বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) নিজের কার্যালয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর দ্বিপক্ষীয় হওয়াই ভালো। দুই দেশেরই পরস্পরকে নিজ নিজ দেশে সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো উচিত।
বাংলাদেশ ও ভারত উভয়কেই গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো সফরের আগে এর মাধ্যমে কী ফলাফল পাওয়া যাবে, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। পারস্পরিক সম্মান ও যোগাযোগের ভিত্তিতেই এ সফর হওয়া উচিত।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু বিষয় রয়েছে। এসব বিষয়ে তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই। সময় উপযুক্ত মনে হলে বাংলাদেশ ভারত সফরে যেতে প্রস্তুত রয়েছে।
দুই দেশকে ঐকমত্যে পৌঁছাতে হলে আগে প্রয়োজনীয় কিছু প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে বলেও জানান পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা।
হুমায়ুন কবির বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ভারত থেকে বাংলাদেশ নিয়ে তুলনামূলক ইতিবাচক বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। একই সঙ্গে ৫ আগস্টের ঘটনাগুলো বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে—ভারতও বিষয়টি উপলব্ধি করছে।
তিনি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়, তাহলে দেশটির বর্তমান বাস্তবতা বুঝতে হবে। সেই বাস্তবতাকে স্বীকার করেই দুই দেশের সম্পর্ক সামনে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
এর আগে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছিলেন, দুই দেশের মধ্যে কিছু সমস্যা থাকলেও আলোচনা ও যোগাযোগের মাধ্যমে সেগুলোর সমাধান করা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের মাধ্যমেও সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
ত্রিবেদী আরও জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে ভারত সফরে সম্মানজনক অভ্যর্থনা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ১৬ আগস্ট বাংলাদেশ ভারতের প্রতি আহ্বান জানায়, প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য দ্রুত অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য উপযুক্ত ও অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি জানান, কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সফর নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালও জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।
সূত্র: কালবেলা

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) নিজের কার্যালয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর দ্বিপক্ষীয় হওয়াই ভালো। দুই দেশেরই পরস্পরকে নিজ নিজ দেশে সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো উচিত।
বাংলাদেশ ও ভারত উভয়কেই গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো সফরের আগে এর মাধ্যমে কী ফলাফল পাওয়া যাবে, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। পারস্পরিক সম্মান ও যোগাযোগের ভিত্তিতেই এ সফর হওয়া উচিত।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু বিষয় রয়েছে। এসব বিষয়ে তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই। সময় উপযুক্ত মনে হলে বাংলাদেশ ভারত সফরে যেতে প্রস্তুত রয়েছে।
দুই দেশকে ঐকমত্যে পৌঁছাতে হলে আগে প্রয়োজনীয় কিছু প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে বলেও জানান পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা।
হুমায়ুন কবির বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ভারত থেকে বাংলাদেশ নিয়ে তুলনামূলক ইতিবাচক বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। একই সঙ্গে ৫ আগস্টের ঘটনাগুলো বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে—ভারতও বিষয়টি উপলব্ধি করছে।
তিনি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়, তাহলে দেশটির বর্তমান বাস্তবতা বুঝতে হবে। সেই বাস্তবতাকে স্বীকার করেই দুই দেশের সম্পর্ক সামনে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
এর আগে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছিলেন, দুই দেশের মধ্যে কিছু সমস্যা থাকলেও আলোচনা ও যোগাযোগের মাধ্যমে সেগুলোর সমাধান করা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের মাধ্যমেও সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
ত্রিবেদী আরও জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে ভারত সফরে সম্মানজনক অভ্যর্থনা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ১৬ আগস্ট বাংলাদেশ ভারতের প্রতি আহ্বান জানায়, প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য দ্রুত অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য উপযুক্ত ও অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি জানান, কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সফর নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালও জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।
সূত্র: কালবেলা

আপনার মতামত লিখুন