বুধবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া অভিযানে ‘অপস বেলাঞ্জা’, ‘অপস মিনিয়াক’, ‘অপস মাহির’ ও ‘অপস সেলেরা’ নামে চারটি পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে ইমিগ্রেশন বিভাগের ২০ কর্মকর্তা অংশ নেন।
সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগের (নিয়ন্ত্রণ) উপপরিচালক মোহাম্মদ খুসাইরি কামারুদিন জানান, অভিযানে মোট ১১৪ জন অভিবাসীর কাগজপত্র ও বৈধতা যাচাই করা হয়। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১১২ জনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি জানান, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৮৭ জন বাংলাদেশি, ১৩ জন ইন্দোনেশীয়, পাঁচজন মিয়ানমারের এবং সাতজন পাকিস্তানি নাগরিক। তাদের বয়স ১৪ থেকে ৫২ বছরের মধ্যে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৯৮ জন পুরুষ ও ১৪ জন নারী রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে মোহাম্মদ খুসাইরি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ৬(১)(সি) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ধারায় বৈধ নথিপত্র বা মালয়েশিয়ায় অবস্থানের অনুমতিপত্র না থাকার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত।
এ ছাড়া একই আইনের ১৫(১)(সি) ধারায় বৈধ পাস বা পারমিটের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও মালয়েশিয়ায় অবস্থান এবং ১৯৬৩ সালের ইমিগ্রেশন বিধিমালার ৩৯(বি) বিধি ভঙ্গের অভিযোগও পাওয়া গেছে।
আটক ১১২ জনকে পরবর্তী তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইমিগ্রেশন বিভাগের কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগ।
সূত্র: কালের কণ্ঠ

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
বুধবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া অভিযানে ‘অপস বেলাঞ্জা’, ‘অপস মিনিয়াক’, ‘অপস মাহির’ ও ‘অপস সেলেরা’ নামে চারটি পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে ইমিগ্রেশন বিভাগের ২০ কর্মকর্তা অংশ নেন।
সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগের (নিয়ন্ত্রণ) উপপরিচালক মোহাম্মদ খুসাইরি কামারুদিন জানান, অভিযানে মোট ১১৪ জন অভিবাসীর কাগজপত্র ও বৈধতা যাচাই করা হয়। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১১২ জনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি জানান, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৮৭ জন বাংলাদেশি, ১৩ জন ইন্দোনেশীয়, পাঁচজন মিয়ানমারের এবং সাতজন পাকিস্তানি নাগরিক। তাদের বয়স ১৪ থেকে ৫২ বছরের মধ্যে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৯৮ জন পুরুষ ও ১৪ জন নারী রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে মোহাম্মদ খুসাইরি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ৬(১)(সি) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ধারায় বৈধ নথিপত্র বা মালয়েশিয়ায় অবস্থানের অনুমতিপত্র না থাকার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত।
এ ছাড়া একই আইনের ১৫(১)(সি) ধারায় বৈধ পাস বা পারমিটের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও মালয়েশিয়ায় অবস্থান এবং ১৯৬৩ সালের ইমিগ্রেশন বিধিমালার ৩৯(বি) বিধি ভঙ্গের অভিযোগও পাওয়া গেছে।
আটক ১১২ জনকে পরবর্তী তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইমিগ্রেশন বিভাগের কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগ।
সূত্র: কালের কণ্ঠ

আপনার মতামত লিখুন