বুধবার (১৯ আগস্ট) তেহরানে দেওয়া এক বক্তব্যে জেনারেল কায়ানি বলেন, অধিকৃত ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনিদের ওপর দখলদারিত্ব চালানো ইসরাইলি সমাজ ‘সামাজিক ক্যানসারে’ আক্রান্ত। তার মতে, দেশটির পতন ভেতর থেকেই অনিবার্য হয়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, পশ্চিম তীরে বেপরোয়া ও সহিংস সন্ত্রাসীরা ফিলিস্তিনের বৈশ্বিক আন্দোলনকে আড়ালে সরিয়ে দিতে সক্ষম হবে না। ফিলিস্তিনিদের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিশ্বজুড়ে মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবেই থাকবে।
কায়ানি আরও বলেন, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড সংযুক্ত করার ইসরাইলি উদ্যোগ বাস্তবায়নের কোনো সুযোগ নেই। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘অপরাধী ইসরাইলি শাসনের পতন নিশ্চিত।’
তার এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন পশ্চিম তীরে ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বাড়ছে। সম্প্রতি ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতকারীদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব সামরিক বাহিনীর পরিবর্তে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা করতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। বিশ্লেষকদের অনেকে এই পদক্ষেপকে পশ্চিম তীর আনুষ্ঠানিকভাবে সংযুক্ত করার পথে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
ইসরাইলি সরকারের নীতির সমালোচকেরা অবশ্য বলছেন, পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধির মাধ্যমে অঞ্চলটির ওপর ইসরাইলের কর্তৃত্ব আরও শক্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যেই ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডার ইসরাইলের এমন উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করে দেশটির ভবিষ্যৎ নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেছেন।
সূত্র: যুগান্তর।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
বুধবার (১৯ আগস্ট) তেহরানে দেওয়া এক বক্তব্যে জেনারেল কায়ানি বলেন, অধিকৃত ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনিদের ওপর দখলদারিত্ব চালানো ইসরাইলি সমাজ ‘সামাজিক ক্যানসারে’ আক্রান্ত। তার মতে, দেশটির পতন ভেতর থেকেই অনিবার্য হয়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, পশ্চিম তীরে বেপরোয়া ও সহিংস সন্ত্রাসীরা ফিলিস্তিনের বৈশ্বিক আন্দোলনকে আড়ালে সরিয়ে দিতে সক্ষম হবে না। ফিলিস্তিনিদের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিশ্বজুড়ে মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবেই থাকবে।
কায়ানি আরও বলেন, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড সংযুক্ত করার ইসরাইলি উদ্যোগ বাস্তবায়নের কোনো সুযোগ নেই। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘অপরাধী ইসরাইলি শাসনের পতন নিশ্চিত।’
তার এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন পশ্চিম তীরে ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বাড়ছে। সম্প্রতি ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতকারীদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব সামরিক বাহিনীর পরিবর্তে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা করতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। বিশ্লেষকদের অনেকে এই পদক্ষেপকে পশ্চিম তীর আনুষ্ঠানিকভাবে সংযুক্ত করার পথে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
ইসরাইলি সরকারের নীতির সমালোচকেরা অবশ্য বলছেন, পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধির মাধ্যমে অঞ্চলটির ওপর ইসরাইলের কর্তৃত্ব আরও শক্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যেই ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডার ইসরাইলের এমন উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করে দেশটির ভবিষ্যৎ নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেছেন।
সূত্র: যুগান্তর।

আপনার মতামত লিখুন