মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও নরওয়ের যুদ্ধবিমান, ন্যাটোর ‘ই-৩এ সেন্ট্রি অ্যাওয়াক্স’ নজরদারি বিমান, আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইএ-৩৭বি’ ইলেকট্রনিক যুদ্ধবিমান অংশ নেয়।
মহড়ায় মোট কতটি বিমান অংশ নিয়েছে, তা নিয়ে বিভিন্ন হিসাব পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এতে প্রায় ২৫ থেকে ৫০টি বিমান অংশ নেয়।
পোল্যান্ডের অপারেশনাল কমান্ড জানিয়েছে, ন্যাটোর সমন্বয়ে মহড়াটি পরিচালিত হয়েছে। এর সঙ্গে রুশ বিমানবাহিনীর কোনো তৎপরতার সম্পর্ক নেই বলেও জানানো হয়েছে।
মিত্র দেশগুলোর বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং যৌথভাবে বিভিন্ন ধরনের আকাশ অভিযান পরিচালনার অনুশীলন করাই ছিল মহড়াটির মূল লক্ষ্য।
এর কয়েক দিন আগে জার্মান সংবাদপত্র বিল্ড ন্যাটোর সম্ভাব্য একটি ‘ল্যান্ড ওয়ারফাইটিং কনসেপ্ট’ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে বাল্টিক দেশগুলোর ওপর সম্ভাব্য রুশ হামলার ক্ষেত্রে ন্যাটোর পাল্টা পদক্ষেপের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ অঞ্চলের ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্য করে হামলা চালানোর বিষয়টিও থাকতে পারে।
এদিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সুওয়ালকি গ্যাপ এলাকায় ন্যাটো সামরিক মহড়া আরও বাড়িয়েছে। পোল্যান্ড ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যবর্তী এই সরু ভূখণ্ডটি রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ ও বেলারুশের মাঝখানে অবস্থিত।
গত মে মাসেও ওই এলাকায় মিত্রবাহিনী ‘অ্যাম্বার শক ২৬’ নামে একটি সামরিক মহড়া পরিচালনা করেছিল।
সূত্র: যুগান্তর।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও নরওয়ের যুদ্ধবিমান, ন্যাটোর ‘ই-৩এ সেন্ট্রি অ্যাওয়াক্স’ নজরদারি বিমান, আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইএ-৩৭বি’ ইলেকট্রনিক যুদ্ধবিমান অংশ নেয়।
মহড়ায় মোট কতটি বিমান অংশ নিয়েছে, তা নিয়ে বিভিন্ন হিসাব পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এতে প্রায় ২৫ থেকে ৫০টি বিমান অংশ নেয়।
পোল্যান্ডের অপারেশনাল কমান্ড জানিয়েছে, ন্যাটোর সমন্বয়ে মহড়াটি পরিচালিত হয়েছে। এর সঙ্গে রুশ বিমানবাহিনীর কোনো তৎপরতার সম্পর্ক নেই বলেও জানানো হয়েছে।
মিত্র দেশগুলোর বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং যৌথভাবে বিভিন্ন ধরনের আকাশ অভিযান পরিচালনার অনুশীলন করাই ছিল মহড়াটির মূল লক্ষ্য।
এর কয়েক দিন আগে জার্মান সংবাদপত্র বিল্ড ন্যাটোর সম্ভাব্য একটি ‘ল্যান্ড ওয়ারফাইটিং কনসেপ্ট’ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে বাল্টিক দেশগুলোর ওপর সম্ভাব্য রুশ হামলার ক্ষেত্রে ন্যাটোর পাল্টা পদক্ষেপের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ অঞ্চলের ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্য করে হামলা চালানোর বিষয়টিও থাকতে পারে।
এদিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সুওয়ালকি গ্যাপ এলাকায় ন্যাটো সামরিক মহড়া আরও বাড়িয়েছে। পোল্যান্ড ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যবর্তী এই সরু ভূখণ্ডটি রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ ও বেলারুশের মাঝখানে অবস্থিত।
গত মে মাসেও ওই এলাকায় মিত্রবাহিনী ‘অ্যাম্বার শক ২৬’ নামে একটি সামরিক মহড়া পরিচালনা করেছিল।
সূত্র: যুগান্তর।

আপনার মতামত লিখুন