যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে সরাসরি সংঘাত কিছুটা কমে এলেও হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা এখনো রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও তেল পরিবহন পুনরায় চালুর লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আলোচনা ব্যর্থ হয়। দুই দেশের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান চলার খবর থাকলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার দাবি করেন, আলোচনা আর চলছে না। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হরমুজ প্রণালিকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখিয়ে একটি পোস্ট দেন তিনি।
বুধবার ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আলী আবদোল্লাহি বলেন, ‘আগ্রাসী মার্কিন বাহিনীকে যেকোনো ধরনের সহায়তা বা সহযোগিতা করা মানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়া।’
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ জানিয়েছিল, তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে হামলা চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে এসব প্রতিশ্রুতি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন আবদোল্লাহি।
তিনি বলেন, আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোতে বিপুলসংখ্যক সামরিক বিমান, বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অজান্তে অবস্থান করা কঠিন। উপসাগরীয় দেশগুলোর পরিস্থিতি সম্পর্কে ইরান ‘পুরোপুরি অবগত’ বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এদিকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের হামলার জবাবে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইন দেশটির বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। তবে এসব দেশ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এমন খবর অস্বীকার করেছে।
মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাত জানায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য, ব্যবসায়িক লেনদেন ও আর্থিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ইউএইর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক আফরা আল হামেলি বলেন, আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে আবুধাবি অভিযোগ করেছিল, ইরান তাদের দিকে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। পরে তারা জানায়, ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর লক্ষ্য ছিল সমুদ্রপথে চলাচলকারী জাহাজ।
সূত্র: যুগান্তর।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে সরাসরি সংঘাত কিছুটা কমে এলেও হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা এখনো রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও তেল পরিবহন পুনরায় চালুর লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আলোচনা ব্যর্থ হয়। দুই দেশের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান চলার খবর থাকলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার দাবি করেন, আলোচনা আর চলছে না। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হরমুজ প্রণালিকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখিয়ে একটি পোস্ট দেন তিনি।
বুধবার ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আলী আবদোল্লাহি বলেন, ‘আগ্রাসী মার্কিন বাহিনীকে যেকোনো ধরনের সহায়তা বা সহযোগিতা করা মানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়া।’
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ জানিয়েছিল, তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে হামলা চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে এসব প্রতিশ্রুতি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন আবদোল্লাহি।
তিনি বলেন, আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোতে বিপুলসংখ্যক সামরিক বিমান, বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অজান্তে অবস্থান করা কঠিন। উপসাগরীয় দেশগুলোর পরিস্থিতি সম্পর্কে ইরান ‘পুরোপুরি অবগত’ বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এদিকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের হামলার জবাবে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইন দেশটির বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। তবে এসব দেশ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এমন খবর অস্বীকার করেছে।
মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাত জানায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য, ব্যবসায়িক লেনদেন ও আর্থিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ইউএইর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক আফরা আল হামেলি বলেন, আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে আবুধাবি অভিযোগ করেছিল, ইরান তাদের দিকে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। পরে তারা জানায়, ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর লক্ষ্য ছিল সমুদ্রপথে চলাচলকারী জাহাজ।
সূত্র: যুগান্তর।

আপনার মতামত লিখুন