স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কসমেটিকসের দোকানের মালামাল কিনতে ভারতে গিয়েছিলেন আহমেদ বাবু। কলকাতায় অবস্থানকালে তিনি মির্জা গালিব স্ট্রিটের তিনতলায় অবস্থিত শিখা ইন হোটেলে উঠেছিলেন। সেখানেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়।
আহমেদ বাবুর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়ি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন ও স্থানীয়রা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
নিহত আহমেদ বাবুর পরিবারে রয়েছে আট বছরের এক কন্যাসন্তান ও পাঁচ বছরের এক ছেলে। হঠাৎ তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় সন্তানসহ পরিবারের সদস্যরা শোকাহত হয়ে পড়েছেন।
স্বজনরা জানান, ব্যবসায়িক প্রয়োজনেই কলকাতায় গিয়েছিলেন বাবু। কসমেটিকসের দোকানের জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল কেনার উদ্দেশ্যে তাঁর এই ভারত সফর ছিল। কিন্তু সেখানে গিয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারাতে হবে, তা কেউ কল্পনাও করেননি।
এদিকে প্রিয়জনকে হারিয়ে আহমেদ বাবুর পরিবার এখন তাঁর মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে। মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা।
কলকাতার ওই অগ্নিকাণ্ডে আরও অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। ভয়াবহ এ ঘটনায় নিহতদের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
আহমেদ বাবুর স্বজনরা জানান, প্রিয় মানুষটির মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হলে তারা অন্তত শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে পারবেন। এখন সেই অপেক্ষাতেই দিন কাটছে সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়ির পরিবারটির।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কসমেটিকসের দোকানের মালামাল কিনতে ভারতে গিয়েছিলেন আহমেদ বাবু। কলকাতায় অবস্থানকালে তিনি মির্জা গালিব স্ট্রিটের তিনতলায় অবস্থিত শিখা ইন হোটেলে উঠেছিলেন। সেখানেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়।
আহমেদ বাবুর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়ি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন ও স্থানীয়রা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
নিহত আহমেদ বাবুর পরিবারে রয়েছে আট বছরের এক কন্যাসন্তান ও পাঁচ বছরের এক ছেলে। হঠাৎ তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় সন্তানসহ পরিবারের সদস্যরা শোকাহত হয়ে পড়েছেন।
স্বজনরা জানান, ব্যবসায়িক প্রয়োজনেই কলকাতায় গিয়েছিলেন বাবু। কসমেটিকসের দোকানের জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল কেনার উদ্দেশ্যে তাঁর এই ভারত সফর ছিল। কিন্তু সেখানে গিয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারাতে হবে, তা কেউ কল্পনাও করেননি।
এদিকে প্রিয়জনকে হারিয়ে আহমেদ বাবুর পরিবার এখন তাঁর মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে। মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা।
কলকাতার ওই অগ্নিকাণ্ডে আরও অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। ভয়াবহ এ ঘটনায় নিহতদের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
আহমেদ বাবুর স্বজনরা জানান, প্রিয় মানুষটির মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হলে তারা অন্তত শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে পারবেন। এখন সেই অপেক্ষাতেই দিন কাটছে সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়ির পরিবারটির।

আপনার মতামত লিখুন