাদের দাবি, ওই কমান্ডাররা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা করছিলেন। তবে এই দাবির সমর্থনে কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেনি ইসরায়েলি বাহিনী।
হামলার পর দেওয়া এক বিবৃতিতে হামাস এটিকে মধ্যস্থতাকারী ও যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তাদানকারী দেশগুলোর পক্ষ থেকে দেওয়া সব যুদ্ধবিরতির আহ্বানের প্রতি ‘নির্লজ্জ অবজ্ঞা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) গাজা সিটির বন্দরে বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য শিবিরে পরিণত হওয়া ওই ক্যাফেতে হামলা চালানো হয়।
ফিলিস্তিনি সূত্রের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, হামলার পর বেশ কয়েকজনের মরদেহ আল-শিফা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
গাজায় যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনা নিয়ে এখনো আপত্তি জানিয়ে আসছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার বক্তব্য, হামাস অস্ত্র ত্যাগ না করা পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে না।
অন্যদিকে হামাসের অবস্থান হলো, ইসরায়েলি সেনারা গাজা থেকে প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত তারা অস্ত্র ত্যাগ করবে না। বর্তমানে গাজার প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হামলায় হামাসের কয়েকজন কমান্ডারকে লক্ষ্য করা হয়েছিল। তাদের দাবি, ওই কমান্ডাররা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা করছিলেন। তবে এই দাবির সমর্থনে কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেনি ইসরায়েলি বাহিনী।
হামলার পর দেওয়া এক বিবৃতিতে হামাস এটিকে মধ্যস্থতাকারী ও যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তাদানকারী দেশগুলোর পক্ষ থেকে দেওয়া সব যুদ্ধবিরতির আহ্বানের প্রতি ‘নির্লজ্জ অবজ্ঞা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন