ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তার পোস্ট টাইপ করা, বিভিন্ন সংবাদ ও তথ্য প্রিন্ট করে দেওয়া এবং বিদেশ সফরসহ বিভিন্ন সময়ে তার সঙ্গে থাকা—এসব গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন হার্প।
সম্প্রতি ট্রাম্পের সঙ্গে হার্পের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফ প্রশ্ন তোলায় তাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। চলতি সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় জন অসফ নাটালি হার্পের নামও উল্লেখ করেন।
কাতারের আমিরের দেওয়া উপহার এবং অরক্ষিত উড়ন্ত প্রাসাদে নাটালিকে সঙ্গে নিয়ে ট্রাম্পের ভ্রমণের সমালোচনা করেন জন অসফ। মূলত গত জুলাইয়ে ইরানের হুমকির কারণে ট্রাম্প যখন একটি ছোট উড়োজাহাজে করে গোপনে তুরস্ক ছাড়েন, তখন অল্পসংখ্যক সহযোগীর মধ্যে নাটালিও ছিলেন।
ক্যালিফোর্নিয়ায় জন্ম নেওয়া নাটালি হার্প রক্ষণশীল খ্রিস্টান পরিবারে বেড়ে ওঠেন। তার হোয়াইট হাউসে প্রবেশের ঘটনাটিও ছিল বেশ নাটকীয়। ট্রাম্প তার জীবন রক্ষা করেছেন—এমন দাবি করে তিনি প্রথমে ব্যাপকভাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে কিছু রোগীর পরীক্ষামূলক চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ বাড়ানো হয়েছিল। সেই সময় হার্প হাড়ের ক্যানসারের চিকিৎসা নেন। নিজের এই অভিজ্ঞতার কথা প্রচার করে তিনি ট্রাম্পের ‘মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ স্লোগানের মাধ্যমে রিপাবলিকান পার্টিতে পরিচিতি পান। পরে ২০২০ সালে ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচনী প্রচারণার একটি উপদেষ্টা বোর্ডে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
এরপর ২০২২ সালে ট্রাম্পের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণাতেও যুক্ত হন হার্প।
হোয়াইট হাউসে নাটালি হার্পের আনুষ্ঠানিক পদবি ‘প্রেসিডেন্টের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট’। সাধারণভাবে পদটি তুলনামূলক নিচের সারির হলেও এর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব জড়িত। সময়সূচি পরিচালনা, যোগাযোগের সমন্বয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কাজ এর মধ্যে পড়ে।
তবে বিভিন্ন সূত্রের মতে, নাটালি এই পদটির প্রচলিত ধারণাকে অনেকটাই বদলে দিয়েছেন। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের কর্মকর্তাদের মধ্যে ম্যাডেলিন ওয়েস্টারহাউটের তুলনায় তার প্রকাশ্য উপস্থিতি অনেক বেশি।
‘এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট’ পদে থাকলেও নাটালির প্রভাব তার আনুষ্ঠানিক পদমর্যাদার তুলনায় অনেক বেশি বলে মনে করা হয়। ট্রাম্পের কাছে কোন তথ্য পৌঁছাবে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কী প্রকাশ করা হবে—এসব বিষয়েও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
ট্রাম্পের পাশে প্রায় সবসময় থাকার কারণে হোয়াইট হাউসের ভেতরে তাকে ‘হিউম্যান প্রিন্টার’, ‘গেটকিপার’ ও ‘কমফোর্ট ব্ল্যাঙ্কেট’ নামে অভিহিত করা হয়। সাংবাদিক ম্যাগি হ্যাবারম্যানের ভাষায়, হার্প ট্রাম্পের জন্য অনেকটা ‘সান্ত্বনার আশ্রয়’।
সূত্র: বিবিসি

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তার পোস্ট টাইপ করা, বিভিন্ন সংবাদ ও তথ্য প্রিন্ট করে দেওয়া এবং বিদেশ সফরসহ বিভিন্ন সময়ে তার সঙ্গে থাকা—এসব গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন হার্প।
সম্প্রতি ট্রাম্পের সঙ্গে হার্পের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফ প্রশ্ন তোলায় তাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। চলতি সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় জন অসফ নাটালি হার্পের নামও উল্লেখ করেন।
কাতারের আমিরের দেওয়া উপহার এবং অরক্ষিত উড়ন্ত প্রাসাদে নাটালিকে সঙ্গে নিয়ে ট্রাম্পের ভ্রমণের সমালোচনা করেন জন অসফ। মূলত গত জুলাইয়ে ইরানের হুমকির কারণে ট্রাম্প যখন একটি ছোট উড়োজাহাজে করে গোপনে তুরস্ক ছাড়েন, তখন অল্পসংখ্যক সহযোগীর মধ্যে নাটালিও ছিলেন।
ক্যালিফোর্নিয়ায় জন্ম নেওয়া নাটালি হার্প রক্ষণশীল খ্রিস্টান পরিবারে বেড়ে ওঠেন। তার হোয়াইট হাউসে প্রবেশের ঘটনাটিও ছিল বেশ নাটকীয়। ট্রাম্প তার জীবন রক্ষা করেছেন—এমন দাবি করে তিনি প্রথমে ব্যাপকভাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে কিছু রোগীর পরীক্ষামূলক চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ বাড়ানো হয়েছিল। সেই সময় হার্প হাড়ের ক্যানসারের চিকিৎসা নেন। নিজের এই অভিজ্ঞতার কথা প্রচার করে তিনি ট্রাম্পের ‘মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ স্লোগানের মাধ্যমে রিপাবলিকান পার্টিতে পরিচিতি পান। পরে ২০২০ সালে ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচনী প্রচারণার একটি উপদেষ্টা বোর্ডে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
এরপর ২০২২ সালে ট্রাম্পের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণাতেও যুক্ত হন হার্প।
হোয়াইট হাউসে নাটালি হার্পের আনুষ্ঠানিক পদবি ‘প্রেসিডেন্টের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট’। সাধারণভাবে পদটি তুলনামূলক নিচের সারির হলেও এর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব জড়িত। সময়সূচি পরিচালনা, যোগাযোগের সমন্বয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কাজ এর মধ্যে পড়ে।
তবে বিভিন্ন সূত্রের মতে, নাটালি এই পদটির প্রচলিত ধারণাকে অনেকটাই বদলে দিয়েছেন। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের কর্মকর্তাদের মধ্যে ম্যাডেলিন ওয়েস্টারহাউটের তুলনায় তার প্রকাশ্য উপস্থিতি অনেক বেশি।
‘এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট’ পদে থাকলেও নাটালির প্রভাব তার আনুষ্ঠানিক পদমর্যাদার তুলনায় অনেক বেশি বলে মনে করা হয়। ট্রাম্পের কাছে কোন তথ্য পৌঁছাবে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কী প্রকাশ করা হবে—এসব বিষয়েও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
ট্রাম্পের পাশে প্রায় সবসময় থাকার কারণে হোয়াইট হাউসের ভেতরে তাকে ‘হিউম্যান প্রিন্টার’, ‘গেটকিপার’ ও ‘কমফোর্ট ব্ল্যাঙ্কেট’ নামে অভিহিত করা হয়। সাংবাদিক ম্যাগি হ্যাবারম্যানের ভাষায়, হার্প ট্রাম্পের জন্য অনেকটা ‘সান্ত্বনার আশ্রয়’।
সূত্র: বিবিসি

আপনার মতামত লিখুন