মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে হোটেলটির চতুর্থ তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে কলকাতা পুলিশ ও দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এর মধ্যেই হোটেলের একটি অংশ পুড়ে যায় এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। আগুনের ধোঁয়ায় অনেকেই অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাদের কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও দমকল বাহিনীর প্রাথমিক ধারণা, হোটেলের একটি এসি থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে আগুনের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাতে হোটেলের সবাই যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন আগুন লাগে। এতে অনেকেই ভেতরে আটকা পড়েন। ওই বহুতলের প্রবেশপথ ও বাইরে বের হওয়ার পথ একই এবং সেটি সংকীর্ণ। আবাসিকদের অভিযোগ, হোটেলটিতে কোনো জরুরি বহির্গমন পথ ছিল না। কেউ কেউ বাথরুমে আশ্রয় নিয়ে জানালা ভেঙে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। পরে দমকল বাহিনী এসে ভবনের আবাসিকদের উদ্ধার করে।
হোটেলে অবস্থানকারীদের মধ্যে দুজন মঙ্গলবার রাতে রামপুরহাট থেকে এসেছিলেন। তারা দুই বন্ধু। তাদের একজন ইজাজ আহমেদ জানান, তারা ভবনের চতুর্থ তলায় অন্য একটি গেস্ট হাউসে ছিলেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে খাবার খেয়ে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ২টা ১৫ মিনিটের দিকে দুই নারীর চিৎকারে তাদের ঘুম ভেঙে যায়। দরজা খোলার পরই ঘরের ভেতর ধোঁয়া ঢুকে পড়ে।
ইজাজ আহমেদ বলেন, ঘর থেকে বের হয়ে যে বারান্দায় যেতে হয়, সেটি খুবই সরু ছিল এবং ধোঁয়ায় পুরো ঘর ঢেকে গিয়েছিল।
নিউ মার্কেটের ওই ভবনের সর্বোচ্চ তলায় একটি পরিবার বসবাস করত। তাদেরও উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের এক নারী জানান, তাদের নিচে নামিয়ে আনার সময় আগুন নিভে গিয়েছিল।
তার অভিযোগ, হোটেল কর্তৃপক্ষকে বারবার অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা স্থাপনের কথা বলা হলেও তারা নিয়ম মানেনি। প্রশাসনের কাছেও অভিযোগ জানানো হয়েছিল, কিন্তু তাতেও কোনো ফল হয়নি।
সূত্র: আমার দেশ

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে হোটেলটির চতুর্থ তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে কলকাতা পুলিশ ও দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এর মধ্যেই হোটেলের একটি অংশ পুড়ে যায় এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। আগুনের ধোঁয়ায় অনেকেই অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাদের কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও দমকল বাহিনীর প্রাথমিক ধারণা, হোটেলের একটি এসি থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে আগুনের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাতে হোটেলের সবাই যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন আগুন লাগে। এতে অনেকেই ভেতরে আটকা পড়েন। ওই বহুতলের প্রবেশপথ ও বাইরে বের হওয়ার পথ একই এবং সেটি সংকীর্ণ। আবাসিকদের অভিযোগ, হোটেলটিতে কোনো জরুরি বহির্গমন পথ ছিল না। কেউ কেউ বাথরুমে আশ্রয় নিয়ে জানালা ভেঙে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। পরে দমকল বাহিনী এসে ভবনের আবাসিকদের উদ্ধার করে।
হোটেলে অবস্থানকারীদের মধ্যে দুজন মঙ্গলবার রাতে রামপুরহাট থেকে এসেছিলেন। তারা দুই বন্ধু। তাদের একজন ইজাজ আহমেদ জানান, তারা ভবনের চতুর্থ তলায় অন্য একটি গেস্ট হাউসে ছিলেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে খাবার খেয়ে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ২টা ১৫ মিনিটের দিকে দুই নারীর চিৎকারে তাদের ঘুম ভেঙে যায়। দরজা খোলার পরই ঘরের ভেতর ধোঁয়া ঢুকে পড়ে।
ইজাজ আহমেদ বলেন, ঘর থেকে বের হয়ে যে বারান্দায় যেতে হয়, সেটি খুবই সরু ছিল এবং ধোঁয়ায় পুরো ঘর ঢেকে গিয়েছিল।
নিউ মার্কেটের ওই ভবনের সর্বোচ্চ তলায় একটি পরিবার বসবাস করত। তাদেরও উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের এক নারী জানান, তাদের নিচে নামিয়ে আনার সময় আগুন নিভে গিয়েছিল।
তার অভিযোগ, হোটেল কর্তৃপক্ষকে বারবার অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা স্থাপনের কথা বলা হলেও তারা নিয়ম মানেনি। প্রশাসনের কাছেও অভিযোগ জানানো হয়েছিল, কিন্তু তাতেও কোনো ফল হয়নি।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন