ঢাকা    সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

আন্তর্জাতিক

ফিলিস্তিনে নতুন বসতি নির্মাণে ইসরাইলের টেন্ডার, পশ্চিমা দেশগুলোর নিন্দা

ফিলিস্তিনে নতুন বসতি নির্মাণে ইসরাইলের টেন্ডার, পশ্চিমা দেশগুলোর নিন্দা
ফিলিস্তিনে নতুন বসতি নির্মাণে ইসরাইলের টেন্ডার, পশ্চিমা দেশগুলোর নিন্দা

অধিকৃত পশ্চিম তীরের গুরুত্বপূর্ণ ই-১ এলাকায় এক হাজার ২০০টির বেশি ইসরাইলি বসতি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করেছে ইসরাইল। এ সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও কানাডা। দেশগুলো এক যৌথ বিবৃতিতে এই পদক্ষেপকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে তা দ্রুত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।

জাতিসংঘের মহাসচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, ই-১ প্রকল্প ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ‘অস্তিত্বের হুমকি’ তৈরি করছে। ফিলিস্তিনিদের আশঙ্কা, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পশ্চিম তীর কার্যত উত্তর ও দক্ষিণ অংশে বিভক্ত হয়ে পড়বে। একই সঙ্গে পূর্ব জেরুজালেম বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বুধবার ইসরাইলের আবাসন মন্ত্রণালয় তিন হাজার ৪০১টি অনুমোদিত আবাসন ইউনিটের মধ্যে এক হাজার ২৩৪টি নির্মাণের জন্য টেন্ডার প্রকাশ করেছে। ই-১ এলাকাটি পূর্ব জেরুজালেম ও ইসরাইলি বসতি মালে আদুমিমের মাঝামাঝি প্রায় ১২ বর্গকিলোমিটার এলাকায় অবস্থিত।

টেন্ডারে দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ অক্টোবর। ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে এই সময়সীমা শেষ হবে।

১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখলের পর থেকে সেখানে প্রায় ১৬০টি ইসরাইলি বসতিতে সাত লাখ ইহুদি বসবাস করছেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যাপক বিরোধিতা থাকা সত্ত্বেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসব বসতির সম্প্রসারণ আরও বেড়েছে।

ফিলিস্তিনি ও এই প্রকল্পের বিরোধিতাকারীদের মতে, ই-১ এলাকায় নতুন বসতি স্থাপন করা হলে পশ্চিম তীরের উত্তর ও দক্ষিণ অংশের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাধাগ্রস্ত হবে। ফলে রামাল্লাহ, পূর্ব জেরুজালেম ও বেথলেহেমকে সংযুক্ত করে একটি ধারাবাহিক ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গড়ে তোলা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

সূত্র: বিবিসি

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


ফিলিস্তিনে নতুন বসতি নির্মাণে ইসরাইলের টেন্ডার, পশ্চিমা দেশগুলোর নিন্দা

প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

অধিকৃত পশ্চিম তীরের গুরুত্বপূর্ণ ই-১ এলাকায় এক হাজার ২০০টির বেশি ইসরাইলি বসতি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করেছে ইসরাইল। এ সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও কানাডা। দেশগুলো এক যৌথ বিবৃতিতে এই পদক্ষেপকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে তা দ্রুত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।

জাতিসংঘের মহাসচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, ই-১ প্রকল্প ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ‘অস্তিত্বের হুমকি’ তৈরি করছে। ফিলিস্তিনিদের আশঙ্কা, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পশ্চিম তীর কার্যত উত্তর ও দক্ষিণ অংশে বিভক্ত হয়ে পড়বে। একই সঙ্গে পূর্ব জেরুজালেম বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বুধবার ইসরাইলের আবাসন মন্ত্রণালয় তিন হাজার ৪০১টি অনুমোদিত আবাসন ইউনিটের মধ্যে এক হাজার ২৩৪টি নির্মাণের জন্য টেন্ডার প্রকাশ করেছে। ই-১ এলাকাটি পূর্ব জেরুজালেম ও ইসরাইলি বসতি মালে আদুমিমের মাঝামাঝি প্রায় ১২ বর্গকিলোমিটার এলাকায় অবস্থিত।

টেন্ডারে দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ অক্টোবর। ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে এই সময়সীমা শেষ হবে।

১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখলের পর থেকে সেখানে প্রায় ১৬০টি ইসরাইলি বসতিতে সাত লাখ ইহুদি বসবাস করছেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যাপক বিরোধিতা থাকা সত্ত্বেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসব বসতির সম্প্রসারণ আরও বেড়েছে।

ফিলিস্তিনি ও এই প্রকল্পের বিরোধিতাকারীদের মতে, ই-১ এলাকায় নতুন বসতি স্থাপন করা হলে পশ্চিম তীরের উত্তর ও দক্ষিণ অংশের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাধাগ্রস্ত হবে। ফলে রামাল্লাহ, পূর্ব জেরুজালেম ও বেথলেহেমকে সংযুক্ত করে একটি ধারাবাহিক ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গড়ে তোলা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

সূত্র: বিবিসি


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ফিলিস্তিনে নতুন বসতি নির্মাণে ইসরাইলের টেন্ডার, পশ্চিমা দেশগুলোর নিন্দা
0:00 0:00
1.0x