শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লাবনীর মৃত্যু হয়।
নিহত লাবনী আক্তার বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ভুরঘাটা গ্রামের হাসমত আলী খানের মেয়ে। তার স্বামী রিফাত ঘরামী মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার গোপালপুর গ্রামের আমজেদ আলী ঘরামীর ছেলে।
লাবনীর মা রাজিয়া সুলতানা অভিযোগ করেন, রিফাত ও তার পরিবারের নির্যাতনে লাবনী দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। একপর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।
তিনি জানান, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে লাবনী তাদের বাড়ির সামনে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কালকিনি উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
লাবনীর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনাটি নিছক আত্মহত্যা নয়; দীর্ঘদিনের নির্যাতন ও মানসিক যন্ত্রণার কারণেই লাবনী এমন চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন।
এ ঘটনায় লাবনীর পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে রিফাত ঘরামীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
সূত্র: কালবেলা

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লাবনীর মৃত্যু হয়।
নিহত লাবনী আক্তার বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ভুরঘাটা গ্রামের হাসমত আলী খানের মেয়ে। তার স্বামী রিফাত ঘরামী মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার গোপালপুর গ্রামের আমজেদ আলী ঘরামীর ছেলে।
লাবনীর মা রাজিয়া সুলতানা অভিযোগ করেন, রিফাত ও তার পরিবারের নির্যাতনে লাবনী দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। একপর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।
তিনি জানান, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে লাবনী তাদের বাড়ির সামনে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কালকিনি উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
লাবনীর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনাটি নিছক আত্মহত্যা নয়; দীর্ঘদিনের নির্যাতন ও মানসিক যন্ত্রণার কারণেই লাবনী এমন চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন।
এ ঘটনায় লাবনীর পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে রিফাত ঘরামীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
সূত্র: কালবেলা

আপনার মতামত লিখুন