শনিবার (২২ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, চবি শাখার আয়োজনে বার্ষিক লেখক সম্মাননা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাঈদ আল নোমান বলেন, জুলাইয়ের ঘটনায় এখানকার সবাই কোনো না কোনোভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থে দাঁড় করাতে হলে চেতনা, চিন্তা ও কাজের ক্ষেত্রে নিজেদের নতুনভাবে গড়ে তুলতে হবে। জুলাইয়ের পর পুরোনো ঘৃণা, সংঘাত ও রাজনীতিতে আর ফিরে যেতে চান না তারা।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিপ্লব প্রয়োজন। নির্দিষ্ট লক্ষ্য ছাড়া কোনো কিছু অর্জন করা সম্ভব নয়। একইভাবে লেখকদেরও জাতি গঠনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম যেন মেধার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়, সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল। তিনি বলেন, লেখালেখি মানুষের মনের অন্ধকার দূর করে আলোর পথ দেখায়। তবে প্রচুর পড়াশোনা এবং ভালো শ্রোতা বা পাঠক না হলে ভালো লেখা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, পড়তে পড়তে যখন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিজের মধ্যে ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে, তখন তা মৌলিক লেখার মাধ্যমে প্রকাশ পায়। লেখার সময় ভুল হওয়া স্বাভাবিক। এ নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। সময়ের সঙ্গে সেই ভুল লেখাই একসময় সবচেয়ে মূল্যবান লেখায় পরিণত হতে পারে।
চবি লেখক ফোরামের সভাপতি আই এইচ ইমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন। তিনি বলেন, তরুণ লেখকেরা সমাজের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো তুলে ধরে মানুষের সামনে দিকনির্দেশনা দেবেন—এটাই প্রত্যাশা।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন চবির যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আর রাজী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী এবং রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. শফিকুর রহমান।
অনুষ্ঠানে চবি লেখক ফোরামের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, বর্ষসেরা লেখক ও সংগঠক এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
সূত্র: এমআর/এসএএস

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
শনিবার (২২ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, চবি শাখার আয়োজনে বার্ষিক লেখক সম্মাননা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাঈদ আল নোমান বলেন, জুলাইয়ের ঘটনায় এখানকার সবাই কোনো না কোনোভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থে দাঁড় করাতে হলে চেতনা, চিন্তা ও কাজের ক্ষেত্রে নিজেদের নতুনভাবে গড়ে তুলতে হবে। জুলাইয়ের পর পুরোনো ঘৃণা, সংঘাত ও রাজনীতিতে আর ফিরে যেতে চান না তারা।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিপ্লব প্রয়োজন। নির্দিষ্ট লক্ষ্য ছাড়া কোনো কিছু অর্জন করা সম্ভব নয়। একইভাবে লেখকদেরও জাতি গঠনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম যেন মেধার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়, সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল। তিনি বলেন, লেখালেখি মানুষের মনের অন্ধকার দূর করে আলোর পথ দেখায়। তবে প্রচুর পড়াশোনা এবং ভালো শ্রোতা বা পাঠক না হলে ভালো লেখা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, পড়তে পড়তে যখন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিজের মধ্যে ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে, তখন তা মৌলিক লেখার মাধ্যমে প্রকাশ পায়। লেখার সময় ভুল হওয়া স্বাভাবিক। এ নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। সময়ের সঙ্গে সেই ভুল লেখাই একসময় সবচেয়ে মূল্যবান লেখায় পরিণত হতে পারে।
চবি লেখক ফোরামের সভাপতি আই এইচ ইমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন। তিনি বলেন, তরুণ লেখকেরা সমাজের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো তুলে ধরে মানুষের সামনে দিকনির্দেশনা দেবেন—এটাই প্রত্যাশা।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন চবির যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আর রাজী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী এবং রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. শফিকুর রহমান।
অনুষ্ঠানে চবি লেখক ফোরামের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, বর্ষসেরা লেখক ও সংগঠক এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
সূত্র: এমআর/এসএএস

আপনার মতামত লিখুন